সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

আনোয়ার হোসেন,
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কর্মসূচির আওতায় ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে এক ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

“ইমামরা সমাজের নেতা”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ সম্মেলনে সমাজে ইমামদের করণীয় ও দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন আনোয়ার হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন বাঘাইছড়ি উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার আলী আহসান ভূঁইয়া। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অত্র উপজেলার মডেল কেয়ারটেকার মাওলানা বোরহান উদ্দিন এবং সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুর রহমান। বিভিন্ন মসজিদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, ইমামরা কেবল নামাজের নেতৃত্বদানকারী নন; তারা সমাজের পথপ্রদর্শক, নৈতিক শিক্ষক এবং দ্বীনের দাওয়াতদাতা। একটি সমাজের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নতি অনেকাংশে ইমামদের ওপর নির্ভরশীল।
তারা আরও বলেন, ইমামদের প্রধান দায়িত্ব হলো কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সঠিকভাবে নামাজ পরিচালনা করা এবং মানুষের মাঝে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান পৌঁছে দেওয়া। নিজের আমলের মাধ্যমে মানুষকে শিক্ষা দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইমামদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। মাদক, দুর্নীতি, অন্যায়-অবিচার ও পারিবারিক কলহ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করে মানুষকে নৈতিকতার পথে আহ্বান করার ওপর জোর দেন বক্তারা।

এছাড়াও সমাজে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলা, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণ সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে ইমামদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হচ্ছে। এসব বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে ইমামদের নিয়মিত জ্ঞানার্জন এবং নিজেকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে ইমামদের সমাজে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইমামরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সমাজ উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বিলাইছড়িতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক উত্তম কৃষি চর্চার জন্য পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস বা প্রশিক্ষিত কৃষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দিনব্যাপী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর আয়োজনে মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসনাত জাহান খান।

 

আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাফর আহাম্মদ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, উপজেলা কৃষি অফিসার রাজেশ প্রাসাদ রায়,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ গোলাম আজম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক, কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন গুপ্ত, বিএনপির যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা (রায় বাবু), জ্ঞানেন্দু চাকমা, অরুনা দেবী চাকমা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুময় চাকমা, সুকান্ত কুমার মদক, রুবেল বড়ুয়া, মোঃ বদিউল আলম, কৃষি অফিসের রাকেশ মুৎসুদ্দি, রাজিন তঞ্চঙ্গ্যা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ারে ইউনিয়ন অর্গানাইজার শীলা চাকমা ও ভুবন তঞ্চঙ্গ্যা।

পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস : প্রোগ্রাম এন্ড এগ্রিকালচার এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টাপ্রেনরশিপ, অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স বাংলাদেশ ইন বাংলাদেশ (PARNER) হলো- বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী সংস্থার অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে একটি বিশেষ কর্মসূচী।এর মূল উদ্দেশ্য আধুনিক, জলবায়ু-সহিষ্ণু ও পুষ্টিকর ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে গ্রামীন কৃষকদের পুষ্টি নিশ্চিত করা, উদ্যোগক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এর প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন বৃদ্বি করা,কৃ ষিতে উদ্যোগক্তা তৈরি করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষমতা তৈরি করা। এতে প্রতিটি ইউনিয়নে ৭টি করে উপজেলায় মোট ২৮টি পার্টনার ফিল্ড স্কুল পর্যায়ক্রমে হবে বলে জানা গেছে। অতিথিরা স্থল পরিদর্শন করেন।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন ১৬ ফ্লাইটে ৬ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবের জেদ্দা যাবেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার:

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২০২৬ সালের পবিত্র হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল)২৬ খ্রিঃ সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটের সময় প্রথম ফ্লাইটটি ৪১৪ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস-এর BG-135 ফ্লাইটে চট্টগ্রাম থেকে ৩৭১ জন হজযাত্রী সহ মোট ৪১৪ জন যাত্রী জেদ্দার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চট্টগ্রাম জেলা ব্যবস্থাপক আল মামুন ফারুক। প্রধান অতিথি হজ মৌসুমে বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং হাজিদের সেবা নিশ্চিত করতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বিমানবন্দরের টার্মিনাল সম্প্রসারণে সরকারের ইতিবাচক পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, হাজিদের যাত্রা সহজ করতে একটি উচ্চ পর্যায়ের হজ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিমানবন্দরে প্রবেশ থেকে বিমানে আরোহন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ তদারকি করবে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে ঢাকার মতো স্থায়ী হজ ক্যাম্প না থাকায় বিমানবন্দরের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে বসার ব্যবস্থা, সুপেয় পানি, ফ্যানসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখা হয়েছে। অসুস্থ হাজিদের জন্য সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দিকনির্দেশনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে হাজিদের মধ্যে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয় এবং প্রধান অতিথি যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর চট্টগ্রাম থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মোট ১৬টি ফ্লাইটে প্রায় ৬ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবের জেদ্দা যাবেন। সর্বশেষ হজ ফ্লাইট ২০ মে ছেড়ে যাবে এবং ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩১ মে থেকে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, হজযাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থাপনা নেওয়া হয়েছে। চেক-ইন, ইমিগ্রেশন ও লাগেজ ব্যবস্থাপনায় আলাদা সহায়তা সেবা চালু রাখা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

পরিবারের সুখ-শান্তি কামনায় বৌদ্ধ ভিক্ষুকে পিন্ডদান করলেন টমাস চাকমা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা প্রতিনিধি :

রাঙামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে ইউনিয়নের বাঘাইহাট উজো বাজারে পরিবারের সুখ, শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বৌদ্ধ ভিক্ষুকে পিণ্ডদান করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী টমাস চাকমা।

সোমবার ২০ এপ্রিল ভোর সকালে গঙ্গারাম উজো বাজারে সম্প্রতি তার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিনি এ দান সম্পন্ন করেন। অনুষ্টানে বুদ্ধ মুর্তিদান, সংঘ দান, অষ্টপরিস্কার দান, পানীয় দানসহ নানা দানের যগ্য অনুষ্টিত হয়।

অনুষ্টানে সংঘ প্রধান হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বাঘাইহাট বনানি বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় কৃপারত্ন মহা স্হবির ভান্তে ও প্রশান্ত অরণ্য কুঠিরের অধ্যক্ষ শুভ প্রিয় ভান্তে উপস্তিত ছিলেন।

জানা যায়, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুশীলন পিণ্ডদান। এর মাধ্যমে দাতা ব্যক্তি নিজের ও পরিবারের কল্যাণ, অশুভ শক্তির নিবারণ এবং পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

টমাস চাকমা তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এই ধর্মীয় আচার পালন করেন এবং বৌদ্ধ ভিক্ষুর হাতে খাদ্য ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন। এসময় ভিক্ষু ধর্মীয় প্রার্থনা ও আশীর্বাদ প্রদান করেন, যাতে পরিবারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।

টমাস চাকমা বলেন, “পিণ্ডদান আমাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবারের মঙ্গল কামনায় নিয়মিত এই ধরনের সেবামূলক কাজ করা উচিত।”

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের মধ্যে দুপুরের ভোজন আয়োজন করা হয়।

×