| ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

চাইথোয়াইমং, মারমা বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়াতে মাত্র ২১ বছর বয়স। এই বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের, পরিবারকে নিয়ে সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ হিপ জয়েন্টের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে রাঙামাটি রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ম্রুংদ্রং পাড়ার বাসিন্দা টুম্পা দাশের। ২০২৫ সাল থেকে দুরারোগ্য এই ব্যাধিতে ভুগছেন তিনি।

দিন যত যাচ্ছে, ততই অবনতি হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থার। বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা তো দূরের কথা, নিজের দৈনন্দিন কাজও অন্যের সাহায্য ছাড়া করতে পারছেন না। এই অসহায় পরিস্থিতিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে তাঁর মাত্র সাত মাস বয়সী কন্যাসন্তান। মাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর সময়টি উপভোগ করার পরিবর্তে অসহ্য ব্যথা আর শারীরিক অক্ষমতার সঙ্গে লড়াই করছেন টুম্পা। নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া, আদর করা কিংবা ঠিকমতো যত্ন নেওয়ার মতো সাধারণ কাজও তাঁর কাছে আজ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন মায়ের এই অসহায়ত্ব পরিবার ও স্বজনদেরও গভীরভাবে কাঁদিয়ে তুলছে পুরো পরিবারর্বগ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থতার শুরুতে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারটির নেই। সীমিত আয়ের এই পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে যা ছিল তা ব্যয় করেছে। এখন অর্থের অভাবে কার্যত চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে টুম্পা দাশ সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে সমাজের মানবিক মানুষের সহায়তার উপর।

টুম্পা দাশ বলেন, আমি ২০২৫ সাল থেকে এই রোগে ভুগছি। প্রতিদিন অসহ্য ব্যথা নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। ঠিকভাবে হাঁটতে পারি না, নিজের কাজ নিজে করতে পারি না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে আমার সাত মাসের ছোট মেয়েটার দিকে তাকালে। ওকে কোলে নিতে চাই, আদর করতে চাই, কিন্তু শরীর সায় দেয় না। একজন মা হয়ে নিজের সন্তানকে ঠিকভাবে যত্ন নিতে না পারার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের পরিবারের সেই সামর্থ্য নেই। তাই দেশ-বিদেশের সকল হৃদয়বান মানুষ, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনের কাছে আমার বিনীত আবেদন—আপনারা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি সুস্থ হয়ে আমার ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চাই। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, টুম্পা দাশ একজন সংগ্রামী তরুণী। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। একজন মায়ের সুস্থতা মানে শুধু একটি জীবনকে বাঁচানো নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি নিষ্পাপ ফুটফুটে সাত মাসের শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকার । তাই টুম্পা দাশের চিকিৎসায় সমাজের সকলের মানবিক সহযোগিতা এখন হাত বাড়ানোর বিনয়ের সাথে সময়ের দাবি।

সহযোগিতার জন্য      নগদ: 01839797511   —-     বিকাশ: 01606195733 ——-   রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ: 01885838659

টুম্পা দাশের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে আনতে এবং সাত মাসের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন, আমরা সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার সামান্য অনুদানও হতে পারে একজন অসহায় মায়ের নতুন জীবনের ফিরে আশার আলো স্বপ্ন দেখছে পুরো পরিবার।

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগে চ্যাম্পিয়ন অর্জনে বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে বিশেষ সংবর্ধনা দিয়েছে বিলাইছড়ি সেনা জোন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে ‘উদ্যমী উনত্রিশ, বিলাইছড়ি জোন, রাঙামাটি রিজিয়ন’-এর সৌজন্যে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন জোন কমান্ডার বিএ- ৭৭৭৩ লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী পিএসসি (অধিনায়ক, ২৯ বীর)।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জনকারী বিলাইছড়ি উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়াতে সেনা জোনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় জোনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, প্রথাগত নেতা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টে বিলাইছড়ি দলের সোহাগ বাবু মার্মা সেরা গোলদাতা, জনি মার্মা সেরা গোলকিপার এবং অজান্ত চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল। নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে রাঙামাটি সদরকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লেখায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। অংশ নেওয়া উপজেলাগুলো হলো— রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু।

শিক্ষার আলো ছড়াতে কাপ্তাইয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী উপহার দিল ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কাপ্তাই ১১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের (১১ আর ই) উদ্যোগে স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে পাহাড়ি ও বাঙালি শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা, কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্সসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এসময় কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অর্জনের মাধ্যমেই সঠিক শিক্ষা অর্জন সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ অত্যন্ত আনন্দিত।

তারা জানান, এই ধরনের সহায়তা পিছিয়ে পড়া এলাকার কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চৌমুহনী কলেজ রোডের বায়তুশ শরফ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম জাবেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন কার্যালয়টি বাঘাইছড়ির সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলী অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×