| ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস। পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বান্দরবানের থানচিতে সরকারি সফরকালে হাইল্যান্ডার পার্কে হলরুমে আয়োজিত স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মের মানুষের সম্মিলিত আবাসভূমি। এ দেশের প্রতিটি মানুষের সমান মর্যাদা রয়েছে। কোনো জনগোষ্ঠীকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের কাছে সবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ভেদে বিভাজন তৈরি না করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ঐক্যের বিকল্প নেই। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সৌহার্দ্য জোরদার করা প্রয়োজন।

বম জনগোষ্ঠীর প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বম মানে ঐক্য। এই ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান। থানচি উপজেলার মতো পাহাড়ি ও বৈচিত্র্যময় জনপদে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভাষা, রীতিনীতি ও জীবনধারা দেশের সামগ্রিক সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা গুরুত্ব পায়। এ ধরনের আয়োজন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্যমন্ত্রী স্থানীয় প্রতিনিধি মংশৈম্রাই মারমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল, থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি খামলাই ম্রো: প্রমূখ।

এছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

হ্যাপি ইউনাইটেড নেশন ডে-২০২৬

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

জাতিসংঘ দিবস ২০২৬ শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে পালন করা হয়। এই দিনটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার বার্ষিকীকে চিহ্নিত করে, যা শান্তি, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতির প্রতিনিধিত্ব করে।

মূল হাইলাইট এবং থিম মূল ফোকাস: জাতিসংঘ দিবস বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতিকে তুলে ধরে।

পালনীয় : বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত ইভেন্টগুলির মধ্যে রয়েছে মডেল জাতিসংঘের অধিবেশন, পতাকা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক বিনিময়, প্যানেল আলোচনা এবং ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) এর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা শিক্ষামূলক উদ্যোগ।

জাতিসংঘ দিবস পালনের উপায় শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম: স্কুল এবং সম্প্রদায়গুলি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলিতে আন্তর্জাতিক খাদ্য উত্সব, ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রদর্শন এবং উপস্থাপনা আয়োজন করে।

মডেল ইউএন কনফারেন্স: ছাত্র এবং তরুণ প্রাপ্তবয়স্করা জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্র সংরক্ষণের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সমাধান অন্বেষণ করতে জাতিসংঘের বিতর্ক অনুকরণ করে।

শান্তি ও স্থায়িত্ব সচেতনতা: সম্প্রদায়ের ইভেন্টগুলি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলির প্রতি স্থানীয় অবদানগুলিকে তুলে ধরে।

কেংড়াছড়িতে গাজী কালী শাহ (রহ.) মাজারে বার্ষিক ওরশ উদযাপন

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে গাজী কালী শাহ (রহ.) মাজারে বার্ষিক ওরশ উদযাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৯টায় মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত ওরশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি মো. জাফর আহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মোহাম্মদিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মুহাম্মদ সারোয়ার হোসেন। বিশেষ ধর্মীয় আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন আল-মাহমুদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আবুল হোসাইন ও হাফেজ মুহাম্মদ শাহরিয়া আহমেদ। এ সময় উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমাম হাসান সিকদার।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হায়দার, সাধারণ সম্পাদক অলি আহমেদ, কেংড়াছড়ির মনির হোসেন, মো. মতিয়ার রহমান, মো. কবির হোসেন, ফাতেমা বেগম ও মুছাম্মৎ কুলসুম বেগম। আরও উপস্থিত ছিলেন আনসার ও ভিডিপির সহকারী প্লাটুন ইনচার্জ মো. নইম উদ্দিন, মো. শাহাদাৎ হোসেন, ফারুয়ার আলেখ্যং মাজারের দায়িত্বে সমীর দাশ এবং এগুজ্যাছড়ি মাজারের তপন কান্তি দাশসহ বিভিন্ন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওরশ উপলক্ষে মাজার প্রাঙ্গণে শত শত ভক্ত ও আশেকানের সমাগম ঘটে। অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন দলনেত্রী লাইলী বেগমসহ আনসার সদস্যরা।

রাতব্যাপী জিকির, সম্মাননা প্রদান, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বার্ষিক ওরশের আয়োজন সম্পন্ন হয়।

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী

 

চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে’ (শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা) উপলক্ষে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিংরংক্রে একাদশকে ৫-১ গোলে ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ম্রো: ইয়াং এফসি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে থানচি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ম্রো: ইয়াং এফসি দলটি। অন্যদিকে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয় নিংরংক্রে একাদশ। ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে থানচি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। খেলা উপভোগ করতে মাঠের চারপাশে জড়ো হন বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শত শত ফুটবলপ্রেমী দর্শক। দুই দলের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং গোলের মুহূর্তে দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ তৈরি করেছে। ফাইনালে থানচি ম্রো: ইয়াং এফসি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করে তারা। বিপরীতে নিংরংক্রে একাদশ একটি গোল করলেও প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ৫-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্রো: ইয়াং এফসি।

খেলা শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। টুর্নামেন্ট উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নুমংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মার্মা, থানচি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মার্মা, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মার্মা (অনুপম), সমাজপতি ক্রাপ্রুঅং মার্মা এবং প্রধান শিক্ষক চশৈউ মার্মা। তাঁরা বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, খেলাধুলা পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার কার্যকর মাধ্যম। প্রবারণা পূর্ণিমার মতো ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদকাসক্তি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদন এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলার প্রসার প্রয়োজন। তাঁরা আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে। নিয়মিত এমন আয়োজন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এখান থেকে দক্ষ ফুটবলার উঠে আসার সম্ভাবনা বাড়বে।

আয়োজক কমিটি জানায়, স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ঘটানো, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করাই ছিল টুর্নামেন্টের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথাও জানান আয়োজকেরা। থানচি ম্রো: ইয়াং এফসির শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই ফুটবল টুর্নামেন্ট।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে এমন ক্রীড়া আয়োজন থানচির তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

×