বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২
শিরোনাম:

সাঙ্গু নদে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
18 বার পড়া হয়েছে
সাঙ্গু নদে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা।

নিজস্ব প্রতিনিধি;থানচি (বান্দরবান):

বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ৪ নম্বর বলীপাড়া ইউনিয়নের মংনাই কারবারী এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এক অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল। এ সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান চলাকালে বৈধ অনুমতি ছাড়া সাঙ্গু নদ থেকে বালু উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়ায় মংক্যসিং মারমা নামে এক ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল বলেন, পার্বত্য এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, তলদেশের গঠন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং নদীভাঙনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে এবং মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর কমে যাওয়া এবং বর্ষা মৌসুমে আকস্মিক বন্যা ও ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি থাকলে অবৈধ বালু উত্তোলন অনেকাংশে বন্ধ করা সম্ভব হবে। তারা নদী রক্ষায় প্রশাসনের ধারাবাহিক পদক্ষেপ কামনা করেন।

‘‘কঠোর পরিশ্রম, সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল আজকের স্বাধীনতা’’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৮ পিএম
সাঙ্গু নদে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা।

প্রবন্ধ

 

লেখিকা মিতা পোদ্দার :

উদীয়মান সূর্য, যা একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তকে নির্দেশ করে। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করতে প্রাণ দিয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। সে জন্যই আমাদের জাতীয় পতাকা গাঢ় লাল সবুজের। বিপ্লবী স্বাধীন বাংলার পতাকা ছিল ভিন্ন। সবুজ জমিনে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র। দেখলেই যেন মন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তাইতো কবির কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে — আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। গানটি প্রতিটি বাঙালিকে উদ্দীপ্ত করেছে, প্রেরণাও যুগিয়েছে।লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা, এই দিনে জাতি স্মরণ করছে বীর শহীদদের?

স্বাধীনতা দিবস তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে মুক্তির প্রতিজ্ঞায় উদ্দীপ্ত হওয়ার ইতিহাস। পাকিস্তানের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেওয়ার ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর্যের মাধ্যমে পালন করা হয় দিনটি। স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধীকার। আর মানুষ মাত্রই স্বাধীনতাপ্রিয়। তার জীবনের প্রধান আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধীকার। আর মানুষ মাত্রই স্বাধীনতাপ্রিয়। তার জীবনের প্রধান আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা। স্বাধীনতা কথাটি যতই মধুর হোক না কেন এটা অর্জন করা বড়ই কঠিন। আর এ অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও কঠিন।

স্বাধীনতাকে পারার জন্যেই মানুষ যুগ যুগ ধরে সংগ্রাম করে এসেছে। নিপীড়িত, অত্যাচারিত জাতি স্বীয় মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্যে সংগ্রাম করে মুক্তিলাভ করে থাকে। কিন্তু এ মুক্তি অর্জনই মুখ্য উদ্দেশ্য নয়। একে সমুন্নত রাখাই মুখ্য উদ্দেশ্য। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশের পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও বহিঃশত্রুর হাত থেকে একে রক্ষা করার জন্য সদা প্রস্তুত থাকা একান্ত প্রয়োজন। মানুষের যাবতীয় কার্যকলাপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাধীনতাপূর্ণ গৌরবোজ্জ্বল জীবনের বিকাশ। পরাধীন জাতি কঠিন ত্যাগ, কঠোর পরিশ্রম, সুদীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

তাই স্বাধীনতার মর্যাদা ও গুরুত্ব উপলব্ধি করে একে রক্ষণাবেক্ষণে তৎপর থাকা আমাদের জাতীয় কর্তব্য।

সংগ্রহেঃ এম এস শ্রাবন মাহমুদ,

স্টাফ রিপোর্টার।

রাঙ্গামাটির দুর্গম দুমদুম্যা ইউনিয়নে আগুনে পুড়ে সবকিছু হারালো সুনিল কান্তি চাকমা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫২ পিএম
সাঙ্গু নদে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা।

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেনি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটি জেলার জুরাছড়ি উপজেলার দুমদুম্যা ইউনিয়নে মন্দিরা ছড়া এলাকার বাসিন্দা সুনিল কান্তি চাকমার বসতঘর আগুন পুড়ে গেছে। এতে কাপড় চোপড় কিছুই রক্ষা করতে পারেনি।

বিপ্লব চাকমার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের নাম- সুনিল কান্তি চাকমা, পীং- দয়ামোহন চাকমা, স্ত্রী নাম- রাজ কুমারী চাকমা। ঠিকানা- মন্দিরা ছড়া পাড়া’ ৪নং দুমদুম্যা ইউনিয়ন, ৯নং ওয়ার্ড জুরাছড়ি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।

ঘটনা সুত্র পাঠ : ঘরের পাশে ময়লা স্তুপ থাকায় সেখানে জলন্ত  আগুল থেকে বাড়িতে আগুন লেগে যায় । পরে অনেক চেষ্টার পরেও আগুন নিভাতে পারেনি। পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫ জন। বাড়িতে ছিল ২ জন, স্বামী- স্ত্রী। বাড়ি থেকে কিছু উদ্ধার করতে পারেনি। শুধু ছবিতে থাকা পোশাক গুলো ছাড়া  কিছু বাচাতে পারেনি। জরুরি ভিত্তিতে মানবিক সাহায্য প্রয়োজন।

বলীপাড়ায় বালু পাচারে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সক্রিয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ পিএম
সাঙ্গু নদে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা।

নিজস্ব প্রতিনিধি: থানচি (বান্দরবান):

বান্দরবানের থানচি উপজেলার ৪নং বলী পাড়া ইউনিয়নের মনাই পাড়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে শঙ্খ নদ থেকে অবাধে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের চোখের সামনে এ অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, অথচ রহস্যজনক কারণে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

এই ব্যপারে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল কে মুঠো ফোনে জানানো হলে তিনি বলেন, এই বিষয়টা আমি  লোকজন নিয়ে দেখছি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের আলোতেই নদীর বুক চিরে ট্রাক ও বিভিন্ন যানবাহনে করে বালু উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আশপাশের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে একটি বালুবাহী গাড়ির চালক মোঃ জাফর খোলাখুলি স্বীকার করেন, “আমরা মংক্যসিং মারমার কথায় কাজ করছি।” তার এমন বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, একটি শক্তিশালী প্রভাবশালী চক্রের নির্দেশেই এই অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, কার ইশারায় দিনের পর দিন এভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ লুটপাট চলছে? প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে নিয়ন্ত্রণহীন বালু উত্তোলন চলতে থাকলে শঙ্খ নদীর অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে, যা ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

প্রকাশ্যে বালু পাচারের এই চিত্র শুধু আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতাই নয়, বরং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের চরম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। এখন দেখার বিষয়—প্রশাসন কি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, নাকি প্রভাবশালীদের কাছে আবারও নতস্বীকার করে।

×