প্রকাশের সময়: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ । ৩:২০ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাহাড়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ; জেএসএস ও ইউপিডিএফ অংশ না নেওয়ায় নীরব প্রচার প্রচারণা

অনলাইন ডেস্ক
রুপম চাকমা, দিঘীনালা :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় চলছে ব্যতিক্রমধর্মী পরিস্থিতি। পার্বত্য অঞ্চলের প্রভাবশালী আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় পাহাড়জুড়ে দেখা যাচ্ছে নীরব প্রচার-প্রচারণা। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই তিন পার্বত্য জেলায় নির্বাচনী উৎসবের চিরচেনা চিত্র এবার অনুপস্থিত। পোস্টার, ব্যানার, মাইকিং কিংবা পথসভা তেমন চোখে পড়ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, অতীতের তুলনায় এবারের নির্বাচন অনেকটাই নীরব ও নিস্তব্ধ পরিবেশে এগোচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ জেএসএস ও ইউপিডিএফের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হচ্ছে না। ফলে ভোটারদের মাঝে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ কমে গেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তবে জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা সীমিত পরিসরে ঘরোয়া বৈঠক, ব্যক্তি যোগাযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রকাশ্য প্রচারণা কম হলেও প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, আঞ্চলিক দলগুলোর নির্বাচনে অনুপস্থিতি পাহাড়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের জন্যও এটি একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে—কীভাবে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এদিকে সব মিলিয়ে, জেএসএস ও ইউপিডিএফের নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত পাহাড়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে এনে দিয়েছে এক নীরব ও ভিন্ন মাত্রার রাজনৈতিক চিত্র।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ঘাগড়া, কাউখালী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।

কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন