| ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

 

চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে’ (শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা) উপলক্ষে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিংরংক্রে একাদশকে ৫-১ গোলে ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ম্রো: ইয়াং এফসি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে থানচি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ম্রো: ইয়াং এফসি দলটি। অন্যদিকে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয় নিংরংক্রে একাদশ। ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে থানচি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। খেলা উপভোগ করতে মাঠের চারপাশে জড়ো হন বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শত শত ফুটবলপ্রেমী দর্শক। দুই দলের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং গোলের মুহূর্তে দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ তৈরি করেছে। ফাইনালে থানচি ম্রো: ইয়াং এফসি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করে তারা। বিপরীতে নিংরংক্রে একাদশ একটি গোল করলেও প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ৫-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্রো: ইয়াং এফসি।

খেলা শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। টুর্নামেন্ট উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নুমংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মার্মা, থানচি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মার্মা, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মার্মা (অনুপম), সমাজপতি ক্রাপ্রুঅং মার্মা এবং প্রধান শিক্ষক চশৈউ মার্মা। তাঁরা বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, খেলাধুলা পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার কার্যকর মাধ্যম। প্রবারণা পূর্ণিমার মতো ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদকাসক্তি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদন এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলার প্রসার প্রয়োজন। তাঁরা আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে। নিয়মিত এমন আয়োজন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এখান থেকে দক্ষ ফুটবলার উঠে আসার সম্ভাবনা বাড়বে।

আয়োজক কমিটি জানায়, স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ঘটানো, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করাই ছিল টুর্নামেন্টের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথাও জানান আয়োজকেরা। থানচি ম্রো: ইয়াং এফসির শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই ফুটবল টুর্নামেন্ট।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে এমন ক্রীড়া আয়োজন থানচির তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাঘাইছড়ি উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

 

আনোয়ার হোসেন, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামী ২৮ অক্টোবর (বুধবার) উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় যুবদল নেতারা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠানমালা উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবদুল সবুর ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবু বক্কর সিদ্দিক মামুন, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব ওমর ফারুক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ ও আবু জাহেদ এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জীবন সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর যুবদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। সভা শেষে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় শোভাযাত্রা, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কাপ্তাইয়ে খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  উদ্ধোধনে ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে উড়িয়ে দিল ‘পারলে ঠেকাও একাদশ’

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটি কাপ্তাইয়ে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি উন্মুক্ত মিনিবার নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে কেপিএম আবাসিক এলাকার বাদশামাঝির ঘোনা মাঠ প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

বাদশামাঝির ঘোনা একতা যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ফুটবল প্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা: রহমত উল্ল্যাহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য উথোয়াই মং মারমা। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন আল মামুন। ​এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহীম হাবিব মিলু।

​উদ্বোধনী খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফিল্ড ওয়ারিয়র্স বনাম পারলে ঠেকাও একাদশ। খেলায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবল শৈলী প্রদর্শন করে আধিপত্য বিস্তার করে খেলে পারলে ঠেকাও একাদশ। নির্ধারিত ও চমৎকার খেলা শেষে তারা প্রতিপক্ষ ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে।

ম্যাচ জুড়ে অসাধারণ ও ঝলমলে নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য বিজয়ী দলের আব্দুর রহমান ম্যাচসেরা (সেরা খেলোয়াড়) নির্বাচিত হন। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুবসমাজ এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে টুর্নামেন্টের সাফল্য কামনা করেছেন।

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

রাষ্ট্রের কাছে কেউ ক্ষুদ্র নয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস। পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বান্দরবানের থানচিতে সরকারি সফরকালে হাইল্যান্ডার পার্কে হলরুমে আয়োজিত স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মের মানুষের সম্মিলিত আবাসভূমি। এ দেশের প্রতিটি মানুষের সমান মর্যাদা রয়েছে। কোনো জনগোষ্ঠীকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের কাছে সবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ভেদে বিভাজন তৈরি না করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ঐক্যের বিকল্প নেই। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সৌহার্দ্য জোরদার করা প্রয়োজন।

বম জনগোষ্ঠীর প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বম মানে ঐক্য। এই ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান। থানচি উপজেলার মতো পাহাড়ি ও বৈচিত্র্যময় জনপদে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভাষা, রীতিনীতি ও জীবনধারা দেশের সামগ্রিক সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা গুরুত্ব পায়। এ ধরনের আয়োজন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্যমন্ত্রী স্থানীয় প্রতিনিধি মংশৈম্রাই মারমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল, থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি খামলাই ম্রো: প্রমূখ।

এছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

×