| ১১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৈত্রী বিহারে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৈত্রী বিহারে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

 

মিকেল চাকমা, রাঙ্গামাটিঃ

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দানোৎসব ২০২৫ জাতীয়ভাবে উদযাপনের লক্ষ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৪:০০টায় রাঙ্গামাটি শহরে ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মৈত্রী বিহারে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সংঘারাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ সভা শ্রদ্ধালংকার মহাথের, ভবুদ্ধ দত্ত মহাথের, মৈত্রী বিহারের অধ্যক্ষ পূর্ণজ্যোতি মহাথের ও শীলানন্দ মহাথের উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ট্রাস্টের সহসভাপতি ভবেশ চাকমা ও ট্রাস্টি মংহ্লা চিং।

বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অধ্যাপক বাঞ্ছিতা চাকমা, বিজয় কেতন চাকমা, বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী রনজিত দেওয়ান, সাবেক যুগ্ম জেলা জজ ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল দেওয়ান, রাবিপ্রবি-র কম্পিউটার সায়েন্স-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও পিবিএল সভাপতি রনজ্যোতি চাকমা, মৈত্রী বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি পূণেন্দু বিকাশ চাকমা, ডা: পরশ খীসা, সাবেক পৌর কাউন্সিলর কালায়ন চাকমা ও অ্যাড. সুস্মিতা চাকমাসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি ভবেশ চাকমা জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎস উদযাপন প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। এই ট্রাস্ট বাংলাদেশের বৌদ্ধদের বিষয়াবলি সরকারের কাছে তুলে ধরে। কেবল ধর্মীয় দিক থেকে নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও প্রবারণা ও কঠিন চীবরদান বৌদ্ধদের অন্যতম জাতীয় উৎসব। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের তরফ থেকে প্রবারণা উপলক্ষ্যে ১ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণার জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। একই সাথে বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ দেশের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ, সম্প্রীতি ও একাত্মতাবোধ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চলতি বছর থেকে জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব রাঙ্গামাটিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২

জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৈত্রী বিহারে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় এক গৃহবধূকে (২১) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শনিবার (১০ই অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ওই গৃহবধূ গোবিন্দগঞ্জ বোনের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি সাঘাটায় ফিরছিলেন। পথে বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে পৌঁছালে পূর্ব পরিচিত দুই যুবক তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ভ্যানে তুলে নেয়।

অভিযোগে বলা হয়, পরে তাকে খলিল হাজীর পরিত্যক্ত ইটভাটায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটকরা হলেন- হেলেঞ্চা গ্রামের সৈকত (২৮) ও উল্যাসোনাতলা গ্রামের মুস্তাকিম (২০)। বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে তাদের ও ভিকটিমকে সাঘাটা থানায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা নং- ৬ রুজু করা হয়েছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা বলেন, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আটক দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

হালদা প্রকল্পের আওতায় কাপ্তাইয়ে মৎস্যচাষি ও মৎস্যজীবীদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৈত্রী বিহারে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং মৎস্যজীবীদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী ও অন্যান্য সুফলভোগীদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কাপ্তাই বিআরডিবি হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের আওতাধীন ‘হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়)’-এর অধীনে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে কাপ্তাই উপজেলার কর্ণফুলী নদী এলাকার নির্বাচিত ২৫ জন মৎস্যজীবী অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

কাপ্তাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন কাপ্তাইয়ের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এরশাদ বিন শহীদ এবং রাঙামাটি সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. টিপু সুলতান। প্রশিক্ষণে হালদা ও তৎসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর পরিবেশগত গুরুত্ব, প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, নিরাপদ ও সঠিক পদ্ধতিতে মাছের পোনা পরিবহন, আধুনিক নার্সারি ব্যবস্থাপনা, টেকসই মৎস্যচাষ কৌশল এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে ও বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হালদা ও কর্ণফুলী নদীর প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের দক্ষতা বাড়ানো এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব মাছ চাষ এবং মৎস্যজীবীদের জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রত্যাশা করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীকেন্দ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশিক্ষণ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র রক্ষা এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

৯ মাসে ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা; শিক্ষা, উদ্ধার ও সম্প্রীতি উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ

জাতীয় কঠিন চীবর দানোৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৈত্রী বিহারে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান ও অপরাধ দমন, অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)। নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা সহায়তা, খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণ, পর্যটকদের উদ্ধার এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে ব্যাটালিয়নটি।

রোববার (১১ অক্টোবর) ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক ও জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস। এ সময় ব্যাটালিয়নের অন্যান্য কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবি নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি জোরদারেও বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অভিযান ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে তৎপরতা বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসের বেশি সময়ে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ দমন, অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

গত ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল রেমাক্রী এলাকায় বৈসাবি ও সাংগ্রাই উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ২০ মে আরাকানে যোগদানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা এবং অপহরণকারী চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই পাহাড়ি যুবককে আটকের তথ্যও ব্রিফিংয়ে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ২২ মে অপহৃত মো. আমু হোসেনকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্তিপণের তিন লাখ টাকা এবং অপহরণে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। ২৪ মে থানচিতে এক ত্রিপুরা ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে বিজিবি। ৮ জুন একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন ১৩ জনকে আটক এবং ১০ জুন দুই আসামিসহ ১৯টি গ্রেনেড ও ৩৬ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দের তথ্যও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

পরবর্তী সময়ে ছিনতাই হওয়া গাড়ি উদ্ধার, মিয়ানমারের নাগরিকদের আটক, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনার কথাও তুলে ধরা হয়। চাঁদাবাজি প্রতিরোধে নজরদারি পাহাড়ি অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা প্রতিরোধে নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। কর্তৃপক্ষের উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে থানচি উপজেলায় বিভিন্ন উৎস থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রায় ২৭ কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে প্রায় ১৬ কোটি ৯১ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়। নিরাপত্তা অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারির ফলে চাঁদা আদায়ের পরিমাণ কমেছে বলে উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দুর্গম পাহাড়ে পর্যটক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিপদে পড়া পর্যটক ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলিপাড়া ৩৮ ব্যাটালিয়ন।

গত ৪ জুলাই আমিয়াখুম ভ্রমণে গিয়ে প্রতিকূল আবহাওয়ায় আটকা পড়া ৪৪ জন পর্যটককে উদ্ধার করে নিরাপদে থানচি সদরে পৌঁছে দেওয়া হয়। একইভাবে ২৪ জুলাই বড়পাথর এলাকায় সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় পর্যটক, মাঝি ও গাইডসহ ৩৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। এ ছাড়া ১৬ সেপ্টেম্বর আমুনামুখ এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে আসা পর্যটকদের একটি দল থানচিতে ভ্রমণে গেলে একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিজিবি সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

সর্বশেষ ৫ অক্টোবর ডিম পাহাড় থেকে তিন্দু মুখ যাওয়ার পথে পর্যটকবাহী একটি চাঁদের গাড়ি খাদে পড়ে দুইজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় বিজিবি সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্পে ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা
দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সময়ে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করেছে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে ৬৩৫ জন অসহায় ও দুস্থ রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জটিল রোগে আক্রান্ত ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং অসহায় রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করাকে ব্যাটালিয়নের মানবিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

শিক্ষা সহায়তা ও শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছ

×