রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভিত্তিতে নীতি আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা দেখানো পথে জুম্মজাতির মুক্তি সম্ভব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম
6 বার পড়া হয়েছে
জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভিত্তিতে নীতি আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা দেখানো পথে জুম্মজাতির মুক্তি সম্ভব

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভিত্তিতে নীতি আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা দেখানো পথে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মজাতির মুক্তি সম্ভব বলে কাপ্তাই ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্ব) ‘২৬ সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম কাপ্তাই উপজেলা কমিটির উদ্যোগে ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে হলরুমে এমএন লারমা ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা কমিটি বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম সভাপতি ও রাইখালী মৌজা হেডম্যান শ্রী উসুয়ে সুয়ে চৌধুরী মিশুক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সম্মানিত সদস্য শ্রী মনুচিং মারমা। সভায় প্রধান আলোক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পাবর্ত্য চটগ্রাম অঞ্চল শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী ইন্টু মনি তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম রাঙ্গামাটির পাবর্ত্য জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক শ্রী সাগর ত্রিপুরা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি সাবেক ছাত্র নেতা শ্রী অনিল মারমা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম রাঙ্গামাটি জেলা শাখা সদস্য শ্রী অনুপম খিয়াং, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কাপ্তাই উপজেলা শাখা সভাপতি শ্রী কেতন তঞ্চঙ্গ্যা।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কাপ্তাই উপজেলা শাখা বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম দপ্তর সম্পাদক মেম্বার শ্রী অংসাচিং মারমা। এমএন লারমা সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা তঞ্চঙ্গ্যা। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম কাপ্তাই উপজেলা কমিটি সাধারণ সম্পাদক শ্রী ধনঞ্জয় তঞ্চঙ্গ্যা।

আলোচনা সভায় উপস্থিত আলোকবৃন্দ এমএন লারমা ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এমএন লারমার চিন্তা চেতনা দর্শন নীতি আর্দেশ মাধ্যমে সকল জাতিকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর দেখানো পথে অনুসরন করে আমাদের তরুণ প্রজন্মের ছাত্র সমাজ ও যুব সমাজের আরো অধিকতর সংগতি হওয়া প্রয়োজন। এমএন লারমা জীবন দর্শন বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক বিষয়। আগামী দিনের কঠিন বাস্তবতা জুম্ম জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এমএন লারমা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। কাপ্তাই উপজেলা প্রায় ছয় সাতটি আদিবাসী জাতির বসবাস। তাই এই ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জাতির গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস পুনরুদ্ধারের জন্য সবাই সচেতন হয়ে অস্তিত্ব রক্ষা এগিয়ে আসতে হবে।

এমএন লারমা ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপলব্ধি বিষয় মাত্র ৪৪ বছর বয়সে যে কাজ করে গেছেন তা ইতিহাসে অনন্য রেখে গেছেন। পাবর্ত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নিয়ে অবগত হয়ে চুক্তি বাস্তবায়নের ও আদিবাসী অধিকার আদায়ের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভিত্তিতে নীতি আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা দেখানো পথে জুম্মজাতির মুক্তি সম্ভব

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভিত্তিতে নীতি আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা দেখানো পথে জুম্মজাতির মুক্তি সম্ভব

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

বাঙ্গালহালিয়াতে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজা সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৯ পিএম
জুম্ম জাতীয়তাবাদ ভিত্তিতে নীতি আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা দেখানো পথে জুম্মজাতির মুক্তি সম্ভব

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার সনাতন সম্প্রদায়ের বাঙ্গালহালিয়া সনাতনী ব্যবসায়ীবৃন্দের উদ্যোগে শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকালে সংগীত অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় আরতির ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিবছরের মতো এই বছর ১ই ভাদ্র -১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পূজার দিনে ভক্তরা বিশ্বকর্মা দেবের কৃপা লাভ করার আশায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মধ্যে দিয়ে পূজাটি সম্পন্ন হয়।

পুরাতন মতে তিনি হলেন কারিগরি দেবতা অষ্টম বসু প্রভাস হলেন তাঁর পিতা ও মাতা হলেন বৃহস্পতির ভাগিণী, বরবণিনী।আবার ব্রক্ষবৈবত্ত পুরাণে বর্ণিত তাঁর জম্ম ব্রহ্মার নাভি থেকে। পুরানে কাহিনীতে উল্লেখ করা আছে- তাঁর সৃষ্টি কার্যের কথা পুরাণের লেখা আছে- শ্রীকৃষ্ণের রাজ্য দ্বারক নির্মান করেছেন বিশ্বকর্মা।

মহাভারতে ও ওনার কথা বিভিন্ন জায়গাতে উল্লেখ আছে।বিশ্বকর্মা পূজায় বিশিষ্ট গীতা পাঠক ও ধর্মীয় আলোচক উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রমের শ্রীমৎ স্বামী গোবিন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য, বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সদস্য সদস্যাবৃন্দ, বাঙ্গালহালিয়া সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজার প্রধান উপদেষ্টা শিমুল দাশ, বাদল দাশ, হারাধন কান্তি দাশ, প্রিয়লাল দত্ত, দুলাল দে, অমূল্যে মহাজন, বিশ্বকমা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী টিংকু ধর, সহ-সভাপতি অর্জুন কর্মকার, উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইমন নন্দি, সহ-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল দাশ, অর্থ সম্পাদক রাহুল দাশ, সহ-অর্থ সম্পাদক হৃদয় কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পু দত্ত, পলাশ দাশ, ইমু দাশ, নিদু দাশ, নিটু সাহা, সৌরভ মল্লিক, সুব্রত দে, অপু দেবনাথ, অভি দে, অজয় কর্মকার, চিরঞ্জিত দত্ত সহ সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাঙ্গালহালিয়া পুলিশ ক্যাম্প সার্বক্ষণিক দায়িত্ব ছিলেন ।

পূজা উদযাপন কমিটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং নিষ্ঠার সাথে এই আয়োজন সম্পন্ন করেছে। উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তে ছিল আনন্দ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং ধর্মীয় অনুভূতি। এই আয়োজন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ঐক্য এবং উৎসবের প্রতি আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পূজা উদ্যাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই উৎসবের সম্পন্ন করা হয়েছে।

আজ ১৯ শে সেপ্টেম্বর বিকালে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বলে পূজা কমিটি পক্ষে জানান।

×