| ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ

বান্দরবানের থানচিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দীর্ঘ ১৩ মাস পর আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সীমিত পরিসরে রুমা ও থানচি উপজেলার আংশিক দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে।

শুক্রবার (৬ জুন) ২০২৫ থেকে থানচির তুমা-তুঙ্গী ও তিন্দু পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবে। পর্যটক ভ্রমণে আংশিক পর্যটন স্পষ্টের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে নির্দেশিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, বান্দরবান জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শামীম আরা রিনি স্বাক্ষরিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমন্বয় সংক্রান্ত কোর কমিটির গত ০৩ জুন তারিখর সভার সিদ্ধান্ত ও সদর দপ্তর, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান সেনানিবাসের ০৫ জুন তারিখের ১৪০/৫৯/জিএস (ইন্ট) পত্রের আলোকে থানচি-রুমা উপজেলায় অদ্য ০৬ জুন তারিখ হতে পর্যটকদের ভ্রমণ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হয়েছে।

 

আরো জানা গেছে, থানচিতে মদক অভিমুখে তিন্দুমুখ পর্যন্ত এবং বাকলাই পাড়া অভিমুখে তমাতঙ্গি পর্যন্ত। রুমায় বাজার হতে মুনলাই পাড়াসহ বগালেক পর্যন্ত ভ্রমণে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে কিছু শর্তারোপ করা হয়েছে, উপজেলা প্রশাসনের নিবন্ধিত টুরিস্ট গাইড ব্যতীত ভ্রমণ করা যাবে না। পর্যটন কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট চেকপোস্ট অথবা পর্যটক তথ্য সেবা কেন্দ্রে চাহিত তথ্য অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় উপর্যুক্ত স্থান সমূহ ব্যতীত আর অন্য জায়গায় পর্যটকদের গমনাগমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ৩৮, বিজিবি ব্যাটালিয়ন বলিপাড়া জোনের অধিনায়ক, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ জহিরুল ইসলাম জি, আর্টিলারি বলেন, থানচিতে মদক অভিমুখে তিন্দুমুখ পর্যন্ত এবং বাকলাই পাড়া অভিমুখে তমাতঙ্গি পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সবগুলো পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হবে।

বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চৌমুহনী কলেজ রোডের বায়তুশ শরফ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম জাবেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন কার্যালয়টি বাঘাইছড়ির সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলী অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

সুজন তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার ১৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর বখতেয়ার হোসেন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার বিভীষণ চাকমা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিরালা কান্তি চাকমা, শিক্ষক সমিতির সভাপতি রঞ্জন তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি কলেজের প্রভাষক ইয়াছমিন সুলতানা, বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুভাশিষ চক্রবর্তী, রাজগুরু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজলা তঞ্চঙ্গ্যা, ফারুয়া সরকারি প্রাথমিক

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ তঞ্চঙ্গ্যা, দেবাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রীতিময় চাকমা, তাগলকছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিপু চাকমা, ইউএনও কার্যালয়ের সত্য কিশোর, সজীব চাকমা ও সুজিত চাকমাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

আলীকদমে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক সংহতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে বান্দরবানের আলীকদমে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শান্তি র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘Invest in Peace – For Everyone, Everywhere, Every Day’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সহনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

‎সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। European Union (EU)-এর অর্থায়নে Ecosystems Restoration and Resilient Development in the CHT (UNDP) প্রকল্পের উদ্যোগে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহেদ পারভেজ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান উপজেলা কোঅডিনেটর অংসিং প্রু মার্মা এবং UNDP বান্দরবান পার্বত্য জেলার Upazila Facilitation/Field Assistant মো. শামিউল আলম।

‎কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্থানীয় অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন অংশ নেন। শান্তির পক্ষে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে র‍্যালির পর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও সম্প্রীতির বিকল্প নেই। স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।


‎বক্তারা আরও বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা শুধু একটি দিবস পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রতিদিনের সামাজিক আচরণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

‎আয়োজকেরা জানান, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক সংহতি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

×