| ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  উদ্ধোধনে ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে উড়িয়ে দিল ‘পারলে ঠেকাও একাদশ’

কাপ্তাইয়ে খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  উদ্ধোধনে ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে উড়িয়ে দিল ‘পারলে ঠেকাও একাদশ’

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটি কাপ্তাইয়ে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি উন্মুক্ত মিনিবার নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে কেপিএম আবাসিক এলাকার বাদশামাঝির ঘোনা মাঠ প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

বাদশামাঝির ঘোনা একতা যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ফুটবল প্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা: রহমত উল্ল্যাহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য উথোয়াই মং মারমা। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন আল মামুন। ​এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহীম হাবিব মিলু।

​উদ্বোধনী খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফিল্ড ওয়ারিয়র্স বনাম পারলে ঠেকাও একাদশ। খেলায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবল শৈলী প্রদর্শন করে আধিপত্য বিস্তার করে খেলে পারলে ঠেকাও একাদশ। নির্ধারিত ও চমৎকার খেলা শেষে তারা প্রতিপক্ষ ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে।

ম্যাচ জুড়ে অসাধারণ ও ঝলমলে নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য বিজয়ী দলের আব্দুর রহমান ম্যাচসেরা (সেরা খেলোয়াড়) নির্বাচিত হন। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুবসমাজ এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে টুর্নামেন্টের সাফল্য কামনা করেছেন।

গাইবান্ধায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ৪৮ ঘন্টা পর মরদেহ উদ্ধার

কাপ্তাইয়ে খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  উদ্ধোধনে ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে উড়িয়ে দিল ‘পারলে ঠেকাও একাদশ’

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে ঘাঘট নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার ৪৮ ঘন্টা পর নিয়ন হুদা (৪০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কাজলডোপ এলাকায় ঘাঘট নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে একই এলাকায় ঘাঘট নদীতে আরও তিনজনের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন নিয়ন। তার সঙ্গে থাকা তিনজন নিরাপদে তীরে ফিরে এলেও তিনি আর ফিরতে পারেননি। নিহত নিয়ন হুদা গাইবান্ধা শহরের পশ্চিমপাড়া এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়িতে এসে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) বড় ভায়রা মাকসুদের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান নিয়ন। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে আত্মীয়স্বজনসহ চারজন মিলে কাজলডোপ এলাকায় ঘাঘট নদীতে গোসল করতে নামেন। গোসলের একপর্যায়ে তিনজন নদীর তীরে উঠে এলেও নিয়ন পানিতে নিখোঁজ হন। পরে সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা তাকে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর তীরে ভিড় করেন। খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে রংপুরের ডুবুরি দলের সহায়তা চাওয়া হয়।

নিয়নের স্বজন মনিরুল হক সজিব জানান, দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়িতে এসে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন নিয়ন। সেখানে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন তিনি। তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগের মধ্যে ছিলেন। এদিকে নিখোঁজের তিন দিন পর শনিবার বিকেলে নদী থেকে নিয়নের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জীবিত ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকা পরিবারের সদস্যদের সেই আশা শেষ পর্যন্ত পূরণ হয়নি। তার মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গাইবান্ধা সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রিফাত আল মামুন বলেন, নিখোঁজের খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং উদ্ধার অভিযানের জন্য রংপুরের ডুবুরি দলের সঙ্গে নিয়নের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

​বোধিপুর বন বিহারে আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব

কাপ্তাইয়ে খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  উদ্ধোধনে ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে উড়িয়ে দিল ‘পারলে ঠেকাও একাদশ’

 

​নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসছে শুভ প্রবারণা পূর্ণিয়াযোগে ত্রৈমাসিক বর্ষাবাসের সমাপ্তি ঘটিয়ে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসবের অংশ হিসেবে পাহাড়ি অঞ্চলের অন্যান্য বনবিহারের ন্যায় এবারও বোধিপুর বন বিহারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব। আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. ৯ ও কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৫৭০ বুদ্ধাব্দে দুই দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য ধর্মীয় উৎসব উদযাপিত হবে।

​বৌদ্ধ ধর্মে কঠিন চীবর দানকে দানে শ্রেষ্ঠ, দানের রাজা এবং দানোত্তম হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। স্বয়ং বুদ্ধ কর্তৃক এই দানকে ‘দানশ্রেষ্ঠ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মিগার মাতা, মহোপাসিকা, মহাপুণ্যবতী বিশাখা কর্তৃক প্রবর্তিত এই দানের পুনর্জাগরণে পরম পূজ্য বনভন্তে পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিলেন। বনভান্তের বাণী—“ত্যাগই সুখ, ভোগই দুঃখ”—এই চেতনা ধারণ করেই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন সত্য, শুভ ও শান্তির অন্বেষণে এই ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নেন।

​দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানসূচি এবারের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

​২৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি., রবিবার (বিকাল ও রাত পর্ব)
​দুপুর ০২:০০ টায় বেইনকর্মী ও দায়ক-দায়িকাদের পঞ্চশীল গ্রহণ ও অষ্টপরিষ্কার দান উৎসর্গ করা হবে।
​দুপুর ০২:৩০ মিনিটে বেইন ঘরের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল ০৩:০০ টায় ঐতিহ্যবাহী চারকায় সুতা কাটা শুরু হবে।

​সন্ধ্যা ০৬:০০ টায় সুতা সিদ্ধ ও রং করা, রাত ০৭:০০ টায় সুতা শুকানো এবং রাত ০৭:৩০ মিনিটে নলী ভরা ও তুম করা হবে।

​রাত ১০:০০ টায় বেইন টানা শুরু এবং রাত ১০:৩০ মিনিটে বেইন বুনা শুরু হবে, যা একটানা পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে।

​২৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি., সোমবার (সকাল ও বিকাল পর্ব)
​সকাল ০৬:০০ টায় কঠিন চীবর সেলাই শুরু এবং ০৬:৩০ মিনিটে বুদ্ধ পতাকা উত্তোলন করা হবে।
​সকাল ০৬:৪৫ মিনিটে ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশ এবং ০৮:৩০ মিনিটে মঞ্চে আসন গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
​সকাল ০৯:০০ টায় ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন ও পঞ্চশীল গ্রহণ এবং ০৯:১৫ মিনিটে বুদ্ধ মূর্তি দান, অষ্টপরিষ্কার দান ও সংঘ দান উৎসর্গ করা হবে।

​সকাল ১০:০০ টায় অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র ভিক্ষুসংঘের বিশেষ ধর্মদেশনা এবং সকাল ১১:০০ টায় ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদান করা হবে।

​দুপুর ১২:০০ টায় অতিথিবৃন্দের ভোজন গ্রহণ, দুপুর ০১:১৫ মিনিটে পুণ্যার্থী ও অতিথিদের আসন গ্রহণ এবং ০১:৩০ মিনিটে ভিক্ষু সংঘের আসন গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
​দুপুর ০১:৪৫ মিনিটে উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন এবং দুপুর ০২:০০ টায় পঞ্চশীল গ্রহণ, কঠিন চীবর দান, কল্পতরু দান, ফানুস বাতি দান ও উৎসর্গ করা হবে।
​বিকাল ০২:৩০ মিনিটে বিশ্বশান্তি কামনায় ভিক্ষুসংঘের নিকট আশীর্বাদ প্রার্থনা, ০২:৪৫ মিনিটে স্বাগত বক্তব্য এবং ০৩:০০ টায় অতিথিবৃন্দের মূল্যবান বক্তব্য ও ভিক্ষুসংঘের ধর্মদেশনা অনুষ্ঠিত হবে।

​পরিশেষে সন্ধ্যা ০৬:০০ টায় প্রদীপ পূজা ও ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

​অনুষ্ঠানটি সর্বাঙ্গ সুন্দর, সফল ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বস্তরের বৌদ্ধ জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং কায়িক, বাচনিক, মানসিক ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন কঠিন চীবর দান উদযাপন কমিটি ২০২৬-এর সভাপতি ধন মনি চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক ফুটন্ত চাকমা।

হ্যাপি ইউনাইটেড নেশন ডে-২০২৬

কাপ্তাইয়ে খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  উদ্ধোধনে ফিল্ড ওয়ারিয়র্সকে উড়িয়ে দিল ‘পারলে ঠেকাও একাদশ’

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

জাতিসংঘ দিবস ২০২৬ শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে পালন করা হয়। এই দিনটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার বার্ষিকীকে চিহ্নিত করে, যা শান্তি, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতির প্রতিনিধিত্ব করে।

মূল হাইলাইট এবং থিম মূল ফোকাস: জাতিসংঘ দিবস বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতিকে তুলে ধরে।

পালনীয় : বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত ইভেন্টগুলির মধ্যে রয়েছে মডেল জাতিসংঘের অধিবেশন, পতাকা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক বিনিময়, প্যানেল আলোচনা এবং ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) এর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা শিক্ষামূলক উদ্যোগ।

জাতিসংঘ দিবস পালনের উপায় শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম: স্কুল এবং সম্প্রদায়গুলি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলিতে আন্তর্জাতিক খাদ্য উত্সব, ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রদর্শন এবং উপস্থাপনা আয়োজন করে।

মডেল ইউএন কনফারেন্স: ছাত্র এবং তরুণ প্রাপ্তবয়স্করা জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্র সংরক্ষণের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সমাধান অন্বেষণ করতে জাতিসংঘের বিতর্ক অনুকরণ করে।

শান্তি ও স্থায়িত্ব সচেতনতা: সম্প্রদায়ের ইভেন্টগুলি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলির প্রতি স্থানীয় অবদানগুলিকে তুলে ধরে।

×