সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জরাজীর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জরাজীর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এলাকাবাসী

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৪নং গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এখন প্রায় অচেনা। টিনশেড ও বেড়ার তৈরি এই ভবনটি দূর থেকে দেখলে অনেকের কাছেই কুঁড়েঘর বা গবাদিপশুর ঘর বলে মনে হয়।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও এখনো পর্যন্ত নতুন করে নির্মাণ বা সংস্কারের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন পার করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গম এই ইউনিয়নে একটি মানসম্মত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন না থাকায় সাধারণ মানুষকে প্রায়ই প্রশাসনিক সেবা নিতে যেতে হয় রুমা উপজেলা সদরে। জন্মনিবন্ধন, ভিজিডি কর্মসূচির চাল সংগ্রহসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সময়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থও ব্যয় করতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। অনেক সময় ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ঝুঁকি নিয়ে রুমা সদরে যেতে হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে, এবং মাঝেমধ্যে নৌকা দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটে।

৪নং গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো বলেন, আমি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন জমা দিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো সাড়া পাইনি। এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রকল্পও বরাদ্দ হয়নি। দুর্গম এই এলাকায় একটি মানসম্মত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হলে স্থানীয় জনগণের জন্য অনেক উপকার হবে।

এদিকে এলাকাবাসী জানান, উপযুক্ত অবকাঠামো না থাকায় তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় সরকারি সেবা পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়নে একটি নতুন ও আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, একটি টেকসই ও আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

মানিকছড়িতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৪ পিএম
গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জরাজীর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এলাকাবাসী

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

অবৈধ পাহাড় কর্তন, বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জব্দকৃত সরকারি সম্পদ (পেলোডার) চুরির মামলা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হাইসাব’কে (৪৮) গ্রেফতার করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক থাকার পর সোমবার সকালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে মানিকছড়ি থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মানিকছড়ি বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশ অভিযান করে উপজেলা সদরে মুসলিম পাড়া ফজর আলীর সন্তান ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হাইসাবকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০১০ সালের বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের ধারা এবং সরকারি কাজে ব্যবহৃত পেলোডার চুরির দায়ে থানায় মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা আসামি ছিলেন।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি হাইসাব পাহাড়ে পরিবেশ ধ্বংস করছে। তিনি অবৈধভাবে পাহাড় কাটা এবং প্রশাসনের জব্দকৃত পেলোডার চুরির মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আসামি। আটককৃত আসামি বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বিধি মোতাবেক তাকে খাগড়াছড়ি বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। জনস্বার্থে এবং পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ পাহাড় কাটা অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কাপ্তাইয়ে ১১ দিনব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জরাজীর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এলাকাবাসী

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ১১ দিনব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন। ​

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের মেডিকেল অফিসার, নার্স এবং মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। ​

টিকাদান কার্যক্রমের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে ডা. রুইহ্লা অং মারমা জানান, উপজেলার ৯ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী মোট ৫ হাজার ৮৭১ জন শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। কর্মসূচিটি মোট ১১ দিন চলবে। প্রথম ৮ দিন মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা বিভিন্ন পাড়া ও মহল্লায় গিয়ে টিকা প্রদান করবেন। পরবর্তী ৩ দিন স্থানীয় বিদ্যালয়গুলোতে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পুরো ১১ দিন কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বুথ সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে যাতে কোনো শিশু টিকা থেকে বাদ না পড়ে। ​

উদ্বোধনকালে ইউএনও রুহুল আমিন অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিশুদের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সকল শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্র বা বুথে নিয়ে এসে টিকা নিশ্চিত করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম
গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জরাজীর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এলাকাবাসী

 

আনোয়ার হোসেন,
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কর্মসূচির আওতায় ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে এক ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

“ইমামরা সমাজের নেতা”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ সম্মেলনে সমাজে ইমামদের করণীয় ও দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন আনোয়ার হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন বাঘাইছড়ি উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার আলী আহসান ভূঁইয়া। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অত্র উপজেলার মডেল কেয়ারটেকার মাওলানা বোরহান উদ্দিন এবং সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুর রহমান। বিভিন্ন মসজিদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, ইমামরা কেবল নামাজের নেতৃত্বদানকারী নন; তারা সমাজের পথপ্রদর্শক, নৈতিক শিক্ষক এবং দ্বীনের দাওয়াতদাতা। একটি সমাজের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নতি অনেকাংশে ইমামদের ওপর নির্ভরশীল।
তারা আরও বলেন, ইমামদের প্রধান দায়িত্ব হলো কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সঠিকভাবে নামাজ পরিচালনা করা এবং মানুষের মাঝে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান পৌঁছে দেওয়া। নিজের আমলের মাধ্যমে মানুষকে শিক্ষা দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইমামদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। মাদক, দুর্নীতি, অন্যায়-অবিচার ও পারিবারিক কলহ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করে মানুষকে নৈতিকতার পথে আহ্বান করার ওপর জোর দেন বক্তারা।

এছাড়াও সমাজে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলা, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণ সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে ইমামদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হচ্ছে। এসব বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে ইমামদের নিয়মিত জ্ঞানার্জন এবং নিজেকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে ইমামদের সমাজে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইমামরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সমাজ উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

×