প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬ । ১:৩৭ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়াতে নারী শিশু নির্যাতন দমন অপহরণ মামলার আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গ্রেপ্তারে ধীরগতি

অনলাইন ডেস্ক

 

বিশেষ প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ডাকবাংলা পাড়া নিবাসী কেপ্রু মারমার কনিষ্ঠ মেয়ে নাবালিকা খ্যাইনুউ মারমা (১৫) সে কুন্ডেশরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে অধ্যয়রনত ছিল। রাউজান এলাকা থেকে গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ সালের এক মারমা নাবালিকা ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর প্রথমে রাউজান থানায় ভিকটিমের অভিভাবক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নং- ১১৫৫ ও ২১ এপ্রিল। এবং ২৪ এপ্রিল আদালতে গিয়ে নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রাম-০৩ আদালতে নারী শিশু নির্যাতন মামলা নং- ৩৫/২০২৬, রাউজান নির্যাতিতার অভিভাবক আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। যার নারী ও শিশু দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ (ধারা ৭/৩০) হলেও প্রধান আসামিসহ অন্যান্য অপরাধীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার না করার অভিযোগ উঠেছে।

ভিকটিমের নামঃ খ্যাইনুউ মারমা (১৫) পিতাঃ কেপ্রু মারমা মাতাঃ নুম্রাসিং মারমা, সাং ডাকবাংলা পাড়া চন্দ্রঘোনা, থানা- রাজস্থলী,  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। সরকারী নিয়মে কোন নারী ১৮ বছরের নিচে বিয়ের নামে অবৈধ বাল্যবিবাহ, অসামাজিক কার্যকলাপ, বিয়ে করা ও সংসার নামে একসঙ্গে বসবাস করা আইনের লঙ্ঘন ও পরিপন্থী। আসামীঃ ১. মোঃ আরজ তালুকদার, পিতা- মৃতঃ আব্দুল মফেজ তালুকদার, বাসিন্দাঃ ডাকবাংলা মধ্য পাড়া, বাঙ্গালহালিয়া চন্দ্রঘোনা, থানা- রাজস্থলী, রাঙ্গামাটি।

সূত্রে জানা যায়, ১নং আসামি তার বিশাল দালান কোঠা তিন তলা বিশিষ্ট বাড়ি অবস্থিত উত্তর সুখবিলাস পাড়া পদুয়া ইউনিয়ন চট্রগ্রাম। আসামি নং-২, মোঃ আলাউদ্দিন পিতাঃ আলী আহম্মদ সাকিনঃ সুখবিলাস, ফলহারিয়া পাড়া পোস্টঃ পদুয়া থানাঃ রাঙ্গুনিয়া উপজেলাঃ রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম। মূলহোতা আসামীসহ সহযোগিতায় আসামীরা ধরা ছোঁয়া বাইরে স্বাভাবিক প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছেন।

স্থানীয়রা এ প্রতিবেদককে জানান, আসামিরা এখনও বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ১ম আসামি পূর্বেও একাধিক পাহাড়ি নারী ও বাঙালি নারীদের সাথে বিয়ে নামে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। ১নং আসামি পূর্বের জন্ম স্থান সাং- নাপিত পুকুরিয়া গ্রাম দক্ষিণ পদুয়া ইউনিয়ন রাঙ্গুনিয়া থানা/ উপজেলা জেলা : চট্টগ্রাম।

স্থানীয়রা জানান, নারী কেলেংকারীর মাধ্যমে এলাকায় পরিস্থিতি অশান্তি সৃষ্টি করতে সে  টাকা অর্থ প্রলোভনের মাধ্যমে নারীদের সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া যায় অনুসন্ধানে রিপোর্টে। আসামিরা এলাকায় দাপটের প্রভাব খাটিয়ে ভিকটিম পরিবারকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

ভিকটিমের মেয়ে, অভিভাবক চাচিসহ গণমাধ্যমকে জানান, সুস্থ বিচার, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্তৃক অপরাধীকে নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল আদালতে মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারসহ বিচারের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন ভিকটিম অভিভাবক ও নির্যাতিত নারী।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ঘাগড়া, কাউখালী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।

কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন