মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:

দুই বছর ধরে শূন্য রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৩ পিএম
7 বার পড়া হয়েছে
দুই বছর ধরে শূন্য রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় প্রায় দুই বছর ধরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকায় মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট সেবাপ্রার্থীরা প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সেবা পেতে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু কাউসার অবসরের যাওয়ার পর থেকে পদটিতে নতুন কোনো কর্মকর্তা যোগদান করেননি। ফলে প্রায় দুই বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ পদটি শূন্য রয়েছে। এ অবস্থায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম ধীরগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে।

জানা যায়, শুধু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদই নয়, দপ্তরের প্রয়োজনীয় জনবল সংকটও দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান। ফলে বিভিন্ন সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তদারকি, শিক্ষক-সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম, বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রস্তুত ও প্রেরণসহ নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের স্টাফ জয়নাল আবেদীন বলেন, “গত ২,৮,২০১৮ সালে আবু কাউসার এই অফিসে যোগদান করেছিলেন, তিনি গত ২৪ সালের ১৮ই ফেব্রয়ারী পেনশনে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এখানে যোগদান করেননি।তবে আবু কাউসার পেনশনে যাওয়ার পর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মসলেম উদ্দিন,কে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়, তিনি কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এর পর রফিকুল ইসলাম নামে একজন ১ বছর দায়িত্ব পালন শেষে তিনিও পেনশনে চলে গেছেন, তারপর বর্তমানে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সুভাস চন্দ্র সিক্দার কে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়, জয়নাল আবদিন আরো জানান স্থায়ী অফিসার দীর্ঘদিন ধরে না থাকায় অফিসের অনেক কাজ সীমিত জনবল দিয়ে পরিচালনা করতে হচ্ছে।”।

এ বিষয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরে কর্মকর্তা না থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি আমরা জেলা মিটিং সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি। আশা করছি, দ্রুতই একজন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদায়ন করা হবে।”।

এদিকে শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়। তাই দীর্ঘ সময় ধরে পদটি শূন্য থাকায় শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা শিক্ষার স্বার্থে দ্রুত একজন যোগ্য কর্মকর্তাকে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কাপ্তাইয়ে খেলাধুলার সময় গলায় গামছা পেঁচিয়ে ৬ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
দুই বছর ধরে শূন্য রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় খেলাধুলা করার সময় অসাবধানতাবশত গলায় গামছা পেঁচিয়ে আদশ্রী তঞ্চঙ্গ্যা (৬) নামের এক পাহাড়ি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের পাগলি উপরপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশু আদশ্রী তঞ্চঙ্গ্যা ওই এলাকার তপন বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় শিশুটির মা-বাবা উভয়েই জুমচাষের কাজে পাহাড়ে ব্যস্ত ছিলেন। নিজ বসতঘরে একা খেলাধুলা করার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত আদশ্রীর গলায় একটি গামছা পেঁচিয়ে যায় এবং সে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে তার বড় বোন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে গ্যাসের তীব্র সংকট, রান্না বন্ধ বহু ঘরে রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভরশীল নগরবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৫ পিএম
দুই বছর ধরে শূন্য রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস-সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবাসিক এলাকায় দিনের বেশিরভাগ সময় গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভর করছে। একই সঙ্গে শিল্পকারখানা, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) সূত্র জানিয়েছে, গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে চট্টগ্রামে। গ্যাসের অভাবে নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ওলট-পালট হয়ে গেছে।
সকালবেলার নাশতা তৈরি থেকে শুরু করে দুপুর ও রাতের খাবার রান্না-সবকিছুতেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
নগরের জামালখান লেন ও আগ্রাবাদের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সকাল ১০টার পর গ্যাস থাকছে না।

২ আগস্ট (রবিবার)২৬খ্রিঃ সকাল ৭ টায় গ্যাস চলে গেছে। সন্তানকে নাশতা না খাইয়ে স্কুলে পাঠাতে হয়েছে।একবার গ্যাস গেলে বিকেল ৩ঃ০০টার আগে আসে না।আবার সন্ধ্যার পরও চাপ থাকে খুবই কম।

আসকার দিঘির পাড় এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রাত ১২ টার আগে রান্না করা সম্ভব হয় না। তাই দুপুরের খাবার প্রতিদিন রেস্তোরাঁ থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।

আগ্রাবাদ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর, বাকলিয়া, চকবাজার, বহদ্দারহাট, অক্সিজেন ও ষোলশহরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের সংকট বিরাজ করছে। বহু পরিবার বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে বাধ্য হচ্ছে।

গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় আবাসিক খাতের পাশাপাশি শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনেও চাপ কমিয়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে কেজিডিসিএল। অন্যদিকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস নিতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে কেজিডিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিস্ট্রিবিউশন) রফিক খান বলেন, গত ১০ দিন ধরে সংকট চলছে।

তবে ছুটির দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। শনিবার রাত থেকে গ্যাসের চাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের প্রায় সব এলাকাতেই তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই সংকট কেটে যাবে

রামগড়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম
দুই বছর ধরে শূন্য রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নের থলিবাড়ি এলাকায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দেলোয়ার হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে ভুক্তভোগী নারী নিজে রামগড় থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন থলিবাড়ি এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন সিএনজি অটোরিকশা চালক।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, শ্বশুর দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ পেলেই তাকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করার চেষ্টা করতেন, সামাজিক লজ্জা, পারিবারিক চাপ এবং সংসার ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করেননি।

তবে সর্বশেষ গত রোববার রাতে অভিযুক্ত জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ভুক্তভোগী নীরবতা ভেঙে সোমবার রামগড় থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ধর্ষণের অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”।

×