শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন লীগ রেকর্ড করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৬ পিএম
7 বার পড়া হয়েছে
রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন লীগ রেকর্ড করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা

‘রাঙামাটি চ্যাম্পিয়নস লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘রাঙামাটি চ্যাম্পিয়নস লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর প্রথম শিরোপা জিতেছে বিলাইছড়ি উপজেলা। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)  বিকেলে রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বিলাইছড়ি।

নির্ধারিত সময়ে দুই দলের কেউই গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে রাঙামাটি সদরকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি উপজেলা। আর এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লেখায় দলটি।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশ নেন। টুর্নামেন্টকে ঘিরে শুরু থেকেই রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গনে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুণদের একসঙ্গে খেলায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের অনন্য বার্তা।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. দীপেন দেওয়ান বলেন, রাঙামাটির মানুষের কাছে ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন। ক্রীড়াক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি। তরুণদের মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত হোক সমাজ, ক্রীড়া হোক হাতিয়ার।” খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ ও সুন্দর পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, এসপিপি,এনডিইউএসসি ,পিএসসির সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ভূট্টো।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু—জেলার ১০ উপজেলা।

আয়োজকদের ভাষ্য মতে, এ টুর্নামেন্টের উদ্দেশ্য শুধু ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন নয়; বরং খেলাধুলার মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করা। একই সঙ্গে তরুণ সমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে সম্পৃক্ত করাও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। বিলাইছড়ির এই জয় শুধু একটি ফুটবল ম্যাচের জয় নয়, বরং প্রথম আসরের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

সাজেকে রুইলুই পাড়ায় গীর্জা ও লুসাই ক্লাবের দেয়াল নির্মাণ করে দিল সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন লীগ রেকর্ড করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের রুইলুই পাড়ায় গীর্জা ও লুসাই ক্লাবের দেয়াল নির্মাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন। বাঘাইহাট জোনের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল তারেকুল ইসলাম পিএসসি এর নির্দেশনায় স্থানীয়দের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে ক্লাব দুটির নিরাপত্তা ও পরিবেশ উন্নয়নে এ নির্মাণ কাজ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, রুইলুই পাড়ায় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গীর্জা ও লুসাই ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্লাব দুটির অবকাঠামোগত উন্নয়নে দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়ক হবে বলে তারা আশা করছেন।

বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল তারেকুল ইসলাম পিএসসি বলেন, স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও কল্যাণে বিভিন্ন সময় বাঘাইহাট জোনের পক্ষ থেকে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় রুইলুই পাড়ায় গীর্জা ও লুসাই ক্লাবের দেয়াল নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা এ উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে বিলাইছড়িতে মিডওয়াইফ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৩ পিএম
রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন লীগ রেকর্ড করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা

 

ছন্দ সেন চাকমা, রাঙ্গামাটি :

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে দুই সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মিড ওয়াইফ ও নার্সিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিলাইছড়ি জোন (২৯ বীর)-এর উদ্যোগে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় গত ৬ সেপ্টেম্বর ২১ জন স্থানীয় নারী প্রশিক্ষণার্থীকে নিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদপত্র বিতরণ করেন বিলাইছড়ি সেনা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী, পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. সুরজিত দত্ত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লে. কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম জনপদে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় প্রশিক্ষিত জনবলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ মাতৃত্ব ও জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।” অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ এলাকায় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন মেডিকেল অফিসার, নার্স এবং সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ভবিষ্যতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান আয়োজকেরা।

‘জনগণের সেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ ; পাসপোর্ট অফিস ও পৌরসভা পরিদর্শন করলেন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৯ পিএম
রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন লীগ রেকর্ড করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা

 

ছন্দসেন চাকমা, রাঙামাটি :

সরকারি সেবার মান যাচাই ও সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে রাঙ্গামাটি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং রাঙ্গামাটি পৌরসভা পরিদর্শন করেছেন ২৯৯ নং সংসদীয় আসন (রাঙ্গামাটি) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হঠাৎ করেই দপ্তর দুটি পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি দপ্তরগুলোর সার্বিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, ফাইল নিষ্পত্তির গতি এবং সেবাগ্রহীতাদের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা তদারকি করেন। পরে তিনি কার্যালয়গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

পরিদর্শনকালে এমপি দীপেন দেওয়ান বলেন, “বর্তমান সরকার একটি জনবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যেন কোনো নাগরিক সরকারি দপ্তরে এসে হয়রানির শিকার না হন। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সুফল প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং প্রতিটি নাগরিকের দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে আমরা তাঁর নেতৃত্বেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।”

তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে সরকারি পরিষেবা সহজীকরণ এবং সময়মতো সেবা হস্তান্তরের তাগিদ দেন। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সাবেক কাউন্সসিলর মো: হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য কেবল কর্মকর্তাদের সঙ্গেই কথা বলেননি, বরং পাসপোর্ট অফিস ও পৌরসভায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের মাঝে গিয়ে উপস্থিত হন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে দাপ্তরিক কোনো ভোগান্তি কিংবা দালাল চক্রের উৎপাত রয়েছে কি না—সে বিষয়ে সরাসরি খোঁজখবর নেন।

এ সময় সংসদ সদস্যের সরাসরি তদারকি ও তড়িৎ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন উপস্থিত সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।

×