প্রকাশের সময়: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬ । ১:০৫ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

বাঘাইছড়িতে ইউটিউবের ভিডিও দেখে ফুল চাষে সাফল্য জুশি চাকমা

অনলাইন ডেস্ক

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মগবান গ্রামের জুশি চাকমা সেই পরিশ্রমের সাথে আধুনিকতা ও সৃজনশীলতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে পাহাড়ের কৃষিতে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছেন। বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষে পাহাড়ি অঞ্চল পিছিয়ে থাকলেও জুশি চাকমা প্রমাণ করেছেন, সঠিক লক্ষ্য আর আধুনিক চিন্তা থাকলে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

জুশি চাকমার এই উদ্যোগ কেবল শখের বশবর্তী নয়, বরং তা ছিল প্রখর বাস্তববোধের বহিঃপ্রকাশ। দূর থেকে আসা ফুলের সতেজতা হারানো এবং অতিরিক্ত পরিবহন খরচের সমস্যার সমাধান খুঁজতে গিয়ে তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন একজন সফল ফুল চাষি। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ইউটিউব দেখে চাষের কলাকৌশল রপ্ত করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম “রাজন্যা ফ্লাওয়ার্স গার্ডেন অব বাঘাইছড়ি”-এর মাধ্যমে বাজারজাতকরণ তার আধুনিক মননশীলতার পরিচয় দেয়।

মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগে শুরু করা এই লড়াইয়ে তিনি ইতোমধ্যে সাফল্যের মুখ দেখেছেন। তিন পার্বত্য জেলাজুড়ে নিজের উৎপাদিত ফুল ছড়িয়ে দেওয়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখছেন, তা পাহাড়ি নারীদের স্বনির্ভর হওয়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রতিকূল ভৌগোলিক অবস্থান সত্ত্বেও জুশি চাকমার এই বাণিজ্যিক পদযাত্রা পাহাড়ের নারীদের পরিশ্রমী ও উদ্যমী হওয়ার নতুন এক অনুপ্রেরণা।

জুশি চাকমা বলেন, সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা পেলে এই নারী উদ্যোক্তার হাত ধরেই পাহাড়ের কৃষি অর্থনীতিতে এক রঙিন বিপ্লব সাধিত হবে। তার এই সাহসী পথচলা প্রমাণ করে যে, সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে পাহাড়ের নারীরা আগামীর ডিজিটাল ও আধুনিক কৃষি অর্থনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ নিউটন চাকমা, বার্তা প্রধানঃ উথোয়াই চিং মারমা কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন