রুপম চাকমা, দিঘীনালা :
সবুজ পাহাড়, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও শান্ত পরিবেশে ঘেরা পার্বত্য জনপদ বাঘাইছড়ি উপজেলা সাজেক ভ্যালি ধীরে ধীরে সম্ভাবনাময় একটি অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে গড়ে ওঠা এই উপজেলাকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে রয়েছে উন্নয়ন ও পর্যটনের নতুন আশা। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় জেলা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা-এর বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম বাঘাইছড়ি উপজেলা, এখানে বাঙালিদের

পাশাপাশি চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির সাথে বসবাস করে আসছে। বিভিন্ন উৎসব, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে এ অঞ্চল গড়ে তুলেছে এক অনন্য সামাজিক বন্ধন।
অর্থনৈতিকভাবে এ অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ কৃষি ও বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। পাহাড়ি ঢালে জুম চাষ, ধান, সবজি ও ফলমূল উৎপাদনের পাশাপাশি ঝাড়ুর ফুলসহ বিভিন্ন বনজ পণ্য সংগ্রহ ও বিক্রির মাধ্যমে

জীবিকা নির্বাহ করেন অনেক পাহাড়ি পরিবার। এসব পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও সরবরাহ করা হয়। উপজেলার মারিশ্যা চৌমহনি, করেঙ্গাতলি বাজার,বাঘাইহাট বাজার, উজো বাজার, ও মাচালং বাজারসহ বিভিন্ন স্থানীয় হাটবাজারে প্রতিদিন আশপাশের পাহাড়ি এলাকা থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে আসেন। এতে স্থানীয় অর্থনীতি সচল থাকার পাশাপাশি পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনযাত্রাও কিছুটা সহজ হয়েছে বলে অনেকে ধারনা করেন।

অনলাইন ডেস্ক