| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

সাপের সঙ্গে ম্যান্টিসের লড়াই: ছোট শরীরে এত শক্তি কোথা থেকে ?

সাপের সঙ্গে ম্যান্টিসের লড়াই: ছোট শরীরে এত শক্তি কোথা থেকে ?

 

মথি ত্রিপুরা :

ছোট্ট একটি পোকা। সামনে তার চেয়ে বহুগুণ বড় একটি সাপ। অথচ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেই ক্ষুদ্র পোকাটিই সাপের শরীর আঁকড়ে ধরে আছে। দৃশ্যটি প্রথম দেখায় অবিশ্বাস্য মনে হওয়াই স্বাভাবিক। তাহলে পোকাটি কী? সাপটিই বা কোন প্রজাতির? আর এত ছোট একটি প্রাণী কীভাবে তুলনামূলকভাবে বড় একটি সাপকে সামলানোর সাহস ও শক্তি পায়?

ছবির পোকাটি দেখতে প্রেয়িং ম্যান্টিস বা ম্যান্টিড (Praying mantis/Mantodea)-এর মতো। ম্যান্টিস মূলত শিকারি পোকা। সাধারণত মাছি, পঙ্গপাল, ঝিঁঝিঁ পোকা, প্রজাপতি, মৌমাছি কিংবা অন্যান্য পোকামাকড় শিকার করে। তবে কিছু বড় ম্যান্টিস ছোট মেরুদণ্ডী প্রাণীকেও আক্রমণ করতে পারে—যদিও সাপকে শিকার করা তাদের স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস নয়। অস্ট্রেলিয়ান মিউজিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, ম্যান্টিস সাধারণত পোকামাকড় খায়, তবে ছোট মেরুদণ্ডী প্রাণী খাওয়ার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।

আসল অস্ত্র দাঁত নয়, সামনের পা ;

ছবিটি দেখলে মনে হতে পারে ম্যান্টিস তার ‘দাঁত’ দিয়ে সাপটিকে টুকরো করার চেষ্টা করছে। কিন্তু ম্যান্টিসের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র আসলে তার মুখের দাঁত নয়—তার সামনের দুই পা।

এই সামনের পা দুটিকে বলা হয় raptorial forelegs। এগুলো অনেকটা ভাঁজ করা ছুরির মতো কাজ করে। শিকার কাছে এলেই মুহূর্তের মধ্যে পা ছুড়ে দিয়ে শিকারকে চেপে ধরে। পায়ের ভেতরের দিকে থাকা ধারালো কাঁটাগুলো শিকারের শরীরে আটকে যায় এবং তাকে পালাতে বাধা দেয়।

অর্থাৎ ছবিতে ম্যান্টিস সাপটিকে শুধু ‘ধরে’ রাখছে না; তার সামনের পায়ের কাঁটাগুলো দিয়ে সাপের শরীরকে শক্ত করে আটকে রাখার চেষ্টা করছে।
কিন্তু এত বড় সাপকে ছোট ম্যান্টিস কেন সামলাতে পারছে?

এখানেই প্রকৃতির মজার কৌশল। শুধু শরীরের আকার দিয়ে কোনো প্রাণীর শক্তি বিচার করা যায় না। ম্যান্টিসের শরীর ছোট হলেও তার শিকার ধরার অঙ্গগুলো অত্যন্ত বিশেষায়িত। একটি ম্যান্টিস শিকার করার সময় নিজের শরীরের তুলনায় যথেষ্ট বড় পোকাকেও শক্তভাবে আটকে রাখতে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে ম্যান্টিস সাধারণত বড় সাপকে পরাজিত করতে পারে।

বরং বাস্তব পরিস্থিতিতে একটি সুস্থ, পূর্ণবয়স্ক সাপকে ম্যান্টিসের পক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। সাপের পেশিশক্তি, নমনীয় শরীর এবং আত্মরক্ষার ক্ষমতা ম্যান্টিসের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে। সাপটি যদি আকারে বড় ও শক্তিশালী হয়, তাহলে উল্টো ম্যান্টিসের জন্যই বিপদ হতে পারে।

তাই ছবির ঘটনাকে ‘একটি ছোট পোকা বড় সাপকে পরাজিত করছে’—এভাবে সরলীকরণ করা ঠিক হবে না।

ম্যান্টিসের মুখের ‘দাঁত’ আসলে কী ?

ম্যান্টিসের মুখে মানুষের মতো দাঁতের সারি নেই। তাদের রয়েছে শক্ত mandibles, অর্থাৎ চোয়ালজাতীয় মুখাঙ্গ। এগুলো দিয়ে তারা শিকারকে কেটে, ছিঁড়ে এবং চিবিয়ে খায়।

ম্যান্টিসের ম্যান্ডিবল নিয়ে ২০২৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের মুখাঙ্গের গঠন ও উপাদান এমনভাবে অভিযোজিত হয়েছে যাতে শিকারের শক্ত অংশ ভাঙা ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হয়। গবেষণায় বিশেষভাবে ম্যান্ডিবলের গঠন, শক্ত হওয়া এবং যান্ত্রিক বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করা হয়েছে।

অর্থাৎ, ম্যান্টিসের মুখ সত্যিই ছোট হলেও যথেষ্ট শক্তিশালী। কিন্তু ছবিতে দেখা সাপের শরীর ‘টুকরো টুকরো করে ফেলার’ ক্ষমতা তার স্বাভাবিক শিকারি কৌশল—এমনটা বলা ঠিক হবে না।

তাহলে ম্যান্টিসের শক্তি কোথায় ?

ম্যান্টিসের শক্তির রহস্য হলো গঠন, গতি ও কৌশল।

প্রথমত :
তার সামনের পা শিকার ধরার জন্য বিশেষভাবে তৈরি।

দ্বিতীয়ত :
পায়ের ধারালো কাঁটাগুলো শিকারকে শক্ত করে আটকে রাখে।

তৃতীয়ত :

ম্যান্টিসের মাথা অত্যন্ত সচল। শিকারের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য তার বড় বড় যৌগিক চোখ এবং মাথা ঘোরানোর অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

চতুর্থত:

শিকার ধরার সময় তার আক্রমণ খুব দ্রুত হয়। ফলে শিকার বুঝে ওঠার আগেই ম্যান্টিস তাকে আঁকড়ে ফেলতে পারে।

সাপটি কোন প্রজাতির ?

ছবির সাপটির শরীরে কালো ও হালকা রঙের লম্বালম্বি দাগ এবং সরু, লম্বাটে শরীর দেখা যাচ্ছে। এ কারণে এটি ব্রোঞ্জব্যাক বা গাছসাপ-জাতীয় কোনো সাপ হতে পারে বলে অনুমান করা যায়। তবে ছবির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট প্রজাতির নাম বলা নিরাপদ নয়।

বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় Dendrelaphis গণের বিভিন্ন গাছসাপ দেখতে কাছাকাছি হতে পারে। তাই সাপটির প্রজাতি নিশ্চিত করতে পরিষ্কার মাথা, চোখ, শরীরের দাগ এবং অবস্থানের তথ্য প্রয়োজন।

প্রকৃতির নিয়ম: বড় মানেই শক্তিশালী নয়, এই ছবির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো এখানেই। প্রকৃতিতে আকার সবসময় শক্তির একমাত্র মাপকাঠি নয়। ম্যান্টিসের শরীর ছোট, কিন্তু তার শরীরের কিছু অংশ নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য অসাধারণভাবে তৈরি। তার সামনের পা যেন জীবন্ত ফাঁদ, আর তার চোয়াল যেন ক্ষুদ্র কাঁচি। অন্যদিকে সাপের শক্তি আসে তার পেশিবহুল ও নমনীয় শরীর, দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং আত্মরক্ষার ক্ষমতা থেকে।

তাই ছবির এই অদ্ভুত সংঘর্ষকে শুধু ‘ছোট পোকা বনাম বড় সাপ’ হিসেবে দেখলে প্রকৃতির আসল গল্পটি ধরা পড়ে না।

এটি আসলে দুটি ভিন্ন ধরনের বিবর্তিত অস্ত্রের মুখোমুখি হওয়া—একদিকে ম্যান্টিসের কাঁটাযুক্ত সামনের পা ও শক্ত ম্যান্ডিবল, অন্যদিকে সাপের নমনীয় ও পেশিবহুল শরীর।

আর এই কারণেই প্রকৃতির মঞ্চে কখনো কখনো কয়েক সেন্টিমিটারের একটি পোকাকেও দেখে মনে হয়—তার শরীরে যেন কয়েকগুণ বড় কোনো শিকারির শক্তি লুকিয়ে আছে।

তবে একটি সতর্কতা: ছবিটি দেখে ম্যান্টিস সত্যিই সাপটিকে হত্যা করছে বা খেয়ে ফেলছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক হবে না। ছবির মুহূর্তটি হয়তো আত্মরক্ষা, আকস্মিক সংঘর্ষ, শিকার ধরার চেষ্টা, কিংবা অন্য কোনো আচরণের অংশ হতে পারে।

শেখার বিষয় :

১. ছোট বলে কাউকে দুর্বল ভাবা উচিত নয়
মানুষের ক্ষেত্রেও একই কথা—কারও সম্পদ, পদ বা শারীরিক শক্তি কম হতে পারে; কিন্তু তার জ্ঞান, দক্ষতা, সাহস ও বুদ্ধি অনেক বড় হতে পারে।

২. নিজের শক্তি চিনতে হবে
ম্যান্টিস নিজের শরীরের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র ব্যবহার করে। মানুষেরও নিজের যোগ্যতা ও প্রতিভা খুঁজে বের করে সেটাকে কাজে লাগানো উচিত।

৩. শুধু শক্তি নয়, কৌশলও গুরুত্বপূর্ণ
জীবনে অনেক সময় শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে শুধু শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করা যায় না। বুদ্ধি, ধৈর্য, সময়জ্ঞান ও কৌশল প্রয়োজন।

৪. চেহারা দেখে মানুষকে বিচার করা উচিত নয়
বাহ্যিক আকার বা অবস্থান দেখে কারও ক্ষমতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভুল। ছোট একটি মানুষও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

৫. কঠিন পরিস্থিতিতে হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না
ছবির লড়াইটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকার জন্য সাহস ও আত্মবিশ্বাস দরকার।

৬. নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝেও এগোতে হবে
আবার এই ছবির আরেকটি শিক্ষা হলো—সাহস থাকা ভালো, কিন্তু বাস্তবতা না বুঝে ঝুঁকি নেওয়া ঠিক নয়। মানুষকে নিজের শক্তি যেমন জানতে হবে, তেমনি প্রতিপক্ষের শক্তিও বুঝতে হবে।

“একটি ছোট্ট ম্যান্টিস আর একটি বড় সাপের এই দৃশ্য মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—জীবনে বড় হতে হলে সবসময় বড় শরীর, বড় সম্পদ কিংবা বড় পদ প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন নিজের শক্তিকে চেনা, সঠিক সময়ে সেটিকে কাজে লাগানো এবং প্রতিকূলতার সামনে ভেঙে না পড়া। কারণ অনেক সময় আকারে ছোট মানুষই সাহস, মেধা ও কৌশলে বড় বাধাকে অতিক্রম করে যায়। তবে সাহসের সঙ্গে বুদ্ধি ও বাস্তববোধও থাকতে হয়—কারণ জীবনের প্রতিটি লড়াই শুধু শক্তির নয়, সঠিক সিদ্ধান্তেরও।”

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

সাপের সঙ্গে ম্যান্টিসের লড়াই: ছোট শরীরে এত শক্তি কোথা থেকে ?

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

সাপের সঙ্গে ম্যান্টিসের লড়াই: ছোট শরীরে এত শক্তি কোথা থেকে ?

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

সাপের সঙ্গে ম্যান্টিসের লড়াই: ছোট শরীরে এত শক্তি কোথা থেকে ?

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

×