| ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান, নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান, নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ

ঝিনাইগাতির পূর্ব গজারীকুড়ায় হামলার পর সম্প্রীতি মিটিং

 

প্রিন্স এডওয়ার্ড মাংসাং,
বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার পূর্ব গজারীকুড়া গ্রামে আদিবাসীদের ওপর সংঘটিত হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনতে এক গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রীতি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মিটিংয়ে ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (টিডব্লিউএ), ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশ, বাগাছাসসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় আদিবাসী ও বাঙালি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং ঝিনাইগাতি থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের দায় কোনোভাবেই একটি সম্পূর্ণ সম্প্রদায়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। ব্যক্তির অপরাধের দায় ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানি, ভয়ভীতি বা অযাচিত গ্রেফতারের শিকার না হন, সেদিকেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

মিটিংয়ে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার অনুরোধ জানান। উত্তেজনা কিংবা প্রতিশোধের পথ পরিহার করে আইন ও প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, যেকোনো বিরোধ বা অভিযোগের ন্যায়সংগত সমাধান আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।

বিশেষ করে হামলার পর যেসব পরিবারের গরু, ছাগল ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে তাদের হারানো সম্পদ ফিরে পায় এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

সভায় আরও বলা হয়, একটি এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, সামাজিক সংগঠন এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সংলাপের মাধ্যমে যেকোনো সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

বক্তারা মনে করেন, ঝিনাইগাতির পূর্ব গজারীকুড়ার মতো এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মানুষ পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন। তাই কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অবিশ্বাস, বিভাজন কিংবা শত্রুতা তৈরি হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো এলাকার মানুষ। ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত সংলাপ ও পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এসময় শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

সম্প্রীতি মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের ভিকার জেনারেল মুন্সিনিয়র ফাদার শিমন হাচ্ছা, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (টিডব্লিউএ) কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত অরণ্য ই. চিরান, ঝিনাইগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নূর মোহাম্মদ, ফাদার উইলসন জাম্বিল, সেক্রেটারি জেনারেল যোহন সাংমা, ফাদার বিজন কুবি, ফাদার অশেষ দিও, ফাদার লরেন্স রোজারিও, ফাদার তরুণ বনোয়ারী, সিস্টার নিশা ঘাগ্রা, টিডব্লিউএ শেরপুর সদর চেয়ারম্যান ডেনিশন দুলাল মারাক, ঝিনাইগাতি উপজেলা চেয়ারম্যান মি. নবেশ খক্সী, শ্রীবরদী উপজেলা চেয়ারম্যান মি. লেবানুস ম্রং, অ্যাডভোকেট দীনেশ দারু, মি. প্রদীপ রুরাম এবং বাগাছাস কেন্দ্রীয় সভাপতি মি. অনিক রেমাসহ বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও আদিবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মিটিংয়ের মূল বার্তা ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট—অপরাধীর বিচার হবে আইনের মাধ্যমে, কিন্তু কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন। ক্ষতিগ্রস্তদের সম্পদ ফেরত দিতে হবে এবং আদিবাসী-বাঙালি সবাইকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করবে, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনবে এবং লুট হওয়া সম্পদ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে পূর্ব গজারীকুড়ায় আবারও আস্থা, নিরাপত্তা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির পরিবেশ ফিরে আসবে—এমন প্রত্যাশাই সবার।

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগে চ্যাম্পিয়ন অর্জনে বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান, নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে বিশেষ সংবর্ধনা দিয়েছে বিলাইছড়ি সেনা জোন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে ‘উদ্যমী উনত্রিশ, বিলাইছড়ি জোন, রাঙামাটি রিজিয়ন’-এর সৌজন্যে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন জোন কমান্ডার বিএ- ৭৭৭৩ লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী পিএসসি (অধিনায়ক, ২৯ বীর)।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জনকারী বিলাইছড়ি উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়াতে সেনা জোনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় জোনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, প্রথাগত নেতা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টে বিলাইছড়ি দলের সোহাগ বাবু মার্মা সেরা গোলদাতা, জনি মার্মা সেরা গোলকিপার এবং অজান্ত চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল। নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে রাঙামাটি সদরকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লেখায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। অংশ নেওয়া উপজেলাগুলো হলো— রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু।

শিক্ষার আলো ছড়াতে কাপ্তাইয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী উপহার দিল ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান, নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কাপ্তাই ১১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের (১১ আর ই) উদ্যোগে স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে পাহাড়ি ও বাঙালি শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা, কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্সসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এসময় কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অর্জনের মাধ্যমেই সঠিক শিক্ষা অর্জন সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ অত্যন্ত আনন্দিত।

তারা জানান, এই ধরনের সহায়তা পিছিয়ে পড়া এলাকার কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান, নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চৌমুহনী কলেজ রোডের বায়তুশ শরফ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম জাবেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন কার্যালয়টি বাঘাইছড়ির সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলী অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×