| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের নানা উদ্যোগ

দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের নানা উদ্যোগ

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোন। এর অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন পাড়ায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের সরঞ্জাম, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রুমা উপজেলার বিভিন্ন পাড়ায় এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় কারবারি, সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রুমা জোনের জোন কমান্ডার ও ৩৬ বীরের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার, এসবিপি, পিএসসি।

জানা গেছে, আরথাহ পাড়ায় একটি ২০ কেভিএ জেনারেটর, ১০ কেভিএ ডায়নামো, ৩ হর্স পাওয়ারের সাবমার্সিবল পাম্প এবং কমিউনিটি সেন্টারের জন্য একটি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল দেওয়া হয়েছে। এতে পাড়াবাসীর বিদ্যুৎ ও পানি সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি কমিউনিটি সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালনায় সুবিধা হবে। সালেম পাড়ায় ১ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার পানির ট্যাংক এবং চায়রাগ্রা পাড়ায় ৩ হর্সপাওয়ারের সাবমার্সিবল পাম্প ও ৫ হাজার লিটারের পানির ট্যাংক দেওয়া হয়েছে। হ্যাপীলহিল পাড়ায় দেওয়া হয়েছে ২ হাজার লিটারের পানির ট্যাংক ও একটি সাউন্ড সিস্টেম।

এ ছাড়া শুক্রমনি পাড়ায় ২ হাজার লিটারের পানির ট্যাংক, ৭০০ ফুট পানির পাইপ, একটি সাউন্ড সিস্টেম ও একটি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল প্রদান করা হয়। এসব সরঞ্জামের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে বাসাত্লং পাড়ায় একটি ভলিবল ও একটি ভলিবল নেট, পার্বা পাড়ায় একটি ভলিবল ও দুটি ফুটবল এবং নিয়াংখিয়াং পাড়ায় একটি ফুটবল বিতরণ করা হয়েছে।

সামগ্রী বিতরণকালে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুপেয় পানি, ক্রীড়া ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগ এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি এ সময় বিভিন্ন পাড়ার কারবারি, সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় যুবসমাজের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনেন।

এদিকে মিজোরামে অবস্থানরত বম জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ পাড়ায় নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ করে দিতেও রুমা জোন কাজ করছে। ইতোমধ্যে দেশে ফিরে আসা পরিবারগুলোর জন্য নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী, ঘর নির্মাণের ঢেউটিন, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল ও সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যৌথ খামার নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ী কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রুমা জোনের এসব কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখছে।

Hacked by CoupDeGrace

দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের নানা উদ্যোগ

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের নানা উদ্যোগ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের নানা উদ্যোগ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×