| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরী’কে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ।

পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরী’কে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ।

বান্দরবান প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী’কে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচনী এলাকা বান্দরবান পৌছানোর পর মোটরসাইকেল, গাড়ীর বহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় জেলার প্রবেশমুখ হলুদিয়া থেকে বরণ করে নিয়ে আসে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এসময় সড়কের দুপাশে দাড়িয়ে নেতাকর্মীরা মন্ত্রীকে ফুল ছিটিয়ে এবং ফুলের তোরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সর্বস্তরের মানুষ। এদিকে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে নির্মাণ করা হয় শতাধিক তৌরন গেইট।

পরে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে গণসংবর্ধনা সভা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠান বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, সম্প্রীতির জেলা বান্দরবান, এটি বলাটা সহজ, শান্তি সম্প্রীতি রক্ষায় আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। পার্বত্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ সবক্ষেত্রেই পিছিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাষ্ট্রীয় পলিসি ও দিকনির্দেশনা অনুসরণ করেই এগিয়ে যেতে হবে। এই অঞ্চলের আত্মসামাজিক উন্নয়নে শান্তি সম্প্রীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকারের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেই পার্বত্যবাসীর কল্যানে আমাদের কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় এগিয়ে যাবে পার্বত্য জেলাগুলোও।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক অধ্যাপক মো: ওসমান গনি, আব্দুল মাবুদ, সাশৈপ্রু, মুজিবুর রশীদ, মশিউর রহমান মিঠুন, জাহাঙ্গীর আলম, জেলা রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক দৌলতুল কবীর খান, বিএনপিনেতা সাবিকুর রহমান জুয়েল, জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন জিকু প্রমুখ।

এদিকে গণসংবর্ধনা ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সভায় জেলার সাতটি উপজেলা, দুটি পৌরসভা এবং চৌত্রিশ ইউনিয়ন থেকে পাহাড়ি বাঙালি বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হয় সভাস্থলে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিনত হয় পাহাড়ি বাঙালির মিলনমেলায়।

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরী’কে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ।

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরী’কে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ।

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরী’কে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ।

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

×