শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৭ পিএম
15 বার পড়া হয়েছে
কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

রাঙ্গামাটিতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ বিতরণ

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

“কৃষক কার্ড থাকলে হাতে সেবা পাবেন সাথে সাথে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের কৃষিখাতকে আধুনিকীকরণ ও প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ফেনীতে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কেন্দ্রীয় এই উদ্বোধনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে রাঙ্গামাটিতেও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয় এ কর্মসূচি।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন ঘোষণার সাথে সাথেই রাঙ্গামাটি প্রান্তে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মোবাইল ফোনে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে যায়। মধ্যস্বত্বভোগীদের কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে মোবাইলে সহায়তার বার্তা পেয়ে উপস্থিত কৃষকরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান বলেন, “কৃষকরাই আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বর্তমান সরকার কৃষকের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। এই ‘কৃষক কার্ড’ এমন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক সরাসরি তার ন্যায্য অধিকার ও সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন। আজ পাহাড়ি ও বাঙালি কৃষকরা যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই সহায়তা গ্রহণ করছেন, এই সম্প্রীতি ও কৃষির ঐক্যবদ্ধ উন্নয়নই আমাদের আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।”

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, বর্তমান বিএনপি সরকার শতভাগ কৃষিবান্ধব এবং প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আজ যে সরাসরি আর্থিক ও উপকরণ সহায়তা আপনাদের হাতে পৌঁছাচ্ছে, তা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং আপনাদের মুখের হাসি ফোটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। আমাদের এই পাহাড়ে কৃষির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, পাহাড়ী ও বাঙ্গালী কৃষকরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আধুনিক সুবিধার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়ের অর্থনীতি তথা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুজ্জামান, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি অলোকপ্রিয় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন বাবলুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বিলাইছড়িতে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৯ পিএম
কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটির বিলাইছড়িতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা কনফারেন্স রুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২৯৯ নম্বর রাঙামাটি আসনের এমপির প্রতিনিধি ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক।

সভায় প্রধান অতিথি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা ও থানা এসআই তৌকির আহমেদ।

সভা সঞ্চালনা করেন শিক্ষক জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, উপজেলা পরিষদের সত্য কিশোর চাকমা, সুজিত চাকমাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

বাঙ্গালহালিয়া ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা মেম্বার পদে প্রার্থী থুইমাচিং মারমা ; নারী নেতৃত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ পিএম
কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে মহিলা মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন থুইমাচিং মারমা। তিনি বর্তমানে স্থানীয় মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাঙ্গালহালিয়া বাজারের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা থুইমাচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান। বিশেষ করে এলাকার নারী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা কাছ থেকে দেখে আসছেন উল্লেখ করে তিনি এবার সংরক্ষিত নারী আসনে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

থুইমাচিং মারমা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে আছি। মানুষের সুখ-দুঃখ ও বিভিন্ন সমস্যার কথা কাছ থেকে শুনেছি। বিশেষ করে নারীদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো আমাকে ভাবায়। মানুষের জন্য আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করছি।” তিনি বলেন, “জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারী-পুরুষ সবার কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনতে চাই। এলাকার রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধার যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরে সমাধানের জন্য কাজ করব।”

নারীদের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা, তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার বিষয়ে কাজ করতে চাই। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করারও চেষ্টা থাকবে।”

থুইমাচিং মারমা আরও বলেন, “আমি মনে করি জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো ব্যক্তিগত পদ বা মর্যাদার বিষয় নয়; এটি মানুষের প্রতি দায়িত্ব। নির্বাচিত হলে এলাকার প্রতিটি মানুষের কথা শোনার চেষ্টা করব। দল-মত বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, সবার জন্য সমানভাবে কাজ করতে চাই।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংরক্ষিত নারী আসনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার নারীদের বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সামাজিক উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো জানার পাশাপাশি নির্বাচিত হলে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন থুইমাচিং মারমা।

বাঘাইছড়িতে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

 

আনোয়ার হোসেন,

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ, ক্রেস্ট, পুরস্কার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজের অডিটোরিয়ামে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদের বাঘাইছড়ি শাখার উদ্যোগে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদ, বাঘাইছড়ি শাখার উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বিল্টু চাকমা। শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা বাঘাইছড়ি শাখার সমন্বয়ক মো. আব্দুল জলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কামাল হোসেন মীর। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কাচালং দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ওমর ফারুক, কাচালং গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দীন এবং কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক হুসাইন আহমেদ সাজু। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে বই পড়া ও নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের সৎ, মানবিক ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তারা আরও বলেন, সাফল্যই জীবনের শেষ কথা নয়; বরং এটি নতুন পথচলার সূচনা। ব্যর্থতাকে হতাশার কারণ না করে তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ধৈর্য, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে গেলে জীবনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, ক্রেস্ট, পুরস্কার ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

×