| ৭ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

“কাপ্তাইয়ে প্রণয় থেকে পরিণয়” সম্পন্ন হলো সাইমং ও মাচিং মারমা এর শুভ বিবাহ (মেয়াপোয়ে)

“কাপ্তাইয়ে প্রণয় থেকে পরিণয়” সম্পন্ন হলো সাইমং ও মাচিং মারমা এর শুভ বিবাহ (মেয়াপোয়ে)

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে মারমা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুসারে গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে বড়ইছড়ি মারমা পাড়া স্বর্গীয় চিংসানু মারমা পুত্র সাইমং মারমা ও খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি উপজেলার নোয়াপাড়া–কালাপানি

এলাকার চিংসাঅং মারমা কন্যা মাচিং মারমার এর শুভ বিবাহ (স্থানীয় মারমা ভাষায় ‘মেয়াপোয়ে’) সুসম্পন্ন হয়েছে।

 

এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে আগত অতিথিদের মধ্যে হিন্দু, মুসলিম ও পাহাড়ি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর, এলাকার গণ্যমান্য আত্মীয়-স্বজন এবং শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলায় চারিদিক প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

এসময় প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি অতিথির আগমন অনুষ্ঠানটিকে আরও বর্ণিল করে তোলে।মারমা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিবাহের দিন কনে ও বরের বাড়িতে ছিল উৎসবের আমেজ। মারমা রীতিনীতি অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ভোর রাতে বিন্নি চালের ভাত খাওয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর ভান্তেদের (বৌদ্ধ ভিক্ষু) মাধ্যমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

মারমা সমাজের সামাজিক রীতি ‘চুং-মাং-লে’ বা ‘গংউ নাইট’ অনুষ্ঠানটিও বিবাহের পূর্বশর্ত হিসেবে পালিত হয়, যার মাধ্যমে নবদম্পতি সমাজে একত্রে বসবাস ও পরিবার গঠনের অধিকার লাভ করেন।

নবদম্পতির জন্য শুভকামনা নবদম্পতি সাইমং মারমা ও মাচিং মারমা একে অপরের হাতে হাত রেখে নতুন জীবন শুরু করলেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা নবদম্পতির সারাজীবনের শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি এবং সুন্দর দাম্পত্য জীবনের কামনা করেন।​নবদম্পতি সাইমং মারমা ও মাচিং মারমার আগামীর জীবন ভালোবাসা, সম্মান ও সৌহার্দ্যে পরিপূর্ণ হোক —এ শুভকামনা রইল কাপ্তাইবাসীর পক্ষ থেকে।

রামগড়ের ইউএনও কাজী শামীমকে প্রেস ক্লাবের বিদায়ী সংবর্ধনা

“কাপ্তাইয়ে প্রণয় থেকে পরিণয়” সম্পন্ন হলো সাইমং ও মাচিং মারমা এর শুভ বিবাহ (মেয়াপোয়ে)

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক কাজী শামীমকে বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে সম্মাননা স্মারক প্রদান ও সংবর্ধনা দিয়েছে রামগড় প্রেস ক্লাব। ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যায় রামগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন লাভলু ও সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের (যুগান্তর) নেতৃত্বে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে এ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

কাজী শামীম ঝালকাঠি জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করায় রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে বিদায় নিয়েছেন। তাঁর দায়িত্ব পালনকালে প্রশাসনিক কার্যক্রম, স্থানীয় উন্নয়ন ও জনসেবায় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজী শামীমের দায়িত্বশীলতা ও পেশাগত দক্ষতা রামগড়বাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নতুন কর্মস্থলেও তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামগড় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি শুভাশিস দাশ, সহসভাপতি মো. বাহার, কোষাধ্যক্ষ শাহাদাত হোসেন কিরণ, যুগ্ম সম্পাদক রতন বৈষ্ণব ত্রিপুরা ও মোশাররফ হোসেন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সদস্য সাইফুল ইসলাম, এমদাদ খান, মাসুদ রানা, শাহেদ হোসেন রানা, মো. জহিরুল ইসলাম, মোজাম্মেল হোসেন, মো. শরীফ ও মো. বেলাল হোসেন।.

থানচিতে ত্রিপুরা সম্প্রদায় থেকে নতুন যাজক হলেন ফ্রান্সিস সাধুমনি

“কাপ্তাইয়ে প্রণয় থেকে পরিণয়” সম্পন্ন হলো সাইমং ও মাচিং মারমা এর শুভ বিবাহ (মেয়াপোয়ে)

 

চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে ত্রিপুরা সম্প্রদায় থেকে নতুন যাজক হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে থানচি উপজেলার বলিপাড়া কুমারী মারীয়ার ধর্মপল্লীতে ডিকন ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরার যাজকীয় অভিষেক ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চট্টগ্রাম ধর্মপ্রদেশের বিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার তাঁকে যাজক হিসেবে অভিষিক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁরা জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এ অভিষেক অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার হয়। বিশেষ করে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের একজন সদস্য হিসেবে ফ্রান্সিস সাধুমনির যাজক লাভকে সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, যাজকীয় অভিষেক খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় সেবাকাজের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন। ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার, উপাসনা পরিচালনা, মানুষের আধ্যাত্মিক বিকাশ এবং মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার অঙ্গীকার এবং বর্তমানে থানচি থেকে আরও দুজন যাজক হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। তাঁদের এই অগ্রযাত্রা দুর্গম পার্বত্য জনপদে স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় নেতৃত্ব বিকাশের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, ফ্রান্সিস সাধুমনির এই অভিষেক তাঁর দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সাধনা, অধ্যবসায় ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি। যাজক হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি ধর্মীয় সেবার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর যাজকের পথচলার সফলতা কামনা করে প্রার্থনাও করা হয়েছে।

স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের নতুন যাজক তাঁকে ঘিরে একটাই প্রত্যাশা— খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কাছে ফ্রান্সিস সাধুমনির যাজকত্ব লাভ কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং আনন্দ ও গর্বের উপলক্ষ। তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ, মানবিকতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চর্চা আরও বিস্তৃত হবে। ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরার যাজকীয় অভিষেক তাই থানচির ধর্মীয় ও সামাজিক পরিমণ্ডলে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অন্যদিকে খ্রিষ্টভক্ত রাইবাহাদুর ত্রিপুরা, বেনেডিক্ট ত্রিপুরা ও মালিরাম ত্রিপুরাসহ অনেকেই বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক জনপদে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্য রয়েছে। এ অঞ্চলের ত্রিপুরা সম্প্রদায় থেকেও একজনের যাজকীয় দায়িত্বে অভিষিক্ত হওয়া ধর্মীয় নেতৃত্বের বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে আগ্রহ সৃষ্টিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠান শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারে চট্টগ্রাম মহাধর্মপ্রদেশের আর্চবিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার, সিএসসি বলেন, যাজকীয় অভিষেক ঈশ্বরের সেবায় আত্মনিবেদনের এক মহৎ অঙ্গীকার। থানচির মতো দুর্গম জনপদ থেকে স্থানীয় যুবকের যাজক হিসেবে অভিষিক্ত হওয়া পুরো অঞ্চলের জন্য গৌরব ও আশীর্বাদের বিষয়। মাতৃভাষা ভিত্তিক ধর্মীয় চর্চার প্রসার ঘটলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে আগত যাজক ও সিস্টার, কারিতাসের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর শত শত নারী-পুরুষ ও খ্রিষ্টভক্ত উপস্থিত ছিলেন।

কাপ্তাইয়ের রায় সাহেব বৌদ্ধ বিহারে উদযাপিত হলো কঠিন চীবর দান ও সংঘদান উৎসব অনুষ্ঠিত

“কাপ্তাইয়ে প্রণয় থেকে পরিণয়” সম্পন্ন হলো সাইমং ও মাচিং মারমা এর শুভ বিবাহ (মেয়াপোয়ে)

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী রায় সাহেব বৌদ্ধ বিহারে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সর্বশ্রেষ্ঠ এই দানোৎসবকে কেন্দ্র করে দূরদূরান্ত থেকে আসা শত শত পুণ্যার্থীর সমাগমে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ​

শুক্রবার (০৬ নভেম্বর ) দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন করে রায় সাহেব বৌদ্ধ বিহারের সকল দায়ক-দায়িকাবৃন্দ।​উৎসবের প্রথম পর্বে সকাল থেকেই নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সকালের কর্মসূচির মধ্যে ছিল—​বিশ্বশান্তি কামনা ও বুদ্ধ বন্দনা​, জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, ​পুজনীয় ভিক্ষু সংঘের আগমন, ​প্রব্রজ্যা-উপসম্পদা গ্রহণ ও ভিক্ষু সংঘের পিণ্ডদান।সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন, রায় সাহেব বৌদ্ধ বিহারের উপাসক মংমেচিং পুরাতন কার্বারি। এরপর ভগবান বুদ্ধের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য প্রদান এবং ভিক্ষু সংঘকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পুণ্যার্থীরা।​

বেলা ৩টায় দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান, মহতি ধর্মসভা এবং ভিক্ষু সংঘের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম শুরু হয়। রায় সাহেব বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ পাইন্দিতা ভান্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডংনালা শাক্যনন্দ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত সুরিয়া মহাথেরো। প্রধান দায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য উথোয়াইমং মারমা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রায় সাহেব বৌদ্ধ বিহারের কমিটি  সাধারণ সম্পাদক থোয়াইসাপ্রু চৌধুরী (রুবেল)। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রাইখালী ৩২১ নম্বর মৌজার হেডম্যান উসুয়ে সুয়ে চৌধুরীসহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শত শত গণ্যমান্য দায়ক-দায়িকাবৃন্দ ও পুণ্যার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয় পর্বে পঞ্চশীল গ্রহণ, ভিক্ষুসংঘের মৈত্রী সূত্রপাত, ভিক্ষুসংঘের ধর্মদেশনা এবং কঠিন চীবর দান উৎসর্গ করা হয়।

দিনভর নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী কঠিন চীবর কল্পতরু সহকারে প্রদক্ষিণ করা হয়। এ সময় পুণ্যার্থীদের ‘সাধু সাধু সাধু’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো বিহার প্রাঙ্গণ। ​এবারের উৎসবে তিন পার্বত্য জেলার সর্বোচ্চ বর্ষাবাস বা ওয়া অধিষ্ঠানকারী সর্বজনপূজ্য স্বর্গীয় উপঞা কাওয়ি মহাথেরোর স্মরণে বিশেষ সংঘদান ও প্রব্রজ্যা-উপসম্পদা গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

দিনব্যাপী এই পূণ্যানুষ্ঠানের সার্বিক কর্মসূচিতে উপসম্পদা, পিণ্ডদান, হাজার বাতি দান, আকাশ প্রদীপ পূজা এবং নানাবিধ দান উৎসর্গ সম্পন্ন করা হয়। পরিশেষে প্রদীপ পূজা, আকাশ বাতি উত্তোলন ও সমবেত প্রার্থনার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি কামনায় এই মহতি উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

×