| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

“চূড়ান্ত জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তি”

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা অফিস :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিলকরণ করে নতুনভাবে পুর্নগঠনের লক্ষ্য কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি তাৎক্ষণিক এই সিদ্ধান্তে গৃহিত হয়। নিম্নে বিস্তারিত ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর বর্ণনা দেয়া হলো –

বিষয়: ২৩ মে ২০২৫ তারিখের কাউন্সিল-পরবর্তী সকল কমিটি বাতিল, পূর্বের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল, সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন প্রসঙ্গে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য, কর্মী, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, বৈধতা, ধারাবাহিকতা, ঐক্য ও কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখার স্বার্থে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে নিম্নোক্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করা হলো।

১। ২৩ মে ২০২৫-এর কাউন্সিল-পরবর্তী সকল কমিটি বাতিল।

গত ২৩ মে ২০২৫ (শুক্রবার) বান্দরবান সদরস্থ নবোদয় সংঘের হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা ও কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং উক্ত কমিটির অধীনে পরবর্তীতে গঠিত সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কমিটি ও উপ-কমিটি অদ্য তারিখ থেকে বাতিল, বিলুপ্ত ও অকার্যকর ঘোষণা করা হলো।

উক্ত কমিটিসমূহের কোনো সদস্য, পদধারী বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি অদ্য থেকে উক্ত কমিটির পদ-পদবি বা সাংগঠনিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা বা প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

২। পূর্বের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল।

সংগঠনের সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা, শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের স্বার্থে পূর্বে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল থাকবে।

পরবর্তী লিখিত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটিই সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সমন্বয়, অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৩। পূর্ববর্তী সকল পদ-পদবি ও সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার বন্ধ

অদ্য থেকে বাতিল বা বিলুপ্ত ঘোষিত কোনো কমিটির—

– আহ্বায়ক
– সদস্য সচিব
– সভাপতি
– সাধারণ সম্পাদক
– সাংগঠনিক সম্পাদক
– সদস্য
– উপদেষ্টা
– সমন্বয়ক
– প্রতিনিধি

অথবা অন্য কোনো পদ-পদবি ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রচার, ঘোষণা বা প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম, পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট, আমন্ত্রণপত্র, চিঠিপত্র বা অন্য কোনো প্রচারমাধ্যমে বাতিল কমিটির পদ-পদবি ব্যবহার করে সংগঠনের বর্তমান দায়িত্বশীল হিসেবে পরিচয় প্রদানও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না।

৪। অনুমোদনবিহীন কার্যক্রমের সাংগঠনিক স্বীকৃতি থাকবে না।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পূর্বানুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী—

ক. সভা, বৈঠক বা মতবিনিময় সভা আহ্বান
খ. সমাবেশ, মিছিল বা কর্মসূচি ঘোষণা
গ. নতুন কমিটি গঠন বা ঘোষণা
ঘ. কোনো ব্যক্তিকে পদায়ন বা দায়িত্ব প্রদান
ঙ. সাংগঠনিক প্রতিনিধি মনোনয়ন;
চ. সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা প্রচার
ছ. সংগঠনের নামে চিঠি, বিবৃতি, বিজ্ঞপ্তি বা প্রেস রিলিজ প্রকাশ
জ. সংগঠনের নামে অর্থ সংগ্রহ বা আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা
ঝ. কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে যোগাযোগ
ঞ. সংগঠনের নাম, লোগো, প্যাড, সিল বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের অনুমোদিত সাংগঠনিক কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে না।

৫। নতুন সাংগঠনিক কাঠামো গঠনের কর্তৃত্ব।

সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হবে।

প্রথম পর্যায়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন ও পুনর্গঠন সম্পন্ন করা হবে।

পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনক্রমে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হবে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক গঠিত কোনো কমিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের অনুমোদিত সাংগঠনিক কমিটি হিসেবে স্বীকৃত হবে না।

৬। সাংগঠনিক সমন্বয়ের দায়িত্ব।

সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে কার্যকর, গতিশীল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব প্রকৌশলী দিপু বড়ুয়াকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদানের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

তিনি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও অনুমোদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য ও কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

তবে কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদিত সিদ্ধান্তের পরিপন্থী হতে পারবে না।

৭। সাংগঠনিক যোগাযোগ ও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সমন্বয়।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর সংগঠনের সাংগঠনিক যোগাযোগ, নতুন কমিটি গঠন, দায়িত্ব বণ্টন, কর্মসূচি গ্রহণ, সাংগঠনিক প্রতিনিধি মনোনয়ন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদিত সমন্বয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও কর্মীরা সাংগঠনিক বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পূর্বে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবেন।

সাংগঠনিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উদ্যোগ, পৃথক কমিটি বা সমান্তরাল সাংগঠনিক কাঠামো সৃষ্টি থেকে সকলকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

৮। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে সতর্কীকরণ।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও অনুমোদন অমান্য করে কেউ সংগঠনের নাম, পদ-পদবি, লোগো, প্যাড, সিল, পরিচয় বা সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা ব্যক্তিগত দায় ও দায়িত্বে সংঘটিত কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির কোনো সাংগঠনিক অনুমোদন বা দায় থাকবে না।

প্রয়োজনে সংগঠনের সাংগঠনিক স্বার্থ, নাম, পরিচয় ও সম্পদ সুরক্ষার জন্য প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি সংরক্ষণ করে।

৯। বিভ্রান্তিকর প্রচার ও সাংগঠনিক পরিচয়ের অপব্যবহার নিষিদ্ধ।

কেউ যদি বাতিল কমিটির পদ-পদবি ব্যবহার করে নিজেকে সংগঠনের বর্তমান দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচয় দেন, সংগঠনের নামে বক্তব্য প্রদান করেন, কমিটি ঘোষণা করেন অথবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন, তাহলে তা সংগঠনের অনুমোদিত বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে না।

সকল নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও কর্মীদের প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত অনুসরণ করুন।

১০। চূড়ান্ত সাংগঠনিক নির্দেশনা।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর পূর্ববর্তী সাংগঠনিক কাঠামো ও পদ-পদবি সংক্রান্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ব্যতীত পূর্বে গঠিত সকল কমিটি বাতিল ও অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হবে।

নতুন কমিটি গঠন, পদায়ন, সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রদান এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনক্রমে সম্পন্ন হবে।

পরবর্তী কোনো বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনাসমূহ কার্যকর থাকবে।

১১। সকলের প্রতি আহ্বান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য ও কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে যে, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য, বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ পরিহার করে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্বশীলতা ও সাংগঠনিক আনুগত্য বজায় রাখুন।

সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।

এই বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জারি করা হলো এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

আদেশক্রমে বাবু লুসাই মং প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

বার্তা প্রেরক

প্রকৌশলী নিউটন চাকমা
যুগ্ম আহবায়ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

Hacked by CoupDeGrace

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

বাঙ্গালহালিয়াতে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজা সম্পন্ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার সনাতন সম্প্রদায়ের বাঙ্গালহালিয়া সনাতনী ব্যবসায়ীবৃন্দের উদ্যোগে শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকালে সংগীত অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় আরতির ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিবছরের মতো এই বছর ১ই ভাদ্র -১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পূজার দিনে ভক্তরা বিশ্বকর্মা দেবের কৃপা লাভ করার আশায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মধ্যে দিয়ে পূজাটি সম্পন্ন হয়।

পুরাতন মতে তিনি হলেন কারিগরি দেবতা অষ্টম বসু প্রভাস হলেন তাঁর পিতা ও মাতা হলেন বৃহস্পতির ভাগিণী, বরবণিনী।আবার ব্রক্ষবৈবত্ত পুরাণে বর্ণিত তাঁর জম্ম ব্রহ্মার নাভি থেকে। পুরানে কাহিনীতে উল্লেখ করা আছে- তাঁর সৃষ্টি কার্যের কথা পুরাণের লেখা আছে- শ্রীকৃষ্ণের রাজ্য দ্বারক নির্মান করেছেন বিশ্বকর্মা।

মহাভারতে ও ওনার কথা বিভিন্ন জায়গাতে উল্লেখ আছে।বিশ্বকর্মা পূজায় বিশিষ্ট গীতা পাঠক ও ধর্মীয় আলোচক উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রমের শ্রীমৎ স্বামী গোবিন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য, বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সদস্য সদস্যাবৃন্দ, বাঙ্গালহালিয়া সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজার প্রধান উপদেষ্টা শিমুল দাশ, বাদল দাশ, হারাধন কান্তি দাশ, প্রিয়লাল দত্ত, দুলাল দে, অমূল্যে মহাজন, বিশ্বকমা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী টিংকু ধর, সহ-সভাপতি অর্জুন কর্মকার, উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইমন নন্দি, সহ-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল দাশ, অর্থ সম্পাদক রাহুল দাশ, সহ-অর্থ সম্পাদক হৃদয় কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পু দত্ত, পলাশ দাশ, ইমু দাশ, নিদু দাশ, নিটু সাহা, সৌরভ মল্লিক, সুব্রত দে, অপু দেবনাথ, অভি দে, অজয় কর্মকার, চিরঞ্জিত দত্ত সহ সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাঙ্গালহালিয়া পুলিশ ক্যাম্প সার্বক্ষণিক দায়িত্ব ছিলেন ।

পূজা উদযাপন কমিটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং নিষ্ঠার সাথে এই আয়োজন সম্পন্ন করেছে। উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তে ছিল আনন্দ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং ধর্মীয় অনুভূতি। এই আয়োজন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ঐক্য এবং উৎসবের প্রতি আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পূজা উদ্যাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই উৎসবের সম্পন্ন করা হয়েছে।

আজ ১৯ শে সেপ্টেম্বর বিকালে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বলে পূজা কমিটি পক্ষে জানান।

×