| ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রশংসায় ভাসছেন মন্ত্রি মীর হেলাল

৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রশংসায় ভাসছেন মন্ত্রি মীর হেলাল

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

১৮০ দিনে ৪৫০ প্রকল্পের মধ্যে ৩২৯টি সম্পন্ন, চলমান ৪৮। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকাতেও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিন বা ছয় মাসেই চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ আংশিক) সংসদীয় আসনে ৩২৯টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সড়ক, সেতু-কালভার্ট, খাল খনন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি, বিদ্যুৎ ও সেচব্যবস্থার পাশাপাশি মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দির-শ্মশানসহ ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোতে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।
১৮০ দিনে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেওয়া ৪৫০টি প্রকল্পের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩২৯টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর বাইরে সরকারি বরাদ্দে নেওয়া ২৭টি প্রকল্পের সবকটির কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। বর্তমানে আরও ৪৮টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পে গড় অগ্রগতি ৬৪ শতাংশ।

এলাকাবাসী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের উদ্যোগে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো এলাকায় সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জানান, সংসদীয় এলাকায় মসজিদ ও ঈদগাহে ৩৮টি, মাদ্রাসা ও হেফজখানায় ২৫টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। খাল ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হয়েছে ১৯টি প্রকল্প। সড়ক যোগাযোগ সহজ করতে নির্মাণ করা হয়েছে ১২টি সেতু ও কালভার্ট। পানি, বিদ্যুৎ ও সেচ খাতের ৪৮টি সরকারি প্রকল্পই শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে ভূমি ও সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে নেওয়া উদ্যোগগুলোরও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, উন্নয়ন কার্যক্রম শুধু চট্টগ্রাম-৫ আসনে সীমাবদ্ধ নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকাতেও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পানি সংকট নিরসনেও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ।

হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জাকের হোসেন বলেন, গত ছয় মাসে হাটহাজারীতে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা গত ১৭ বছরেও হয়নি। বিশেষ করে হাটহাজারী বাসস্টেশনে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের ফলে যানজট অনেকটাই কমেছে। বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার করায় জলাবদ্ধতাও এবার কমেছে বলে দাবি করেন তিনি।

জাকের হোসেন আরও বলেন, হাটহাজারীতে ৬০০ শয্যার একটি হাসপাতাল নির্মাণের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ক্রীড়া ব্যবস্থার উন্নয়নে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ১৮০ দিন সময়ের হিসেবে খুবই অল্প হলেও মানুষের প্রতি দায়িত্বের ভার অনেক বেশি। এই অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতি সৎ ও নিবেদিত থাকার চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করা হয়েছে। নির্বাচনী এলাকা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের কর্মপরিকল্পনার আওতায় নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম ধাপে ধাপে সমন্বিত ডাটাবেইসে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হবে। এর মাধ্যমে জনগণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, শতভাগ স্বয়ংক্রিয় ভূমিসেবা অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, নামজারি ফি জমা, খতিয়ান ও ডিসিআর প্রতিলিপি, সার্টিফায়েড কপি, মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ, খতিয়ান অনুসন্ধান ও যাচাইসহ বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ১৬১২২ হেল্পলাইন থেকেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
হাটহাজারী-রাঙামাটি মহাসড়কে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্মার্ট স্ট্রিট লাইট স্থাপনের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে হাটহাজারী পৌরসভায় ব্যাংক বুথ, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সহজ সেবাপ্রাপ্তির মাধ্যমে নাগরিকসেবা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় হাটহাজারীর বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভার ওয়ার্ড, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে ৩ লাখ ৬২ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া রাঙ্গামাটির আসামবস্তি এলাকায় বৃহৎ শ্মশান ঘাটে গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। রাজস্থলীর দুর্গম কুক্যাছড়ি খিয়াং পাড়ার দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হাটহাজারীর সরকারহাট বাজারসংলগ্ন মির্জাপুর মৌজায় আনুমানিক এক কোটি টাকা বাজারমূল্যের তিন শতক সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। আল মুহসিনাত বালিকা হিফজখানায় ছাত্রীদের বিদ্যুৎ ও লোডশেডিং জনিত দুর্ভোগ কমাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া বিলে কৃষকদের সেচ প্রকল্পের পাইপলাইন নির্মাণ, শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন, পশ্চিম চারিয়া কাজীপাড়া-সন্দ্বীপ কলোনি এলাকায় আনিস খালসংলগ্ন রাস্তা মেরামত এবং মেখল ইউনিয়নের হারিয়াননালা খাল পুনঃখনন।
এ ছাড়া বউ বাজার থেকে দশতলা পর্যন্ত নালা পরিষ্কার, ফটিকা কামালপাড়া থেকে সেনবাড়ি হয়ে দশতলার পেছনে নালা পরিষ্কার ও খাল খনন, মেখল ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেহ আলী কাঞ্চনবাড়ি সড়ক মেরামত, চৌধুরীহাট জিসি থেকে মদুনাঘাট পর্যন্ত দাতারাম চৌধুরী সড়ক সংস্কার, ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় সুন্দরী ছড়া পুনঃখনন এবং আবদুল গফুর তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদ ও ফতেয়াবাদ-রামদাশহাট-মদুনাঘাট সড়ক মেরামতের কাজও চলমান রয়েছে।

রামগড়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি’র মতবিনিময়

৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রশংসায় ভাসছেন মন্ত্রি মীর হেলাল

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রামগড় শিল্পী কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহসভাপতি হাফেজ আহমেদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুর রব রাজা, রামগড় পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত মোর্শেদ ভূঁইয়া মিঠু এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত উল্লাহসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

মতবিনিময় সভায় রামগড় উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। সভায় উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাইব্রেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ

৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রশংসায় ভাসছেন মন্ত্রি মীর হেলাল

আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

 

রাজস্থলী  (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে আয়োজিত ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর জমজমাট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ট্রাইবেকারে রাজস্থলী বাজার একাদশকে ৭-৬ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে বাঙ্গালহালিয়াসহ রাজস্থলী, কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের আমেজে।

ফাইনালে মুখোমুখি হয় খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ ও রাজস্থলী বাজার একাদশ। নির্ধারিত সময়ে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষের গোলপোস্টে একের পর এক আক্রমণ চালালেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে খেলা গড়ায় ট্রাইবেকারে। সেখানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ৭-৬ গোলে জয় পেয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ।

খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সাচিংমং মারমা ও মিজানুর রহমান প্রিন্সের যৌথ সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ২৯৯ আসনের এমপি প্রতিনিধি দিলদার হোসেন, রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এমপি প্রতিনিধি আবুল হাসেম মেম্বার, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞো মারমা, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু মিয়া, যুবদলের আহ্বায়ক শামীম আহম্মেদ রুবেল, সদস্য সচিব উজ্জ্বল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক জিকু কুমার দে, বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোনায়েদ হোসেন, সাদেক হোসেন ও সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ বলেন, “খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মাঠমুখী করতে এবং এলাকার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে সহায়ক হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দিলদার হোসেন বলেন, “আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিকে ধরে রেখে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশের জন্য নিয়মিত এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা প্রয়োজন।”

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখা এবং স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

খেলা শেষে অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন খন্ডকাটা কেএফসি একাদশ ও রানার্সআপ রাজস্থলী বাজার একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন। একই সঙ্গে আয়োজক ও অতিথিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

গোবিন্দগঞ্জে দুইটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক তিন

৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রশংসায় ভাসছেন মন্ত্রি মীর হেলাল

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ভারতে পাচারের প্রস্তুতিকালে দুটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে জয়পুরহাট ২০ ব্যাটালিয়ন বিজিবি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পালিয়ে গেছে আরও ৮-১০ জন।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সাখাহার ইউনিয়নের জিড়াই গ্রামের কোগারিয়া-জিড়াই পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, এনামুল হক (৫০), আলিপ হোসেন (২২) ও সরজিনা আক্তার (৩০)।

এ সময় তাদের ফেলে যাওয়া দুটি মূর্তি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি বিষ্ণু মূর্তি, যার ওজন ১৬ দশমিক ৮৭ কেজি ও মূল্য ১৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

অপরটি কষ্টিপাথর সদৃশ বস্তু, যার ওজন ১১৯ কেজি ও মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

বিজিবির দাবি, মূর্তি দুটি ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ২০ বিজিবির জেসিও-১০৯২৭ মোঃ সেকেন্দার আলী বাদী হয়ে আটক তিনজনসহ পলাতক ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক এজাহার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

×