শিরোনাম:

ভালো নেই সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা 

ভালো নেই সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

গতকাল সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা (সুজন) কে অসুস্থ অবস্থায় বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল)  দুপুরে এই অভিভাবককে দেখতে ছুটে যান ১নং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান। তখন তিনি তার সঙ্গে কথা বলেন এবং সুবিধা – অসুবিধার কথা খোঁজ খবর নেন এবং একইভাবে দেখতে যান বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকেও।

এছাড়াও হাসপাতালে ৫ দিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির খবর পেয়ে তিনিও অসুস্থ অবস্থায় চেয়ারম্যানের খোঁজ খবর নেন এবং তার সঙ্গে কথা বলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. কনিষ্ক চাকমা ও ডা. আব্রার হামীম জানান, গতকাল চেয়ারম্যানকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় এবং তার স্বাস্থ্যের অবস্থা দেখে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। রোগীর  হার্টের সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসা চলমান রয়েছে। এছাড়াও রবীন্দ্র লাল চাকমা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে পারেন। নিজের বয়স ৭৮ বছর হয়েছে বলেও হিসাব দেন। তিনি প্রায় ১২ বছর আগে তার স্ত্রীকে হারিয়েছেন বলেও তার স্ত্রীর কথা স্বরণ করেন। তার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

তার একমাত্র ছেলে অতীশ দীপংকর চাকমা জানান, যথাসময়ে ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরা দেখতে আসেন।  চিকিৎসার কোন ঘাটতি নেই বলেও জানান। তবে একটাই সমস্যা এক্সরে, আলট্রা, ইন্ডোসকপি মতো বড়ধরনের  পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই এই হাসপাতালে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন হেডম্যান সমূল্য তঞ্চঙ্গ্যা, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা (রায় বাবু), কল্পরঞ্জন কার্বারী, নুনুসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও আত্বীয় বর্গ।

কাপ্তাইয়ে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

ভালো নেই সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা 

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় মেহেরুন নাসা সামিরা (১৬) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের রেশম বাগান এলাকা থেকে গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে।

নিখোঁজ সামিরা ওই এলাকার আনোয়ার হোসেন ও শামসুল আক্তার দম্পতির মেয়ে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা শামসুল আক্তার বাদী হয়ে রবিবার (১৯ এপ্রিল) কাপ্তাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটের দিকে সামিরা নিজ বাসা থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে ঘরে ফিরে আসেনি। কিশোরীর ফুফু জমিলা খাতুন জানান, নিখোঁজের পর থেকে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিরুপায় হয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের শরণাপন্ন হওয়া হয়েছে।কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কিশোরী নিখোঁজের বিষয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে। তাকে উদ্ধারে পুলিশ ইতিমত্যেই প্রয়োজনীয় তৎপরতা ও আইনি কার্যক্রম শুরু করেছে। সামিরার সন্ধান পেতে তার পরিবার দেশবাসী ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে। যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি সামিরার খোঁজ পেয়ে থাকেন, তবে নিচের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে:

​যোগাযোগের নম্বর ০১৮৬৭-৭৩০৮৯৬

অবহেলায় ভেঙে পড়েছে গালেংগ্যা সড়ক, দুর্ভোগে পুরো ইউনিয়ন

ভালো নেই সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা 

 

মথি ত্রিপুরা রুমা প্রতিনিধি :
বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৪নং গালেংগ্যা ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দীর্ঘদিনের অবহেলায় ভেঙে পড়ে এখন চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গালেংগ্যা বাজার থেকে গালেংগ্যা রাস্তা মাথা পর্যন্ত, যা থানছি প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এক সময় ইটসলিং (এইচবিবি) করা হলেও গত এক দশকে কোনো ধরনের সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে এটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বেশিরভাগ অংশে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কাদা-মাটি, কোথাও ভাঙাচোরা অংশ—সব মিলিয়ে সড়কটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদায় পিচ্ছিল হয়ে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ট্রাক, ভ্যান, মোটরসাইকেল এমনকি বোলেরো গাড়ি চলাচল করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয়দের পায়ে হেঁটেই যাতায়াত করতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর আগে সড়কটি ইট দিয়ে নির্মাণ করা হলেও এরপর আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। ফলে বর্তমানে সড়কটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া, শিশুদের স্কুলে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সড়কটি ইউনিয়নের প্রায় ৪৫টি গ্রামের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ দিয়ে উপজেলা ও জেলা শহরে যাতায়াত করেন। পাশাপাশি বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাওয়ার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক।

এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষকরা সময়মতো বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারছেন না এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া জরুরি রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় জীবনঝুঁকি বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের রুমা বা বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়কের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সড়কটি উন্নত করা হলে ব্যবসার প্রসার ঘটবে এবং এলাকার অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে এবং দ্রুত পাকা করা না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি পিচঢালাই বা কার্পেটিংয়ের আওতায় এনে চলাচল উপযোগী করতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

রামগড়ে পুকুরে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ভালো নেই সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা 

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড়:

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে পড়ে তানভীর হোসেন (২) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার বলিপাড়া এলাকায় নানার বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে তানভীর তার পরিবারের সঙ্গে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। দুপুরের কোনো একসময় পরিবারের অগোচরে সে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়।

স্বজনরা দ্রুত তাকে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত তানভীর হোসেন রামগড় সদর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার আরিফ হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

নিহতের স্বজন আবদুর রহিম জানান, “দুপুরের পর কোনো একসময় শিশুটি কখন পুকুরে পড়ে গেছে কেউ বুঝতে পারেনি। পরে খুঁজতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়।”

রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজির আলম জানান, হাসপাতালে আনা শিশুটির মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

×