| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাপ্তাইয়ে ফিরল ফুটবল উন্মাদনা ; শুরু হলো শহীদ শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাপ্তাইয়ে ফিরল ফুটবল উন্মাদনা ; শুরু হলো শহীদ শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে আবারও মাঠে গড়িয়েছে ঐতিহ্যবাহী ‘শহীদ শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কাপ্তাইয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। ​

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক ও প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান। ​উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় এশিয়া ইউনাইটেড এবং কে এইচ এস ওয়ারির্ওস। উত্তেজনাকর এই ম্যাচে এশিয়া ইউনাইটেডকে ৯-১ গোলে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে কে এইচ এস ওয়ারির্ওস জয়লাভ করে। ম্যাচটিতে প্রধান রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহজালাল চৌধুরী। ​

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, ‘শহীদ এ কে এম শামসুদ্দীন ছিলেন কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (KFP) একজন আদর্শ ও নীতিবান ব্যবস্থাপক, যিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখার পাশাপাশি স্থানীয় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে এক সময় এখানে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন করা হতো। দীর্ঘ দেড় যুগ নানা প্রতিকূলতা ও মাঠ সংকটের কারণে ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্টটি বন্ধ ছিল। তবে পুনরায় এই আয়োজন শুরু হওয়ায় পাহাড়ি এই জনপদে ফুটবল উন্মাদনা ফিরে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, এই ফুটবল টুর্নামেন্টটি কেবল একটি প্রতিযোগিতাই নয়, এটি অত্র এলাকার মানুষের মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি ও সুস্থ বিনোদনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডেপুটি ম্যানেজার প্রকৌশলী কাইসুল বারী, জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন বি-১৮৮৬ (সিবিএ) কাপ্তাই শাখার সভাপতি মো. বেলাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কবিরুল ইসলাম, পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক (নিরাপত্তা) সাখাওয়াত কবির, সিবিএর সাবেক সহ-সভাপতি মোরশেদ আলম এবং কাপ্তাইয়ের বিশিষ্ট ক্রীড়াব্যক্তিত্ব ও সাবেক ফুটবলার জামাল উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দীর্ঘদিন পর আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি কাপ্তাই ও এর আশপাশের এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে প্রাণসঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Hacked by CoupDeGrace

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাপ্তাইয়ে ফিরল ফুটবল উন্মাদনা ; শুরু হলো শহীদ শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাপ্তাইয়ে ফিরল ফুটবল উন্মাদনা ; শুরু হলো শহীদ শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাপ্তাইয়ে ফিরল ফুটবল উন্মাদনা ; শুরু হলো শহীদ শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×