| ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

মাদকাসক্তদের পক্ষে আদালতে আইনজীবিদের না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এমপি দীপেন দেওয়ান

মাদকাসক্তদের পক্ষে আদালতে আইনজীবিদের না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এমপি দীপেন দেওয়ান

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আইনজীবীদের আরও কঠোর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

মাদকাসক্তদের পক্ষে আদালতে আইনজীবীরা যাতে না দাঁড়ান, সে আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট)২৬খ্রিঃ সকালে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের আয়োজনে (মাদককে প্রতিরোধ করি, যুব সমাজকে রক্ষা করি) এই প্রতিপাদ্যে’কে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

দীপেন দেওয়ান বলেন, মাদক আমাদের সমাজের একটি মরণব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এই মরণব্যাধি থেকে সমাজকে মুক্ত করতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না,প্রয়োজন সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ।

নিজের পেশাগত পরিচয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি সহকর্মী আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক অবস্থান আরও শক্ত করতে হবে।

মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িতদের পক্ষে আইনজীবীরা দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকলে তাদের ওপর সামাজিক ও আইনগত চাপ আরও বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আইনজীবীরা যদি মাদকাসক্তদের পক্ষে না দাঁড়ান, তাহলে তাদের রাঙ্গামাটি থেকে চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আদালতে আদালতে ঘুরতে হবে। একসময় তারা এই হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে মাদক ব্যবসা কিংবা মাদকের সংশ্রব ত্যাগ করতে বাধ্য হবে।

দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে কোনো মাদক কারবারিকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হলে মাদক নির্মূলের উদ্যোগ ব্যাহত হবে।

তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা সবাই চেষ্টা করলে এবং স্থানীয় জনগণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই রাঙামাটি শহরকে মাদকমুক্ত শহর হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব।

মাদক কারবারিদের সঙ্গে সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে মাদককে প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, আইনজীবী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে না একটি পরিবার, একটি প্রজন্ম এবং পুরো সমাজকে বিপর্যস্ত করে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এখনই কার্যকর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সমাবেশের প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, বিক্রেতা, ডিলার, গডফাদার, অর্থের জোগানদাতা ও মাদকসেবীদের আশ্রয়দাতাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান আরও শক্তিশালী ও জোরালো করা হবে। জিরো টলারেন্স নীতিতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এ ক্ষেত্রে এক চুল পরিমাণও ছাড় দেওয়া হবে না।”

ডিআইজি বলেন, শুধু পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। পুলিশের লোকবলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই মাদক কারবারিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে এবং একই সঙ্গে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্য গাফিলতি করলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান ডিআইজি।

সমাবেশে কমিউনিটি পুলিশ রাঙামাটির সভাপতি, রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বর্জন করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থী, তরুণ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনার পক্ষে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে সকালে শহরের মিনিস্ট্রিয়াল ক্লাব থেকে ‘মাদককে প্রতিরোধ করি, যুব সমাজকে রক্ষা করি’ প্রতিপাদ্যে মাদকবিরোধী বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ।

রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুর রকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নিশাত শারমিন, রাঙ্গামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল একরামুল রাহাত-পিএসসি, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, মো: ‍মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা এবিএম তোফায়েল, রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার এবং মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

মাদকাসক্তদের পক্ষে আদালতে আইনজীবিদের না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এমপি দীপেন দেওয়ান

আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

 

রাজস্থলী  (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে আয়োজিত ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর জমজমাট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ট্রাইবেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে ৭-৬ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে বাঙ্গালহালিয়াসহ রাজস্থলী, কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের আমেজে।

ফাইনালে মুখোমুখি হয় খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ ও রাজস্থলী বাজার একাদশ। নির্ধারিত সময়ে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষের গোলপোস্টে একের পর এক আক্রমণ চালালেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে খেলা গড়ায় ট্রাইবেকারে। সেখানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ৭-৬ গোলে জয় পেয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ।

খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সাচিংমং মারমা ও মিজানুর রহমান প্রিন্সের যৌথ সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ২৯৯ আসনের এমপি প্রতিনিধি দিলদার হোসেন, রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এমপি প্রতিনিধি আবুল হাসেম মেম্বার, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞো মারমা, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু মিয়া, যুবদলের আহ্বায়ক শামীম আহম্মেদ রুবেল, সদস্য সচিব উজ্জ্বল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক জিকু কুমার দে, বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোনায়েদ হোসেন, সাদেক হোসেন ও সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ বলেন, “খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মাঠমুখী করতে এবং এলাকার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে সহায়ক হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দিলদার হোসেন বলেন,
“আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিকে ধরে রেখে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশের জন্য নিয়মিত এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা প্রয়োজন।”

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখা এবং স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

খেলা শেষে অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ ও রানার্সআপ রাজস্থলী বাজার একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন। একই সঙ্গে আয়োজক ও অতিথিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

গোবিন্দগঞ্জে দুইটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক তিন

মাদকাসক্তদের পক্ষে আদালতে আইনজীবিদের না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এমপি দীপেন দেওয়ান

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ভারতে পাচারের প্রস্তুতিকালে দুটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে জয়পুরহাট ২০ ব্যাটালিয়ন বিজিবি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পালিয়ে গেছে আরও ৮-১০ জন।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সাখাহার ইউনিয়নের জিড়াই গ্রামের কোগারিয়া-জিড়াই পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, এনামুল হক (৫০), আলিপ হোসেন (২২) ও সরজিনা আক্তার (৩০)।

এ সময় তাদের ফেলে যাওয়া দুটি মূর্তি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি বিষ্ণু মূর্তি, যার ওজন ১৬ দশমিক ৮৭ কেজি ও মূল্য ১৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

অপরটি কষ্টিপাথর সদৃশ বস্তু, যার ওজন ১১৯ কেজি ও মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

বিজিবির দাবি, মূর্তি দুটি ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ২০ বিজিবির জেসিও-১০৯২৭ মোঃ সেকেন্দার আলী বাদী হয়ে আটক তিনজনসহ পলাতক ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক এজাহার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রামগড়ে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপির সফর, উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন

মাদকাসক্তদের পক্ষে আদালতে আইনজীবিদের না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এমপি দীপেন দেওয়ান

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া সরকারি ও দলীয় সফরে রামগড়ে এসে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সফরের অংশ হিসেবে তিনি রামগড় উপজেলার সদর ইউনিয়নের নূরপুর এলাকায় (তৈচালা পাড়া সংলগ্ন) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত আবাসিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ভবনটির বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরে ওয়াদুদ ভূঁইয়া রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থান সংলগ্ন অসমাপ্ত টাউন হল ভবন ও রামগড় লেক পরিদর্শন করেন। এসব স্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি অবহিত হন।

সফরকালে সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

×