| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার ৩ নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা।

তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তিনি বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সাচিং মারমা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি আপনাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমার বাবা থোয়াইঅংগ্য মারমার দেখানো পথে সততা, ন্যায় ও স্বচ্ছতাকে ধারণ করে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করছি। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের মতামত, সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইডিএফে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন

সাচিং মারমার পিতা থোয়াইঅংগ্য মারমা প্রয়াত। তাঁর বাড়ি রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ডাকবাংলা বিহারপাড়ায়। স্থানীয়ভাবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন বলে তাঁর সমর্থকেরা জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সাচিং মারমা বলেন, “বাঙ্গালহালিয়ার মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণকে সামনে রেখে কাজ করতে চাই। ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। অনেক জায়গায় যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের আরও উন্নয়ন প্রয়োজন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করতে চাই।”

তিনি বলেন, “আমার কাছে চেয়ারম্যানের পদ কোনো ক্ষমতার বিষয় নয়; এটি মানুষের সেবা করার একটি দায়িত্ব। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে নিজের কথা বলতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সেবা পান—সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই।”

এদিকে সাচিং মারমার প্রার্থিতাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপি ও সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অনুসারীরা দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিনের সামাজিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।

এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কে জনগণের আস্থা অর্জন করবেন, সেটি নির্ভর করবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং এলাকার মানুষের জন্য তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর। তবে সাচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন—এ বিষয়টি তাঁর সমর্থকেরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

সাচিং মারমা বলেন, “আমি বাঙ্গালহালিয়ার প্রতিটি মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাই। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ, তরুণ সমাজ, প্রবীণ নাগরিক, নারী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চাই। নির্বাচনে জনগণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

তিনি আরও বলেন, “বাঙ্গালহালিয়ার উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য দল-মত ও সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩ নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে সাধারণ মানুষের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন সাচিং মারমা। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত, নির্বাচনী পরিস্থিতি এবং ভোটারদের সমর্থন তাঁর প্রার্থিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাচিং মারমার প্রত্যাশা—শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে জনগণের পাশে থেকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নকে উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জনসেবার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া।

Hacked by CoupDeGrace

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

Hacked by CoupDeGrace

Greetz:

Hmei7, BrokenPipe, SimSimi, L4663r666h05t, AntonKil, d3b~x, Index Php, Mdn_Newbie, Sultan Haikal, Brian Kamikaze

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×