সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাই ছড়ি (রাঙ্গামাটি) জেলা প্রতিনিধি:
জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন পেলে বিলাইছড়ি উন্নয়নের কর্ণধার হতে পারে জয়সিন্ধু চাকমা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর বিলাইছড়ি বাজারে এক হোটেলে সংবাদ সন্মেলনে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি জয়সিন্ধু চাকমা, পিতা: গোপাল চন্দ্র চাকমা, ঠিকানা :- গ্রাম: গাছকাটা ছড়া দোজরীপাড়া, ১২২নং কুতুবদিয়া মৌজা, ৩নং ওয়ার্ড বিলাইছড়ি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশের নাগরিক।
দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে ছিলাম। ১৯৯৯ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। ২০০৭ হতে ২০১৩ পর্যন্ত তৃণমূল দলের সভাপতি। ২০১৩ হতে ২০১৮ পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক। ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে রয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের অত্যাচারে স্বীকার হওয়ার পরও দলে থেকেই দলকে টিকিয়ে রাখার ভূমিকা রেখেছি, যা অন্য কোনো সক্রিয় সদস্যর চেয়েও কোনো অংশেই কম নয়। বর্তমানে সুসংগত পরিস্থিতি কারণে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে এবং সারাদেশের ন্যায় গত ১২ই ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটিতে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এবং একি ভাবে বিলাইছড়িতেও দশ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে। এজন্য সারা বাংলাদেশে সবার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে বর্তমানে সরকার গঠনে সক্ষম হয়। 
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ্যাড. দীপেন দেওয়ান স্যার আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনি সবসময় পার্বত্যবাসীর সুখ-দুংখের পাশে থাকবেন যেমনি, তেমনি পাশে থাকবেন নেতাকর্মীদের সাথেও। বিলাইছড়িবাসীসহ পার্বত্যবাসী আপনাকে পেয়ে খুবই ধন্য। শুনেছি শীঘ্রই জেলা পরিষদ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাই বিপুল ভোট এবং দলকে টিকিয়ে রাখার অন্যান্য সক্রিয় কর্মীর চেয়ে আমার ভুমিকাও কম ছিলনা। তাছাড়া বিলাইছড়ি আপামর জনগণও আমাকে জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই এবং একইভাবে দেখতে চাই আমাদের নেতাকর্মীরাও। তাছাড়া এই উপজেলা হতে একবারও চাকমা সম্প্রদায় থেকে জেলা পরিষদ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি, দেয়া হয়েছে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় হতে, দেয়া হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পাংখোয়া সম্প্রদায় থেকে।
এজন্য দাবি রাখছি যে, বিলাইছড়ি উপজেলা থেকে চাকমা সম্প্রদায় হলে একমাত্র আমি যোগ্য প্রার্থী। আপনার ছয়াতলে পাশে থেকে গরীব দুঃখী মানুষের সেবা করার সুযোগ দানে আমাকেও একবার সুযোগ দিলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকিব। আশা করি মহোদয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ভুল করবেন না।

অনলাইন ডেস্ক