| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটস-এর বাস্তবায়নাধীন “এক্সেস টু অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই দ্য মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন সিএইচটি ইন বাংলাদেশ” প্রকল্পের উপকারভোগী ও স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় উপজেলা কনফারেন্স কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রামাচরণ মার্মা (রাসেল)-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ওমর ফারুক। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর রবীন চন্দ্র চাকমা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা (রায় বাবু), মহিলা মেম্বার কবিতা চাকমা, মনিলতা তঞ্চঙ্গ্যা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া, ওয়ার্ড মেম্বার সুবানন্দ তঞ্চঙ্গ্যা, যতীন তঞ্চঙ্গ্যা, দয়ারঞ্জন চাকমা, থুই প্রু কার্বারী, প্রাণিসম্পদ অফিসের শান্তি চাকমা, পাবলিক হেলথের বসন্ত চাকমা, আশিকা সংস্থার সুজন তঞ্চঙ্গ্যাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের অর্থায়নে তিন পার্বত্য জেলায় সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (WASH) কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের কম বয়সী ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা এবং সামগ্রিক কল্যাণের উন্নয়ন করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের তীব্র অপুষ্টি প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি SAM ও MAM আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই জীবিকা শক্তিশালী করা এবং লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানীয় জল ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করা। মূলত জীবিকা উন্নয়ন ও হাইজিন প্রমোশনের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের MUAC ও Z-score পরিমাপের মাধ্যমে মাঝারি ও তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিলাইছড়ি উপজেলায় ২৯ জন মাঝারি অপুষ্টিতে আক্রান্ত এবং ৩ জন তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশু শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ১২টি অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশু পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে IGA সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

×