| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

তবলার বোলে নারীদের জয়গান: কাপ্তাইয়ে বিটিভি’র নান্দনিক অনুষ্ঠান ধারণ, বদলে যাচ্ছে চেনা গল্প

তবলার বোলে নারীদের জয়গান: কাপ্তাইয়ে বিটিভি’র নান্দনিক অনুষ্ঠান ধারণ, বদলে যাচ্ছে চেনা গল্প

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​পাহাড়, নদী আর সবুজের মিতালী ঘেরা কাপ্তাইয়ের নিসর্গ পড হাউস তখন মুখরিত তবলার গুরুগম্ভীর অথচ সুমধুর বোলে। একসময় যে বাদ্যযন্ত্রের ওপর কেবল পুরুষদের একছত্র অধিকার ভাবা হতো, সেই চেনা ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তবলার চামড়ায় ঝড় তুললেন ৬ জন অদম্য নারী।

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের বিশেষ উদ্যোগে, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে ধারণ করা হলো এক অনন্য ও নান্দনিক সংগীতানুষ্ঠান, যা কাপ্তাইয়ের বুকে এক নতুন ইতিহাস রচনা করলো। ​বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ঈমাম হোসাইনের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং প্রযোজক মো. ইয়াদ আহমেদের সুনিপুণ প্রযোজনায় এই নান্দনিক ও মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানটির শুটিং সম্পন্ন হয়। ​

এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল কাপ্তাইয়ের স্থানীয় “সুরের ধারা” সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক ও বিশিষ্ট তবলা শিল্পী অর্ণব মল্লিকের হাত ধরে গড়ে ওঠা একঝাঁক তরুণী। তাঁরই নিবিড় প্রশিক্ষণে “সরগম সঙ্গীত একাডেমির ছয়জন প্রতিভাবান ছাত্রী—অর্পিতা বণিক, কৃপা দাশ, সমৃদ্ধি ধর, মৃত্তিকা দে, হিরণ বড়ুয়া এবং অদিতি মনি অর্চি—তাদের চমৎকার যুগলবন্দী পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটিকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। প্রকৃতির আবহে তবলার লহরী যেন এক মায়াবী পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল।​ঐতিহ্যগতভাবে আমাদের সমাজে ভাবা হতো—তবলা শুধু পুরুষদেরই বাদ্যযন্ত্র। কিন্তু যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে নারীরাও যে এই কঠিন বিদ্যায় পারদর্শী হতে পারে, তা প্রমাণ করলেন এই ছয় কন্যা।

অনুষ্ঠান শেষে নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে শিল্পীরা বলেন, ​”তবলা বাজানো আমাদের জন্য শুধু কোনো পারফরম্যান্স নয়, এটি আমাদের স্বপ্ন এবং আত্মবিশ্বাসের লড়াই। একসময় অনেকেই ভাবতেন মেয়েরা তবলা বাজাতে পারবে না। কিন্তু আজ বিটিভি’র মতো এত বড় একটি মাধ্যমে পারফর্ম করতে পেরে আমাদের দীর্ঘদিনের সাধনা সার্থক মনে হচ্ছে। এই সুযোগ আমাদের ভেতরের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দেখে পাহাড়ের আরও অনেক মেয়ে এই শিল্পে এগিয়ে আসতে সাহস পাবে।”

​প্রশিক্ষক অর্ণব মল্লিক তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “একসময় সকলের ধারণা ছিল তবলা শুধু পুরুষরাই শিখবে বা বাজাবে। কিন্তু কাপ্তাইয়ের এই মেয়েরা প্রমাণ করেছে, সুযোগ আর সঠিক নির্দেশনা পেলে নারীরাও যেকোনো কঠিন শিল্পকে জয় করতে পারে। নারীদের তবলা শিক্ষায় আগ্রহী ও উৎসাহিত করতে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের এই চমৎকার উদ্যোগ সমগ্র দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।” ​

পাহাড়ি জনপদে নারীদের এই সংগীত সাধনা এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাদের এই অনন্য স্বীকৃতি কেবল কাপ্তাই নয়, পুরো দেশের সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে এক গভীর আবেগ ও অনুপ্রেরণার জন্ম দিয়েছে। তবলার প্রতিটি বোলে যেন ধ্বনিত হচ্ছিল—নারীরা আর পিছিয়ে নেই, তারা ভাঙছে পুরোনো দেয়াল, গড়ছে নতুন ইতিহাস।

Hacked by CoupDeGrace

তবলার বোলে নারীদের জয়গান: কাপ্তাইয়ে বিটিভি’র নান্দনিক অনুষ্ঠান ধারণ, বদলে যাচ্ছে চেনা গল্প

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

তবলার বোলে নারীদের জয়গান: কাপ্তাইয়ে বিটিভি’র নান্দনিক অনুষ্ঠান ধারণ, বদলে যাচ্ছে চেনা গল্প

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

তবলার বোলে নারীদের জয়গান: কাপ্তাইয়ে বিটিভি’র নান্দনিক অনুষ্ঠান ধারণ, বদলে যাচ্ছে চেনা গল্প

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×