| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত

 

চাইথোয়াইমং মারমা :

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় বৌদ্ধ ধর্মের আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত হয়েছে। ২৯ জুলাই হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে আষাঢ়ী পূর্ণিমা উদযাপনের বিহার গুরু ভান্তে পূজনীয় মহাথেরো উ: ঞানাওয়াইসা ভিক্ষু বুদ্ধ পূঁজা, প্রদীপ পূজা, ফলমূল দান, পিন্ডদান, চীবর দান গৌতম বুদ্ধের কাছে প্রার্থণা মধ্যে দিয়ে আষাঢ়ী পূণিমা শুরু করেন।

এসময় প্রধান দায়ক উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা, প্রধান শিক্ষক দায়ক আখ্যাইমং মারমা, বিহার পরিচালনা কমিটি সাধারণ সম্পাদক মংসাথোয়াই মারমা, সভাপতি ভারপ্রাপ্ত ক্যচিং মারমা, সাবেক চেয়ারম্যান দায়ক ঞোমং মারমা, সাবেক সম্পাদক উচিংমং চৌধুরী, সাবেক প্রধান শিক্ষক দায়ক প্রবীন মংহলাঅংমাষ্টার, সাংবাদিক দায়ক চাইথোয়াইমং মারমা, ইউনিসেফ প্রকল্প ব্যবস্থাপক দায়ক থুইসাচিং মারমা, চেয়ারম্যান সহধর্মিণী দায়িকা ক্রানুবাই মারমা, দায়িকা উষাবাই মারমা, দায়িকা উমাচিং মারমাসহ বিভিন্ন পাড়া হতে দায়ক-দায়িকা অস্টশীল মহিলা উপাসিকা উপাসিকা বৌদ্ধ ধর্মপ্রাণ তরুন তরুনী অংশগ্রহণ করেন।

সারাদেশব্যপী বৌদ্ধ ধর্মের লম্বীরা এক সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মেরলম্বীদের প্রত্যেক বিহারে এক সাথে আষাঢ়ী পূর্ণিমা হয়। এদিকে রাজস্থলী উপজেলা বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে ক্যাং আষাঢ়ী পূর্ণিমা নানা আয়োজন করতে দেখা গেছে। এ আষাঢ়ী পূর্ণিমা প্রতিবছরে ন্যায় বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা বুদ্ধ মুর্তি স্নান, প্রদীপ পূজা, ফলমূল দান, টাকা-পয়সা দান, চীবর দান, পিন্ডসহ নানা আয়োজনের করে গৌতম বুদ্ধেন নিকট দান করা হয়। আড়াই হাজার বছর আগে থেকে এ আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য, আষাঢ়ী পূর্ণিমা দিনে ভোর হতে দায়ক দায়িকারা বুদ্ধের পিন্ডদান ছোয়াইং বিভিন্ন শাকসবজি মাছ মাংসসহ নানাবিধ নিজ বাড়িতে রান্না করে তৈরি করে বিহারে নতুন পোষাক থামী পড়ে মারমা জনগোষ্ঠীরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা গৌতম বুদ্ধের কাছে ছোয়াইং দান, পানি দান মিষ্টি জাতীয়  পূর্ণ্যদান করে থাকে। দুপুরে পাড়া হতে দায়ক দায়িকারা সকলে আনন্দ মূখরিত পরিবেশে আহার ভোজন করে দেখা যায়।

প্রথমে সাড়ে ১১টার দিকে বিহার অধ্যক্ষ সহ দায়ক দায়িকারা সকলে ছোয়াইং পিন্ড দান করেন এরপর ছোট শ্রমণগণ ও সাদা পোষাক পরিধান সন্ন্যাসী উপাসক উপাসিকাগণরা আহার ভোজন করে থাকে। এ সাদা পোষাক পরিধান দাযক-দায়িকারা অষ্টশীল প্রতিনিয়ত পালন করেন।

বিকাল ৪ টায় ছোট বড় শিশুসহ দায়ক-দায়িকারা বিহারে সমবেত উপস্থিত হন গৌতম বুদ্ধের কাছে প্রার্থণা করেন। বিহার অধ্যক্ষ সকল উপাসক-উপাসিকাদের উদ্দেশ্য ধর্ম দেশনা প্রদান করে জগতে রসকল প্রাণী সুখী সমৃদ্ধির বয়ে আনুক বিশ্বের ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল জাতির শান্তি কামনায় গৌতম বুদ্ধের কাছে প্রার্থনা করা হয়।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

বাঙ্গালহালিয়াতে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজা সম্পন্ন

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদায় আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার সনাতন সম্প্রদায়ের বাঙ্গালহালিয়া সনাতনী ব্যবসায়ীবৃন্দের উদ্যোগে শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকালে সংগীত অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় আরতির ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিবছরের মতো এই বছর ১ই ভাদ্র -১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পূজার দিনে ভক্তরা বিশ্বকর্মা দেবের কৃপা লাভ করার আশায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মধ্যে দিয়ে পূজাটি সম্পন্ন হয়।

পুরাতন মতে তিনি হলেন কারিগরি দেবতা অষ্টম বসু প্রভাস হলেন তাঁর পিতা ও মাতা হলেন বৃহস্পতির ভাগিণী, বরবণিনী।আবার ব্রক্ষবৈবত্ত পুরাণে বর্ণিত তাঁর জম্ম ব্রহ্মার নাভি থেকে। পুরানে কাহিনীতে উল্লেখ করা আছে- তাঁর সৃষ্টি কার্যের কথা পুরাণের লেখা আছে- শ্রীকৃষ্ণের রাজ্য দ্বারক নির্মান করেছেন বিশ্বকর্মা।

মহাভারতে ও ওনার কথা বিভিন্ন জায়গাতে উল্লেখ আছে।বিশ্বকর্মা পূজায় বিশিষ্ট গীতা পাঠক ও ধর্মীয় আলোচক উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রমের শ্রীমৎ স্বামী গোবিন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য, বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সদস্য সদস্যাবৃন্দ, বাঙ্গালহালিয়া সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজার প্রধান উপদেষ্টা শিমুল দাশ, বাদল দাশ, হারাধন কান্তি দাশ, প্রিয়লাল দত্ত, দুলাল দে, অমূল্যে মহাজন, বিশ্বকমা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী টিংকু ধর, সহ-সভাপতি অর্জুন কর্মকার, উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইমন নন্দি, সহ-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল দাশ, অর্থ সম্পাদক রাহুল দাশ, সহ-অর্থ সম্পাদক হৃদয় কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পু দত্ত, পলাশ দাশ, ইমু দাশ, নিদু দাশ, নিটু সাহা, সৌরভ মল্লিক, সুব্রত দে, অপু দেবনাথ, অভি দে, অজয় কর্মকার, চিরঞ্জিত দত্ত সহ সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাঙ্গালহালিয়া পুলিশ ক্যাম্প সার্বক্ষণিক দায়িত্ব ছিলেন ।

পূজা উদযাপন কমিটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং নিষ্ঠার সাথে এই আয়োজন সম্পন্ন করেছে। উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তে ছিল আনন্দ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং ধর্মীয় অনুভূতি। এই আয়োজন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ঐক্য এবং উৎসবের প্রতি আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পূজা উদ্যাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই উৎসবের সম্পন্ন করা হয়েছে।

আজ ১৯ শে সেপ্টেম্বর বিকালে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বলে পূজা কমিটি পক্ষে জানান।

×