রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৮ পিএম
53 বার পড়া হয়েছে
জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই :

​কাপ্তাইয়ে শুদ্ধ সঙ্গীত চর্চা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’।

গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকালে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধনী ক্লাস ও পরিচিতি সভা সম্পন্ন হয়।কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই উদ্বোধনী ক্লাসে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ একরাম হোসেন এবং কাপ্তাইয়ের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর নাহার বেগমসহ আরও অনেকে।

কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতনের সভাপতি প্রদীপ মল্লিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খোদেজা আক্তার ভাষার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক অর্ণব মল্লিক,  সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়েপ্রুচিং মারমা, অর্থ সম্পাদক জ্যাকলিন তঞ্চঙ্গা, সহ-অর্থ সম্পাদক সুমনা তঞ্চঙ্গা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুবেল সিংহ, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক বর্ষা তঞ্চঙ্গা, নৃত্য প্রশিক্ষক অলংকৃতা ধর ও রোদ্রি সিংহ এবং চিত্রাঙ্কন প্রশিক্ষক তৃষ্ণা দাশ প্রমুখ।

উদ্বোধনী ক্লাসের সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা এবং মোবাইলের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে সঙ্গীত ও সুস্থ সংস্কৃতির চর্চার কোনো বিকল্প নেই। কাপ্তাইয়ের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকায় এই সঙ্গীত নিকেতনটি স্থানীয় সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংগঠনের প্রশিক্ষকরা জানান, এখানে অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ধ্রুপদী, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, আধুনিক ও লোকসঙ্গীতের পাশাপাশি আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সব বয়সী মানুষের জন্যই এই নিকেতনের দরজা উন্মুক্ত থাকবে।প্রথম দিনের উদ্বোধনী ক্লাসে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এই সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে তাঁরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

বাঙ্গালহালিয়াতে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজা সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৯ পিএম
জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কাপ্তাই সুরের ধারা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্বোধন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার সনাতন সম্প্রদায়ের বাঙ্গালহালিয়া সনাতনী ব্যবসায়ীবৃন্দের উদ্যোগে শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকালে সংগীত অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় আরতির ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিবছরের মতো এই বছর ১ই ভাদ্র -১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পূজার দিনে ভক্তরা বিশ্বকর্মা দেবের কৃপা লাভ করার আশায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মধ্যে দিয়ে পূজাটি সম্পন্ন হয়।

পুরাতন মতে তিনি হলেন কারিগরি দেবতা অষ্টম বসু প্রভাস হলেন তাঁর পিতা ও মাতা হলেন বৃহস্পতির ভাগিণী, বরবণিনী।আবার ব্রক্ষবৈবত্ত পুরাণে বর্ণিত তাঁর জম্ম ব্রহ্মার নাভি থেকে। পুরানে কাহিনীতে উল্লেখ করা আছে- তাঁর সৃষ্টি কার্যের কথা পুরাণের লেখা আছে- শ্রীকৃষ্ণের রাজ্য দ্বারক নির্মান করেছেন বিশ্বকর্মা।

মহাভারতে ও ওনার কথা বিভিন্ন জায়গাতে উল্লেখ আছে।বিশ্বকর্মা পূজায় বিশিষ্ট গীতা পাঠক ও ধর্মীয় আলোচক উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রমের শ্রীমৎ স্বামী গোবিন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য, বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সদস্য সদস্যাবৃন্দ, বাঙ্গালহালিয়া সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজার প্রধান উপদেষ্টা শিমুল দাশ, বাদল দাশ, হারাধন কান্তি দাশ, প্রিয়লাল দত্ত, দুলাল দে, অমূল্যে মহাজন, বিশ্বকমা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী টিংকু ধর, সহ-সভাপতি অর্জুন কর্মকার, উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইমন নন্দি, সহ-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল দাশ, অর্থ সম্পাদক রাহুল দাশ, সহ-অর্থ সম্পাদক হৃদয় কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পু দত্ত, পলাশ দাশ, ইমু দাশ, নিদু দাশ, নিটু সাহা, সৌরভ মল্লিক, সুব্রত দে, অপু দেবনাথ, অভি দে, অজয় কর্মকার, চিরঞ্জিত দত্ত সহ সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাঙ্গালহালিয়া পুলিশ ক্যাম্প সার্বক্ষণিক দায়িত্ব ছিলেন ।

পূজা উদযাপন কমিটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং নিষ্ঠার সাথে এই আয়োজন সম্পন্ন করেছে। উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তে ছিল আনন্দ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং ধর্মীয় অনুভূতি। এই আয়োজন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ঐক্য এবং উৎসবের প্রতি আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পূজা উদ্যাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই উৎসবের সম্পন্ন করা হয়েছে।

আজ ১৯ শে সেপ্টেম্বর বিকালে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বলে পূজা কমিটি পক্ষে জানান।

×