| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধিঃ

কোনো জাতিকে যদি ধ্বংস করতে চাও তাহলে তার ভাষা ধ্বংস করে দেন তঞ্চঙ্গ্যা জাতির কেন্দ্রীয় কমিটির বিষু মেলা অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি বক্তব্যে ৩০০নং বান্দরবান সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী তিনি একথা বলেন। তিনি রবিবার (১২ই এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় রোয়াংছড়ির বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যায় মাঠে এক সভায় একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বহু বছর ধরে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিসত্তা নেতৃত্বে – কর্তৃত্বে শীর্ষে ছিলেন তিন পার্বত্য জেলায়। যাদের পরশে তঞ্চঙ্গ্যা জাতি সত্বা অনেক বেশি সম্বৃদ্ধশালী। বান্দরবান পার্বত্য জেলা-উপজেলার কাজ করার সময় সবার সাথে ভেরী ক্লোজ টু মি। তিনি আরও বলেন, তঞ্চঙ্গ্যা কমিউনিটি একটি রাজনৈতিক সামাজিক সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন এটা একটা খুবই পজিটিভ দিক। এজন্য রেস্টপেক্ট করি।

অনুষ্ঠানে ব্যানারে বাংলার পাশাপাশি নিজের ভাষাও (স্পেলিং) লিখে দিতে বলেন। আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিসত্বাকে স্বীকার ও স্বীকৃতি দিয়েছেন। বোমাং সার্কেলের অধীনে বান্দরবান প্রায় ১৪ টি  জাতিসত্বা রয়েছে। এজন্য বান্দরবানকে মিনি চিটাগং হিলট্রাক বলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফার বাস্তবায়নে ১১টি ক্ষুদ্র ভাষার মধ্যে ১০ টার অনুবাদ রয়েছে সেখানে তঞ্চঙ্গ্যা ভাষাও অনুবাদ করা আছে। নিজস্ব যে কোনো ফাংশানে/অনুষ্ঠানে নিজস্ব ভাষা ব্যবহার করা। সেটা তোমাদের অধিকার তোমাদের স্বীকৃতি। নারী ও পুরুষের নিজস্ব ট্রাডিশনাল পোশাক দেখে খুবই মুগ্ধ হয়েছি। এটা শুধু বাংলাদেশে প্রচারে নয় সারা বিশ্বে প্রচার হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪ জাতি সত্বার রাষ্ট্রীভাবে যেখাবে সুযোগ আসবে সেটা প্রোফার্লী তঞ্চঙ্গ্যা জাতিও পাবে। তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি জানান এবং গুনমুনি মহাজনের কথা স্বরণ করেন।

এরঁ আগে প্রধান অতিথি ঘিলা খেলা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন করেন সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং কয়েকদিন  আগে ৭০০ টি ঘিলা উপহার দেন।

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস)-কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজমিন আলম তুলি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য  শৈসাঅং মার্মা, থানা অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্ব নাথ তঞ্চঙ্গ্যা, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজীব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা এবং সভাপতিত্ব করেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির মহা-সচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা।

এছাড়াও ঘিলা খেলা উপকমিটির আহ্বায়ক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্য বিবাহী কমিটির সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা, শাক্যমিত্র তঞ্চঙ্গ্যা এ্যাড. বিমল তঞ্চঙ্গ্যা, বিরলাল তঞ্চঙ্গ্যা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

কেন্দ্রীয় বিষু উৎসবে ৪৭টি যুবক – যুবতীর দল অংশ গ্রহন করেন। সারারাত ধরে ঘিলা খেলা প্রতিযোগিতা, অতিথি আপ্যায়ন  ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং সকালে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হন পাগলাছড়া পাড়া ও গুইনখ্যং তঞ্চঙ্গ্যা পাড়া।

Hacked by CoupDeGrace

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×