| ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

 

রাজস্থলী  (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে আয়োজিত ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর জমজমাট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ট্রাইবেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে ৭-৬ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে বাঙ্গালহালিয়াসহ রাজস্থলী, কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের আমেজে।

ফাইনালে মুখোমুখি হয় খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ ও রাজস্থলী বাজার একাদশ। নির্ধারিত সময়ে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষের গোলপোস্টে একের পর এক আক্রমণ চালালেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে খেলা গড়ায় ট্রাইবেকারে। সেখানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ৭-৬ গোলে জয় পেয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ।

খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সাচিংমং মারমা ও মিজানুর রহমান প্রিন্সের যৌথ সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ২৯৯ আসনের এমপি প্রতিনিধি দিলদার হোসেন, রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এমপি প্রতিনিধি আবুল হাসেম মেম্বার, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞো মারমা, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু মিয়া, যুবদলের আহ্বায়ক শামীম আহম্মেদ রুবেল, সদস্য সচিব উজ্জ্বল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক জিকু কুমার দে, বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোনায়েদ হোসেন, সাদেক হোসেন ও সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ বলেন, “খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মাঠমুখী করতে এবং এলাকার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে সহায়ক হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দিলদার হোসেন বলেন, “আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিকে ধরে রেখে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশের জন্য নিয়মিত এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা প্রয়োজন।”

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখা এবং স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

খেলা শেষে অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ ও রানার্সআপ রাজস্থলী বাজার একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন। একই সঙ্গে আয়োজক ও অতিথিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, চট্টগ্রাম :

মাদকমুক্ত সমাজ, আমাদের অঙ্গীকার এই প্রত্যয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের লক্ষ্যে এক মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কমিউনিটি পুলিশ, বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো: মাসুদ আলম ( বিপিএম)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি পুলিশের উপদেষ্টা জহুরুল আলম জহুর।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করালগ্রাস থেকে রক্ষা করতে পরিবার থেকেই সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সমাবেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার, তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদকবিরোধী আইন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম,( বিপিএম) বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

 

তিনি মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর করতে সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে সন্তানদের চলাফেরা, সঙ্গ ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অভিভাবকদের আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি পুলিশের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ পরিবারের মধ্যে ঢেউটিন ও নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রামগড় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সহায়তা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী শামীম।

এ সময় প্রধান অতিথি,র বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করা জরুরি। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা, রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন।

এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে মধু পূর্ণিমা উদযাপন

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটি জেলায় রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যের পুরাতন কেন্দ্রীয় হেডম্যান পাড়া বৌদ্ধ বিহার ভাবগাম্ভীর্য মধ্যে দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মেরলম্বীদের মারমা সম্প্রদায়ের মধু পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে।

২৬ সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার দিনব্যাপী সকাল ৯ টা হতে শুরু দায়ক দায়িকারা সহ ছোট বড় নারী পুরুষ সহ নতুন পোষাক পরিধান নিজের ঐতিহ্য সংস্কৃতির থামি লুঙ্গি পড়ে হাতে টিফিন কেরি পানিও বিভিন্ন ফলফ্রুট নানা ধরনের মিষ্টি জাতীয় জিনিস নিয়ে দলবল নারী পুরুষ শিশুরাসহ বৌদ্ধ বিহারে যেতে দেখা গেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বিহার কমিটি সাবেক সভাপতি ঞোমং মারমা বিহার কমিটি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ক্যচিং মারমা বিহার কমিটি সম্পাদক মংসাথোয়াই মারমা মংচিং চৌধুরী, সাবেক সম্পাদক উচিংমং চৌধুরী প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি চাইথোয়াইমং মারমা আন্তজার্তিক মানবাধিকার এম্বাসেডর চেয়ারম্যান সহধর্মিণী ক্রানুবাই মারমা উষাবাই মারমা সাবেক প্রধান শিক্ষক মংহলাঅং মাষ্টার বৌদ্ধ বিহারে যুবক যুবতী প্রধানগণ পাড়া হতে আগত বৌদ্ধ ধর্মপ্রাণ দায়ক দায়িকারা উপাসক উপাসিকা ছোট বড় শিশু সহ নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

আজকে বৌদ্ধ পূর্ণিমা তিথিতে গৌতম বুদ্ধ অরণ্যের নিরব নিস্তব্ধ জঙ্গলে পাহাড় পর্বত ধ্যান সাধনায় করে, এরপর বিভিন্ন প্রাণী বন্য হাতিসহ বানর জঙ্গল হতে মধু আহরণ করে গৌতম বুদ্ধের কাছে মধু দান করেন। এর পর হতে পূণিমা তিথিতে বুদ্ধ ধর্মের লম্নীরা অনুসারী সারা বিশ্ব বৌদ্ধ জাতিরা মধু পূণিমা উদযাপন করি। দুপুরে বিহারে গৌতম বুদ্ধের কাছে পিন্ড দান পানীয় জলের দান, মিষ্টি জাতীয় দান মিশ্রিত জাতীয় ফলফ্রুট দান করেন। এর পর গৌতম বুদ্ধের বিশ্ব শান্তি কামনায় প্রদীপ জ্বলে পূজা করে পঞ্চশীল অষ্টশীল ছোট বড় শিশুরা সহসকল দায়ক দায়িকারা প্রার্থণা করি। দুপুরে সকলে মিলে ছোটরবড় শিশু নারী পুরুষ দায়িকারা আহার করে থাকে। বিহার প্রধান গুরু ভান্তে কে পিন্ড দানসহ টাকা পয়সা দান করতে দেখা যাচ্ছে।

বিহার অধ্যক্ষ ঞানাওয়াইসা মহাথের সকলে উদ্দেশ্য বুদ্ধের ত্রিপিটক জাতক পাঠ মধু পূর্ণিমা বিষয়ে কাহিনি তুলে ধরেন এবং ধর্মের আলোকপাত করেন। আজকের দিনে পূর্ণিমা তিথিতে মধু পূর্ণিমা শান্তি শৃঙ্খলা পরিবেশের উদযাপন করা হয়েছে বলে জানান। প্রতিবছরে ন্যায় এবছরে হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারসহ রাজস্থলী উপজেলাতে দুর দুরান্ত বিভিন্ন বিহারে এক সাথে ভাবগাম্ভীর্যের মধু পূর্ণিমা উদযাপিত করা হয়েছে বলে জানা যায়। শেষান্তে সব্বে স ত্তা সুখীতা হোন্ত জগতের সকল প্রাণী সুখী হউক।

×