পাহাড়ের জীবন ও প্রকৃতি বিলাইছড়ির পাহাড়-ছড়া পেরিয়ে বালুখালী ফেরার পথে: মেঘ-বৃষ্টির ক্যানভাসে সাতরঙা রংধনু
এইচডিআরসি-র মাঠপর্যায়ের কাজ, অঝোর বৃষ্টি ও মেঘের গর্জনের ক্লান্তি মুছে দিল পাহাড়ের বুক চিরে ওঠা রংধনু
বিশেষ প্রতিনিধি, রাঙামাটি :
পার্বত্য রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার উঁচু-নিচু পাহাড়, আঁকাবাঁকা ছড়া আর ঘন বনজঙ্গল পার হয়ে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের কাজ মোটেও সহজ নয়। হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (HDRC)-এর ‘PRLC প্রজেক্ট’-এর শেষ ধাপের মূল্যায়নে (Endline Evaluation) এনিউমারেটর হিসেবে বিলাইছড়ির দুর্গম এলাকা ঘুরে তথ্য সংগ্রহের কঠিন দায়িত্ব পালন করছিলেন ছন্দ সেন চাকমা।
কখনো প্রখর রোদ, কখনো মেঘের তীব্র গর্জন আর অঝোর ধারায় বৃষ্টি—প্রকৃতির এই রূপবদলের মধ্য দিয়েই পথ চলতে হচ্ছিল। পাহাড়ি ট্রেইল ধরে আঁকাবাঁকা পথ পাড়ি দিয়ে বিলাইছড়ির কাজ শেষ করে যখন তিনি রাঙামাটি সদরের ৬ নং বালুখালী ইউনিয়নের দিকে ফিরছিলেন, তখনো শরীরে অক্লান্ত পরিশ্রমের ছাপ।
”কখনো মেঘের গর্জন, কখনো বৃষ্টির ঝাপটা, আবার পরক্ষণেই সোনাঝরা রোদ—পাহাড়ের এই মেঘ-রোদ্দুরের খেলাই সমস্ত শ্রান্তি এক মুহূর্তে ভুলিয়ে দেয়।”
ঠিক তখনই যেন প্রকৃতির এক জাদুকরী উপহার ভেসে উঠল আকাশে। মেঘ কেটে গিয়ে হঠাৎ রোদ উঠতেই পুরো সবুজ বনের ব্যাকড্রপে আর্চ তৈরি করে জ্বলে উঠল সাতরঙা এক বিশাল রামধনু। বুনো পাহাড়, ছড়া আর মেঘলা আকাশের ক্যানভাসে রামধনুর এই দৃশ্য দেখে মুহূর্তের মধ্যেই দূর হয়ে গেল দীর্ঘ পথচলার সমস্ত ক্লান্তি। একজন মাঠকর্মী ও নিবেদিতপ্রাণ ফটোগ্রাফার হিসেবে সেই বিরল ও অপূর্ব মায়াবী মুহূর্তটিকে ক্যামেরাবন্দি করতে ভুল করেননি তিনি।

কাপ্তাই কেপিএম সিবিএ নির্বাচনে টানা পঞ্চম জয় পেল শ্রমিক-কর্মচারী পরিষদ


