| ৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ৬ষ্ঠ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাতকস কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মিলন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যা, মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা, যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিত তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, গঠনতন্ত্র সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক সত্য বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা ও অর্থ সম্পাদক অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা।


এছাড়াও সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির (বিভিন্ন পদে দায়িত্ব) স্বপন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, সুরেশ তঞ্চঙ্গ্যা, ডা. জয়ধন তঞ্চঙ্গ্যা, সুজন তঞ্চঙ্গ্যা, আনন্দ লাল তঞ্চঙ্গ্যা, অপূর্ব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, চন্দ্র সেন তঞ্চঙ্গ্যা, গোপাল তঞ্চঙ্গ্যা, অজিত তঞ্চঙ্গ্যা, সুরেশ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, চিরণজিত তঞ্চঙ্গ্যা, পদ্মকুমার তঞ্চঙ্গ্যা, সুজর্জ তঞ্চঙ্গ্যা, কমল ময় তঞ্চঙ্গ্যা, দীপিকা রানী তঞ্চঙ্গ্যা, রত্না তঞ্চঙ্গ্যা, সুচন্দা প্রভা তঞ্চঙ্গ্যাসহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিগত সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি, সংস্থার গঠনতন্ত্র, সাংগঠনিক কার্যক্রমের অগ্রগতি, মেয়াদোত্তীর্ণ ১২টি আঞ্চলিক কমিটি পুনর্গঠন এবং বিবিধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে দুই শতাধিক পাহাড়ি ও বাঙালি মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার ৪ অক্টোবর সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৪নং রুপাকারি ইউনিয়নের রুপালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২৬৪ জন পাহাড়ি বাঙ্গালিদের মাঝে বিনামুল্যে চিকিৎসাসেবাও প্রয়োজনীয় ঔষুধ প্রদান করেন। বাঘাইহাট জোনের রেজিমেন্টাল মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন মো: হাবিবুল্লাহ হাবিব।

এছাড়াও বাঘাইহাট জোনের আওতাধীন ভুয়াছড়ি, মাচালং ,১৪ কিলো, গঙ্গারাম, ক্ষেত্রপুরসহ কয়েকটি স্থানে পৃথক পৃথক ভাবে ঔষুধ বিতরন করা হয়।

এসময় ক্যাপ্টেন মো: হাবিবুল্লাহ হাবিব বলেন,
পাহাড়ি অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে প্রয়োজন অনুযায়ী তারা ভবিষ্যতেও পাশে থাকার কথা জানান।

​শরতের কেংড়াছড়ি : মাঠপর্যায়ের কাজের ফাঁকে শুভ্র কাশের মেলা

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

ছন্দ সেন চাকমা :

​শরতের নীল আকাশ আর শান্ত জলের বুকে ডানা মেলেছে শুভ্র কাশফুল। পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ পাহাড় আর জলাভূমির মায়াবী টানে প্রকৃতিপ্রেমীরা যেখানে বারবার ছুটে যান, তেমনই এক অনবদ্য সৌন্দর্যের ক্যানভাস এখন রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি (কেরংছড়ি) ইউনিয়ন।

​হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (HDRC)-এর পরিচালনাধীন ‘PRLC প্রজেক্ট’-এর শেষ ধাপের মূল্যায়নে (Endline Evaluation of PRLC Project) এনিউমারেটর হিসেবে বিলাইছড়ির দুর্গম এলাকায় তথ্য সংগ্রহের কাজে দায়িত্ব পালন করছেন ছন্দ সেন চাকমা। মাঠপর্যায়ের এই কঠিন ও দায়িত্বশীল কাজের ফাঁকেই তিনি সাক্ষী হলেন শরতের এক অপরূপ সৌন্দর্যের।
​কাজের ক্লান্তি মেটায় শুভ্রতার স্পর্শ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ আর দুর্গম ছড়া পার হয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ মোটেও সহজ নয়। তবে কেংড়াছড়ির ছড়ার ধার ঘেঁষে হেঁটে যাওয়ার সময় চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য যেন নিমেষেই সব ক্লান্তি দূর করে দেয়। ছড়ার শান্ত জলে আকাশের নীল আর কূলে ফুটে থাকা দুধসাদা কাশফুলের দোলা এক অপূর্ব পরিবেশের সৃষ্টি করে।

​গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজের পাশাপাশি প্রকৃতিকে এমন নিবিড়ভাবে প্রত্যক্ষ করা এবং ক্যামেরাবন্দি করা ছন্দ সেন চাকমার মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ মাঠকর্মীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও প্রেরণার বিষয়।

​পাহাড়, জল আর শুভ্রতার মেলবন্ধন শরতের এই সময়ে পাহাড়ের রূপ বদলে যায় একদম অন্যরকমভাবে। কেংড়াছড়ির চারপাশের সবুজ পাহাড় আর স্বচ্ছ জলাধারের তীরে সাদা কাশফুলের সমারোহ রূপকথার দৃশ্যের মতো মনে হয়। জলাধারের শান্ত জলে যখন কাশফুলের সাদা নদীর মতো ছায়া পড়ে, তখন মনে হয় পাহাড় আর জল যেন শুভ্রতাকে নিজেদের আয়নায় বন্দি করে রেখেছে।

​নৌকায় করে শান্ত জলাধারের ওপর দিয়ে ধীরগতিতে যাওয়ার সময় দু’পাশের ঘন সবুজ গাছপালা আর কূল ঘেঁষে ফুটে থাকা কাশবনের সৌন্দর্য দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।

​কঠিন মেহনতের মাঝে স্নিগ্ধ প্রশান্তি এইচডিআরসি (HDRC)-র গবেষক ও এনিউমারেটরদের নিষ্ঠাপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়েই দুর্গম পাহাড়ি এলাকার প্রান্তিক মানুষ ও তাদের জীবনের সঠিক চিত্র উঠে আসে। ছন্দ সেন চাকমার এই সরেজমিন অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীল কাজ যেমন গবেষণা প্রকল্পের সফলতা আনবে, তেমনি প্রকৃতির এই রূপময় মুহূর্তগুলো পাহাড়ি জনপদের সৌন্দর্যকে এক নতুন আলোয় তুলে ধরেছে।

দীঘিনালায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত,; ৩ গোলে এগিয়ে তারাবুনিয়া একাদশ

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শনিবার ৩ অক্টোবর দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে মুখোমুখি হয় বাঘাইহাট বামে বাইবাছড়া একাদশ বনাম দীঘিনালা তারা বনিয়া একাদশ।

খেলায় উপস্থিত ছিলেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সহসাধারন সম্পাদক সুকেশ চাকমা, যুব সমিটির দীঘিনালা থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রহেল চাকমাসহ এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্তিত ছিলেন।

খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়ানো ম্যাচে শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে।

খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক দর্শক। তাদের করতালি ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় পুরো মাঠ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

খেলায় বাঘাইহাট বামে বাইবাছড়া একাদশকে ৩/১ গোলে হারিয়ে জয় লাভ করে দীঘিনালা তারা বনিয়া একাদশ।

×