| ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

রামগড়ে চোলাই মদসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটক

রামগড়ে চোলাই মদসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটক

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোলাইমদসহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন বোতলে থাকা চোলাইমদ ও একটি পুরোনো মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে রামগড় বাজার এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড় থানার এসআই মো. সহেল মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়। আটক ব্যক্তির নাম মো. শাহাদাৎ হোসেন (২৯)। তিনি খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার কানানাল এলাকার (৮ নম্বর ওয়ার্ড) মৃত জব্বার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, শাহাদাৎ হোসেনের কাছ থেকে দুটি ‘MOJO’ বোতলে ২৫০ মিলিলিটার করে মোট ৫০০ মিলিলিটার চোলাইমদ, একটি ‘ROYAL TIGER’ বোতলে ২৫০ মিলিলিটার চোলাইমদ, একটি ফ্রেশ পানির বোতলে প্রায় ২০০ মিলিলিটার টাইগার ড্রিংকস ও চোলাইমদের মিশ্রণ এবং ২৫০ মিলিলিটার ধারণক্ষমতার একটি পানির বোতল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া তাঁর ব্যবহৃত পুরোনো একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে। মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন নম্বর খাগড়াছড়ি-হ-১১-৬৭৪৮।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম বলেন, আটক শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই তিনটি মামলার ওয়ারেন্ট ছিল। চোলাইমদ পাচারের সময় তাঁকে আটক করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

ওসি আরও জানান, মামলার পর তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক মাজেদ হোসাইন সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে শাহাদাৎ হোসেনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রামগড়ে কীটনাশক পানে গৃহবধূর মৃত্যু

রামগড়ে চোলাই মদসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটক

ছবি- প্রতিকী

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে জোসনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।

রামগড় থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রামগড়ের নাকাপা এলাকায় ভাড়া বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী জাফর আহমদের সঙ্গে জোসনা আক্তারের কথা কাটাকাটি হয়। পরে তিনি ঘরে থাকা ঘাস মারার কীটনাশক পান করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী সদর হাসপাতাল, খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল হয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর পাঁচলাইশ থানা পুলিশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমির হোসেন রামগড় থানায় লিখিতভাবে অপমৃত্যুর সংবাদ দেন। এর ভিত্তিতে রামগড় থানায় অপমৃত্যু মামলা নম্বর-১০, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রুজু করা হয়েছে।

রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজির আলম জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ বা সন্দেহের কথা জানানো হয়নি। মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলছে।।

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে চবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

রামগড়ে চোলাই মদসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটক

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে সাজিদ শাহরিয়ার শানম (২৩) নামের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শিলছড়ি সীতারঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাজিদ শাহরিয়ার শানম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মাহমুদপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ পর্যটকের একটি দল কাপ্তাইয়ের শিলছড়ি এলাকার সীতার পাহাড় ও জুম পাহাড় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দুইটার দিকে তারা শিলছড়ি সীতারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য নামেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সাজিদ। মুহূর্তেই নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

তার সঙ্গে থাকা বাকি আট পর্যটক হলেন—শাকিব মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল নূর তুষার, এনামুল সরকার, জুবায়ের হুসাইন, এমরান হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শাকিল।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজনের যৌথ সহায়তায় কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাইখালীর ডলুইছড়িতে ইউপি সদস্য পদে বিএনপি নেতা শের খানকে চায় স্থানীয় জনসাধারণ

রামগড়ে চোলাই মদসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটক

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২ নম্বর রাইখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডলুইছড়ি এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার মানুষের জোরালো দাবি—আসন্ন নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন স্থানীয় ত্যাগী বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শের খান (শেরী)।

​স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসীর মতে, শের খান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন। একজন পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুখ্যাতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের জোরালো বিশ্বাস, শের খান ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হলে ডলুইছড়ি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এবং নানামুখী সহযোগিতা দিয়ে এলাকার একাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু এবার তাঁরা আর পেছনের কারিগর হিসেবে নয়, বরং সরাসরি শের খানকে নিজেদের জনপ্রতিনিধি ও মেম্বার হিসেবে দেখতে চান।

ভোটাররা আরও জানান, “বিগত দিনে বিভিন্ন সংকটে ও প্রয়োজনে আমরা শের খানকে সবসময় আমাদের পাশে পেয়েছি। অতীতে তিনি যেভাবে অন্যদের সহযোগিতা করে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন, এবার তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। এলাকার উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতার কোনো বিকল্প নেই।” শের খান (বর্তমানে রাইখালী ইউনিয়নে বিএনপির সহ-সভাপতি

জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি নেতা শের খান বলেন, “আমি আজীবন মনপ্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করি। দলের দুঃসময়ে ও দুর্দিনে নিজের সাধ্যমতো দলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, সমাজে ভালো কিছু করতে হলে সবসময় নির্বাচনে দাঁড়ানোই বাধ্যতামূলক নয়; মানুষের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছা এবং মন থেকে সদিচ্ছা থাকলেই যেকোনো স্থান থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যারা দীর্ঘকাল ধরে নিঃস্বার্থভাবে সমাজসেবা করে আসছেন, শের খানের মতো এমন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে উপকৃত হবে।

×