| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

থানচি থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে নামলেন বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

থানচি থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে নামলেন বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,
থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান-৩০০ নং আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী দুর্গম থানচি উপজেলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে তথ্যকেন্দ্র সংলগ্নে প্রচারণার প্রথম দিনেই তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, অবহেলা ও উন্নয়ন সংকটের কথা শোনেন।

প্রচারণাকালে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, তারেক রহমান আগামীর বাংলাদেশ, জনগণ ও বিএনপির জন্য অমূল্য সম্পদ। তিনি যে উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, “পাহাড়ি আর বাঙালি—আমরা সবাই এই জনপদের মানুষ। উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতেই আমি নির্বাচনে এসেছি। দুর্গম থানচি থেকে প্রচারণা শুরু করেছি, কারণ এখানকার মানুষের কষ্ট ও বাস্তবতা আমি জানি।”

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ন-সম্পাদক মজিবুর রশিদ, যুগ্ন-সম্পাদক সাশৈপ্রু, যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুল মাবুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু মংশৈহ্লা, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মংশৈম্রই মারমা ও উপজেলা সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য খামলাই ম্রো: প্রমূখ। এছাড়াও জেলা- উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বক্তারা বলছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী একদিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীর্ষে ভোগ দিন, তাতে আগামী ৫ বছরে জন্য সরকারের মৌলিক অধিকারের আপনাদের জন্য কাজ করবে রাজপুত্র জেরী। দুর্গম থানচি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুরো বান্দরবান জেলায় পাহাড়ি-বাঙালি ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ করার বার্তা দিচ্ছেন। তারেক রহমান আগামীর বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর ঐক্য, উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলেও জানান বক্তারা।

Hacked by CoupDeGrace

থানচি থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে নামলেন বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

থানচি থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে নামলেন বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

থানচি থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে নামলেন বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×