বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২
শিরোনাম:

বাঘাইছড়িতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপির প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৬ এএম
11 বার পড়া হয়েছে
বাঘাইছড়িতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপির প্রধান

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংস হামলায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে, বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় আহত-নিহত পরিবারের পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি” এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

২০১৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষে দায়িত্ব পালন করে ফেরার পথে ৯ কিলো এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং অনেকে আহত হন। ঘটনাটি সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তাদের পুনর্বাসন ও বিচার নিশ্চিত হয়নি।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিহতদের পরিবার এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং আহতরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পূর্ণ পুনর্বাসন, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ, নিহতদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কমিটির সভাপতি মো. তাহেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সদস্য ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইয়ুম। এছাড়া সংগঠনটির সভাপতি মুক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে। তাই দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে ভবিষ্যতে নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়।

মানববন্ধন শেষে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরা হয়।
এ সময় বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কাপ্তাইয়ে কলাবাগান এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, দুই পরিবারের সর্বস্বান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:১০ পিএম
বাঘাইছড়িতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপির প্রধান

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনাধীন কেপিএম কলাবাগান এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং কয়েক লক্ষ টাকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেপিএম-এর সাবেক কর্মচারী নুরুল আমিনের মেয়ে হাসির বসতঘর থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় ঘরে কেউ না থাকায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে এবং দ্রুত পাশের ঘরে (মির্জা ড্রাইভারের বোনের ঘর) ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় প্রাণের ভয়ে কেউ তাৎক্ষণিকভাবে কাছে গিয়ে আগুন নেভাতে সাহস পাননি, ফলে আগুন দ্রুত বিধ্বংসী রূপ নেয়। ​

চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা মেম্বার ফুসকারা বেগম জানান, ​“তারাবির নামাজ চলাকালীন সময়ে হঠাৎ আগুন দেখে এলাকাবাসী ছুটে আসে। ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।” ​অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের আসবাবপত্র, টেলিভিশন, ফ্রিজ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী পুড়ে গেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসেবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা ধরা হয়েছে। ​খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।

ফায়ার লিডার আব্দুল কাইয়ুম জানান, তাদের নিরলস চেষ্টায় রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

পাহাড়ি নারী উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়ালেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৭ পিএম
বাঘাইছড়িতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপির প্রধান

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছড়িতে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন। চাকমা সম্প্রদায়ের এক তরুণী উদ্যোক্তা নিজের ব্যবসা শুরু করার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভের মাধ্যমে সহযোগিতা কামনা করেন। কিন্তু প্রত্যাশিত সাড়া না পেয়ে তিনি একপর্যায়ে হতাশ হয়ে পড়েন। রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট পোস্ট অফিসের অন্তর্গত ছয়নাল ছড়া গ্রামের কমল কিষ্ট চাকমা’র মেয়ে তরুণী উদ্যোক্তার রিতা চাকমা (২৫)-র বিষয়টি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডারের দৃষ্টি গোচর হয়। বিষয়টি আন্তরিক ভাবে দেখেই তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট জোন কমান্ডারকে নির্দেশনায় দেন এই তরুনীর পাশে দাড়াতে হবে। এময় নারী উদ্যোক্তা রিতা চাকমাকে একটি দোকান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বক্স, মালামালসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।

এদিকে সহায়তা পেয়ে রিতা চাকমা অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই সহায়তা শুধু একটি দোকান নয়, আমার স্বপ্ন পূরণের পথে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।”

সেনাবাহিনী জানিয়েছে “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় নয়, বরং মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে এবং নাগরিক জীবনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

স্থানীয়’রা মনে করছে “শিক্ষা, চিকিৎসা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নে তাদের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা ও ভালোবাসা আরও সুদৃঢ় করছে।”

রামগড়ে বিএনপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত, নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গুরুত্বারোপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৩ পিএম
বাঘাইছড়িতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপির প্রধান

দলীয় ঐক্য ও সংগঠন শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড়:

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় এক সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রামগড় উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত স্থানীয় শিল্পী কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম.এন. আবছার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভুইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু এবং রামগড় পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন।

বক্তারা নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দলকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি দলীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অভ্যন্তরীণ ঐক্য জোরদারে প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

এসময় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সহিংসতার শিকার রামগড় উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক কামাল উদ্দিন এবং কৃষক দলের সভাপতি মো. মনির হোসেনকে ঈদ উপহার প্রদান করা হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান, ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে এই উপহার তুলে দেওয়া হয়।

×