শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২
শিরোনাম:

সাজেকে দুই নারী সংগঠনের বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
4 বার পড়া হয়েছে
সাজেকে দুই নারী সংগঠনের বিক্ষোভ

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বান্দরবানে থানচিতে ২নং তিন্দু ইউনিয়নে চিংমা খিয়াং নামে তরুনীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষন ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইউপিডিএফ সমর্থীত দুই নারী সংগঠন হিলউইমেস্ন ফেডারেশন ও সাজেক নারী সমাজ।

শুক্রবার ২৭ মার্চ সকালে সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট উজো বাজারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিশাকা চাকমার চঞ্চলনায় অমিতা চাকমার সভাপতিত্বে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বাবু ধন চাকমা, সাজেক ইউনিয়নের কার্বারী এসোসিয়ের সভাপতি নতুন জয় চাকমা, সাজেক ইউনিয়নের ৫নং ওযার্ডের ইউপি সদস্য পরিচয় চাকমা, সাজেক নারী সমাজের নেত্রী নিরুপা চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, বান্দরবানের থানচির উপজেলায় ২নং তিন্দু ইউনিয়নে এক পাহাড়ি নারীকে সংবদ্ধ ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনো জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এবং বিক্ষোভ মিছিল থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে নিরুপা চাকনা বলেন, পাহাড়ে নারীদের নিরাপত্তা দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে। এ ধরনের নৃশংস ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে এমন অপরাধ আরও বাড়বে।

বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলে নারীদের নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল সাজেকের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইউপিডিএফের কার্যলয়ে এসে শেষ হয়।

খাগড়াছড়ির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস সেনাবাহিনীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১:২১ পিএম
সাজেকে দুই নারী সংগঠনের বিক্ষোভ

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার নতুন বোয়ালখালী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক।

আজ  শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে তিনি ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনে গভীর সমবেদনা জানান এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার প্রদান করবে বলে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের পক্ষ থেকে  প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। তিনিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তের সার্বিক সহযোগিতা করার কথা বলেন।

উল্লেখ্য, গতকাল দিনগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে ঐতিহ্যবাহী নতুন বোয়ালখালী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে বহু দোকান পুড়ে যায়, এতে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন।

দীঘিনালায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৩৫টি দোকান পুড়ে ছাই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৯:২১ এএম
সাজেকে দুই নারী সংগঠনের বিক্ষোভ

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী নতুন বাজারে আগুনে পুড়ে গেছে ৩৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ২টা ৫০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীদের দাবি ৩৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে জুতা, কসমেটিকস, কাপড়, সেলুন, ফার্মেসি ও স্বর্ণের দোকান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগুন লাগার দেড় ঘন্টার মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এসময় আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সার্বিক সহযোগী করেন সেনাবাহিনী, পুলিশ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। এদিকে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও বাজারে পানির উৎসের সংকটের কারণে আগুন নেভাতে বেগ পোহাতে হয়।

বোয়ালখালী নতুন বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর জানান, আগুনে ৩৫টি দোকান পুড়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের ৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পংকজ বড়ুয়া জানান, রাত ৩টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আমরা যোগ দেই। দেড় ঘন্টার প্রচেষ্টায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হই।

বিলাইছড়ির ত্যাগী নেতা জয়সিন্ধু চাকমা জেলা পরিষদ সদস্য পদ পেতে আপত্তি কোথায় !

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৬ এএম
সাজেকে দুই নারী সংগঠনের বিক্ষোভ

  

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়ি উপজেলার জয়সিন্ধু চাকমা জেলা পরিষদ সদস্য পদ পেতে নেই কোনো আপত্তি। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক পাহাড়ি-বাঙালী অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাকে সদস্য পদ দিলে বিলাইছড়ি উপজেলা সহ পার্বত্য এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব। সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি বাজায় রেখে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি-বাঙালী ঐক্যর প্রতীক বলে মনে করছেন উপজেলা সংশিষ্ট, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। সকলের প্রাণ প্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মনে করেন। পাহাড় থেকে উঠে আসা পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে তার সুনাম রয়েছে।

তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আপদে-বিপদে, সূখে-দুঃখে সবার পাশে রয়েছেন বলে তিনি জানান। নাম তার জয়সিন্ধু চাকমা, পিতা : গোপাল চন্দ্র চাকমা, ঠিকানা : গ্রাম: গাছকাটা ছড়া দোজরীপাড়া, ১২২নং কুতুবদিয়া মৌজা, ৩নং ওয়ার্ড বিলাইছড়ি উপজেলার বাসিন্দা।

তিনি আরো জানান, রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে ছিলাম। ২০০০ সাল হতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। ২০০৭ হতে ২০১৩ পর্যন্ত তৃণমূল দলের সভাপতি। ২০১৩ হতে ২০১৮ পর্যন্ত  উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক। ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে রয়েছি।

এছাড়াও বর্তমানে গাছকাটা ছড়া, ইকো-ট্যুরিজম ও ভিসিএফ সভাপতি, গাছকাটা ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি। বর্তমানে কার্বারী এসোসিয়েশন এর সভাপতি এবং প্রথাগত নেতা হিসেবে একজন সোসিয়াল ওয়ার্কার। যা ছোট বেলা হতে সবসময় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত। নির্বাচনে পরিচালনা কমিটির উপজাতীয় বিষয় আহ্বায়ক দায়িত্ব পালন করেছি। তিনি আরও জানান, তার নিজস্ব প্রচেষ্টা, মেধা ও ধৈর্য্যশীলতার কারণে দুর্গম পাহাড় থেকে রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এতটুকু পা রেখে চলেছেন। সুযোগ দিলে আরও কাজ করতে চাই নিবেদিত প্রাণ হিসেবে।

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসীস্ট সরকারের অত্যাচারে স্বীকার হওয়ার পরও দলে থেকেই দলকে টিকিয়ে রাখার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি, যা অন্য কোনো সক্রিয় সদস্যর চেয়েও কোনো অংশেই কম নয়। বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিকের কারণে গণতন্ত্র ফিরে এসে গত ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯ নং রাঙ্গামাটির আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এজন্য সারা বাংলাদেশে সবার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে বর্তমানে সরকার গঠন হয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ্যাড. দীপেন দেওয়ান স্যার আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনি সবসময় পার্বত্যবাসীর সুখ-দুংখের কথা ভাবেন এবং পাশে রয়েছেন, তেমনি পাশে থাকবেন নেতাকর্মীদের সাথেও। ভাববেন তৃণমূল নেতাদের কথাও। তাই জেলা পরিষদ পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যাকে তাকে দেওয়া হলে অতীতের মতো পুনরাবৃত্তি হবে।

এজন্য দলকে দুর্নীতি মুক্ত ও উন্নয়ন করতে চাইলে অবশ্যই সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। এজন্য দাবি রাখছি যে, দায়িত্ব পেলে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাবো। তাই সদস্য পদ পেতে আপনি, আপামর জনগণ, সকল প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ সর্বস্তরের সহযোগিতা কামনা করেন এই রাজনীতিবিদ।

×