| ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

পাকুয়াখালীসহ সকল বাঙালি গণহত্যার বিচার করতে হবে: পিসিসিপি

পাকুয়াখালীসহ সকল বাঙালি গণহত্যার বিচার করতে হবে: পিসিসিপি

 

লংগদু প্রতিনিধি :

রাঙ্গমাটির লংগদুতে ৯ সেপ্টেম্বর পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবসের স্মরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ পিসিসিপি  লংগদু উপজেলা শাখার উদ্যােগে শোক র‌্যালি দোয়া মোনাজাত ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে লংগদু উপজেলা সদরে শোক র‌্যালি করে প্রধান সড়ক ঘুরে এসে মাঠে পাকুয়াখালীতে নিহত গণকবরের সামনে দোয়া, মোনাজাত ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ পিসিসিপি লংগদু উপজেলার সহ-সভাপতি মোঃ মামুনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রচার সম্পাদক জাহিদ বিন খলিল, লংগদু সদর ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাসির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হৃদয়, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম মাইনী মুখ ইউনিয়ন সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম সহ উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ভুক্তভোগীর পরিবার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পিসিসিপি নেতৃবৃন্দ বলেন, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী সংগঠন জেএসএস’র সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনীর হাতে অসংখ্য বর্বরোচিত, নারকীয় ও পৈশাচিক হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে পাবর্ত্য অঞ্চলের বাঙালিরা। অসংখ্য ঘটনার মধ্যে আজ শনিবার পাবর্ত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে একটি নৃশংসতম বর্বর গণহত্যা দিন, পাকুয়াখালী ট্রাজেডি দিবস।

১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পিসিজেএসএস এর সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনী কর্তৃক রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে নিরীহ বাঙালি কাঠুরিয়াদের ওপর নির্মম নির্যাতনের পর হত্যাকান্ড চালিয়ে তাদের বীভৎস মানসিকতার এক জঘন্যতম জিংঘাসার স্বরূপ উন্মোচন করে। পাবর্ত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি নৃশংসতম বর্বর গণহত্যার দিন। এই দিনে ৩৫ জন নিরীহ বাঙালি কাঠুরিয়াকে নিমর্মভাবে হত্যা করেছিল শান্তি বাহিনী। তাদের ক্ষত-বিক্ষত, বিকৃত লাশের নির্মম দৃশ্য দেখে সেদিন শোকে ভারী হয়ে ওঠেছিল পরিবেশ। হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা-দিয়ে কুপিয়ে এবং বন্দুকের বেয়নেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নানাভাবে কষ্ট দিয়ে হত্যা করেছিল সেদিন অসহায় ওই মানুষগুলোকে। প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সেদিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে শান্তিবাহিনী।

বক্তারা বলেন, মানবাধিকার এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে পাবর্ত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যই পাকুয়াখালী গণহত্যাসহ পাহাড়ে সকল বাঙালি গণহত্যাকান্ডের তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন। অন্যথায় পাবর্ত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা কোনোদিনই সফল হবে না। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ও সম্প্রীতি রক্ষায় সশস্ত্র অবৈধ অস্ত্রধারী ও দেশদ্রোহী সন্ত্রাসী সংগঠন জেএসএস ও ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধ করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে গণহত্যার দায়ে খুনি সন্তু লারমা ও প্রসীত খীসা সহ তাদের সংগঠনের সকল সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগে চ্যাম্পিয়ন অর্জনে বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা

পাকুয়াখালীসহ সকল বাঙালি গণহত্যার বিচার করতে হবে: পিসিসিপি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে বিশেষ সংবর্ধনা দিয়েছে বিলাইছড়ি সেনা জোন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে ‘উদ্যমী উনত্রিশ, বিলাইছড়ি জোন, রাঙামাটি রিজিয়ন’-এর সৌজন্যে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন জোন কমান্ডার বিএ- ৭৭৭৩ লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী পিএসসি (অধিনায়ক, ২৯ বীর)।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জনকারী বিলাইছড়ি উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়াতে সেনা জোনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় জোনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, প্রথাগত নেতা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টে বিলাইছড়ি দলের সোহাগ বাবু মার্মা সেরা গোলদাতা, জনি মার্মা সেরা গোলকিপার এবং অজান্ত চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল। নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে রাঙামাটি সদরকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লেখায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। অংশ নেওয়া উপজেলাগুলো হলো— রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু।

শিক্ষার আলো ছড়াতে কাপ্তাইয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী উপহার দিল ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

পাকুয়াখালীসহ সকল বাঙালি গণহত্যার বিচার করতে হবে: পিসিসিপি

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কাপ্তাই ১১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের (১১ আর ই) উদ্যোগে স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে পাহাড়ি ও বাঙালি শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা, কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্সসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এসময় কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অর্জনের মাধ্যমেই সঠিক শিক্ষা অর্জন সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ অত্যন্ত আনন্দিত।

তারা জানান, এই ধরনের সহায়তা পিছিয়ে পড়া এলাকার কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

পাকুয়াখালীসহ সকল বাঙালি গণহত্যার বিচার করতে হবে: পিসিসিপি

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চৌমুহনী কলেজ রোডের বায়তুশ শরফ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম জাবেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন কার্যালয়টি বাঘাইছড়ির সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলী অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×