| ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

আর মাত্র তিন দিন বাকি: কাপ্তাইজুড়ে ওয়াগ্যোয়াই উৎসবের আমেজ, রথ ও ফানুস তৈরিতে ব্যস্ত তরুণরা

আর মাত্র তিন দিন বাকি: কাপ্তাইজুড়ে ওয়াগ্যোয়াই উৎসবের আমেজ, রথ ও ফানুস তৈরিতে ব্যস্ত তরুণরা

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মারমা সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব ‘ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে’ বা প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বইছে আনন্দের হাওয়া। মারমা ভাষায় ‘ওয়াগ্যোয়াই’ অর্থ প্রবারণা পূর্ণিমা এবং ‘পোয়ে’ অর্থ উৎসব। উৎসবের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় বাড়ছে সাজসাজ রব। উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ময়ুর আকৃতি রথ যাত্রা ও আকাশ প্রদীপ বা ফানুস ওড়ানোকে কেন্দ্র করে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় তরুণরা।

কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন গ্রাম ও পল্লীতে চলছে ফানুস বানানোর চমৎকার কর্মযজ্ঞ। বাঁশের সরু কাঠি, রঙিন কাগজ ও আঠার নিপুণ ব্যবহারে তৈরি করা হচ্ছে নানা রঙের আকর্ষণীয় ফানুস, যা প্রবারণা পূর্ণিমার রাতে রাঙিয়ে তুলবে কাপ্তাইয়ের আকাশে।

পাশাপাশি ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজও চলছে জোরেশোরে। আগামী ২৫ অক্টোবর গ্রাম ও পল্লীর পাশাপাশি বৌদ্ধ বিহারগুলোতে তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে সারারাত ধরে ঐতিহ্যবাহী পিঠা বানানোর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তৈরি এসব পিঠা ভোরে বৌদ্ধ বিহারের ভান্তেদের (সংঘ) উদ্দেশে উৎসর্গ ও দান করা হবে। ​কাপ্তাইয়ের ঐতিহ্যবাহী চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার এই উৎসবের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। এখানে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘সত্য বুদ্ধ’ মূর্তি দেখতে উৎসবের দিনগুলোতে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে।​প্রবারণা পূর্ণিমার দিন প্রতিটি গ্রাম থেকে সর্বস্তরের মানুষ নেচে-গেয়ে, ঢাকঢোল বাজিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠবেন। শোভাযাত্রা সহকারে ‘কল্পতরু’ বা টাকার গাছ নিয়ে বিহারে যাওয়া হবে। ভান্তেদের উদ্দেশ্যে পিন্ডদান, ছোয়াং (খাদ্যসামগ্রী) ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দানের পর সন্ধ্যার আকাশে রঙিন ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে উৎসবের আমেজ চরমে পৌঁছাবে।​ তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে আগামী ২৭ অক্টোবর বর্ণাঢ্য রথযাত্রার মাধ্যমে। ওই দিন কাপ্তাই রাইখালী নারানগিরি বৌদ্ধ বিহার থেকে ময়ূরের আদলে তৈরি একটি দৃষ্টিনন্দন রথে গৌতম বুদ্ধের প্রতিমূর্তি বসিয়ে রথ টানা হবে। সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে রথটি হাপছড়ি প্রদক্ষিণ করে মাঝিপাড়ায় এসে শেষ হবে। এরপর ঐতিহ্যবাহী ময়ূর রথটি কর্ণফুলী নদীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মারমা সম্প্রদায়ের এই ঐতিহ্যবাহী ওয়াগ্যোয়াই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

এই বিষয়ে রাঙামাটি জেলা পরিষদে সদস্য ​উথোয়াই মং মারমা বলেন, “ওয়াগ্যোয়াই উৎসব আমাদের মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এই উৎসবের মাধ্যমে পাহাড়ে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হয়।” স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য মিনুপ্রু মারমা বলেন, “উৎসবকে ঘিরে ঘরে ঘরে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। এলাকার নারীরা পিঠা তৈরি ও ঘরবাড়ি সাজানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।”

স্থানীয় বাসিন্দা সাচিংউ মারমা বলেন, “প্রবারণা পূর্ণিমা আমাদের জীবনে অনাবিল শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আমরা এবারও উৎসবটি উদযাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।”​বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে এই পূর্ণিমা উদযাপিত হয়। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, এই পূর্ণিমা পালনের মাধ্যমে ভিক্ষু ও গৃহীদের পাপমোচন হয়।​এবছরের প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—​মঙ্গল শোভাযাত্রা ও ময়ূর আকৃতির বিশাল রথযাত্রা আকাশ প্রদীপ বা ফানুস ওড়ানো হাজার প্রদীপ প্রজ্বলন ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব ও ভোরে বুদ্ধকে পিঠা দান ​পঞ্চশীল গ্রহণ, বুদ্ধপূজা, সংঘদান ও পিন্ডদান।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম

সড়ক ও নৌ পথ দুর্ঘটনা এড়াতে রাঙামাটিতে নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশন-এর সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও পথসভা

আর মাত্র তিন দিন বাকি: কাপ্তাইজুড়ে ওয়াগ্যোয়াই উৎসবের আমেজ, রথ ও ফানুস তৈরিতে ব্যস্ত তরুণরা

 

এমএস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

​রাঙামাটি জেলার সড়ক ও নৌ পথের দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বসাধারণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করেছে ‘নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশন’।

​ বুধবার (২১ অক্টোবর)২৬ খ্রিঃ দুপুরে জেলা শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট-রিজার্ভ বাজার সিএনজি স্টেশন, লঞ্চঘাট এবং পাহাড়িকা বাস কাউন্টারের সামনে পথসভা ও চালক-যাত্রীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

​কর্মসূচিতে ট্রাফিক আইন ও নৌ আইন মেনে চলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে চালকদের সঠিকভাবে ট্রাফিক নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে হবে এবং কোনোভাবেই ফিটনেসবিহীন যানবাহন সড়কে নামানো যাবে না।
পাশাপাশি নৌ পথের দুর্ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন থেকে বিরত থাকা, যাত্রীদের জন্য লাইফ জ্যাকেট নিশ্চিত করা এবং নৌ আইন কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য চালক ও মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪০ পিএম

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

আর মাত্র তিন দিন বাকি: কাপ্তাইজুড়ে ওয়াগ্যোয়াই উৎসবের আমেজ, রথ ও ফানুস তৈরিতে ব্যস্ত তরুণরা

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক মহাসমারোহ। এই উৎসবকে ঘিরে রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবীব আজম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)২৬ খ্রিঃ সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিবেশ, পূজার আয়োজন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজার আয়োজক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শন করা মণ্ডপগুলোর মধ্যে ছিল রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় তবলছড়ি বাজার শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দির, রিজার্ভ বাজার শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দির, তবলছড়ি স্বর্ণটিলা শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির, বনরূপা কাঠালতলী শ্রী শ্রী দুর্গা মাতৃমন্দির, আসামবস্তি শ্রী শ্রী শীতলা মন্দির এবং বনরূপা হ্যাপির মোড় জগদ্ধাত্রী মাতৃমন্দিরসহ শহরের আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি ও শিক্ষক অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী, ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি রাঙ্গামাটি জেলার যুগ্ন সম্পাদক নজরুল ইসলাম চাঁন মিঞা, পিসিসিপি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, জেলা শাখার ছাত্রনেতা মো. অন্তর, দীপ দাশ ও সাকিবুল ইসলাম। এ ছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত বড়ুয়া, মোহাম্মদ রবি হোসেন ও মোহাম্মদ শাকিলসহ অন্যান্যরা।

পরিদর্শনকালে হাবীব আজম বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা আমাদের সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে মিলেমিশে উৎসব উদ্‌যাপন করতে হবে। রাঙ্গামাটির দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, উৎসবের আনন্দ যেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সে জন্য সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনীর টহল দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

সদর উপজেলার দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা বিজয়া দশমীর দিন কাপ্তাই হ্রদে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এদিন শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে এসে কাপ্তাই হ্রদে বিসর্জন দেওয়া হবে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম

বিলাইছড়িতে রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা

আর মাত্র তিন দিন বাকি: কাপ্তাইজুড়ে ওয়াগ্যোয়াই উৎসবের আমেজ, রথ ও ফানুস তৈরিতে ব্যস্ত তরুণরা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য নৌ র‍্যালি ও রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলার একটি পূজামণ্ডপের প্রতিমা রাইংখ্যং নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় ঢাকঢোলের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও শত শত ভক্তের জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে নদীর তীর। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে নদীর তীরে ভিড় করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি অশ্রুসিক্ত নয়নে দেবীকে বিদায় জানান তাঁরা।

দুর্গোৎসবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে মিলেমিশে অংশগ্রহণ করেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির বন্ধনে বিলাইছড়িতেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করেন।

উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সৈকত দাশ রুবেলের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কেরণছড়ি, কেংড়াছড়ি, আমতলী, কুতুবদিয়া ও ধূপ্যাচরসহ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করা হয়। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

উৎসবকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

×