প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৩:১১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভূমিদস্যু শাহ আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক

 

আবু বককর, লংগদু প্রতিনিধি :

রাংগামাটি জেলার লংগদু উপজেলায় ভূমি দস্যুর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন ভূক্তভোগীরা। লংগদু প্রেস ক্লাব হল রুমে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘২৬ইং এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মাইনীমুখ ইউনিয়নের মুসলিম ব্লক গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম পিতা মো: ওবায়দুল হক (মিস্ত্রী) তিনি বিভিন্ন ভাবে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের বাবার সম্পত্তি পরিবারের অন্য কাউকে না দিয়ে জাল দলিল করে আত্মসাৎ করেছেন বলে পরিবারের সদস্য মা নুরবানু বেগম, ভাই নজরুল ইসলাম ও মামুন অভিযোগ করেন। একই মৌজার আঙ্গুরা বেগম স্বামী মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনের ৩ (তিন) একর চাষিলা জমি জাল দলিলের মাধ্যমে জবর দখল করার চেষ্টা করে, অন্যদিকে শামসুন্নাহার গং এর ৬ (ছয়) একর জমির মধ্যে তার স্ত্রী নুর আক্তারের নামে ৩ (তিন) একর জাল দলিল করে জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা করে।

আরেক ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগমের ৪ (চার) একর চাষিলা জমি জাল দলিল করে জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা করে। অন্য আরেক ভুক্তভোগী আয়ুব আলী নামে রেকর্ডিও ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখল করার চেষ্টা করে। আব্দুল মান্নান নামের রেকর্ডের ১.৫০(এক একর পঞ্চাশ শতক) জমির মধ্যে ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমি জাল দলিল করে দখলের চেষ্টা করে।

অন্যদিকে রাংগামাটি পার্বত্য জেলায় চিকিৎসা ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ইবনে সিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লংগদু (রাবেতা) হাসপাতাল।

হাসপাতালের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ইবনে সিনা ট্রাস্ট প্রতি বছর ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা এখানে ভর্তুকি দিয়ে চিকিৎসা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমির জাল দলিল করে বিভিন্ন ভাবে উন্নয়ন মুলক কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।

অভিযুক্ত শাহ আলম ইবনে সিনাসহ সকল ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সমুহ অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দাবি করেন যে ভূমি দস্যু শাহ আলমকে আইনের আওতায় এনে অভিযোগকারী পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করেন।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ঘাগড়া, কাউখালী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।

কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন