প্রকাশের সময়: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ । ৬:০৭ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রুমা উপজেলার দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় সচেতনতামূলক “মা সমাবেশ”

অনলাইন ডেস্ক

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের দুর্গম নিয়াংক্ষ্যং পাড়ায় ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে ‘মা সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও তহ্জিংডং পরিচালিত ‘এক্সেস টু অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন সিএইচটি ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তহ্জিংডংয়ের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ইটেন ত্রিপুরার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে রিসোর্স পারসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রুবেল মোস্তফা, অভিজিৎ তংচঙ্গ্যা (সাকমো) এবং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মার্মা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে প্রায় ৫০ জনের অধিক দুগ্ধদানকারী মা অংশগ্রহণ করেন।

“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধপান,টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আলোচনা বক্তব্যে ডা. রুবেল মোস্তফা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে মায়ের বুকের দুধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিশুর জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে হবে। জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং ছয় মাস পর প্রয়োজনীয় পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি দুই বছর পর্যন্ত অবশ্যই মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এ সময় তিনি শিশুকে সঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতি, মায়ের সঙ্গে শিশুর সঠিক সংযোগ ও দুধ খাওয়ানোর বিভিন্ন কৌশল নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের তাৎপর্য, মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ এবং শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মাতৃদুগ্ধের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। বক্তারা দুর্গম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃদুগ্ধ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কর্মসূচি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ঘাগড়া, কাউখালী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।

কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন