সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

থানচির বাকলাই পাড়ায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
17 বার পড়া হয়েছে
থানচির বাকলাই পাড়ায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্প

 

উশৈনু মারমা; থানচি সংবাদদাতা:

পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, চিকিৎসা সহায়তা এবং মানবিক উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম বাকলাইপাড়া এলাকায় স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করেছে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

জানা গেছে, গত ০৭ মে ২০২৬ তারিখে জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন এবং কমান্ডার, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড থানচি উপজেলার আওতাধীন বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

এ সময় তারা স্থানীয় পাড়াবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান, চিকিৎসা সংকট, শিক্ষা সমস্যা ও নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন চাহিদার কথা শোনেন। স্থানীয় জনগণের এসব সমস্যার কথা বিবেচনায় নিয়ে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আওতাধীন বাকলাই পাড়া সাবজোন কর্তৃপক্ষ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম হাতে নেয়।

গত শনিবার (২৪ মে) বাকলাই পাড়া সেনা সাবজোন ক্যাম্পে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্প ও উন্নয়ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কার্যক্রমে বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন ১০টি পাড়ার সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল সোলার প্যানেল, সোলার ব্যাটারি, ১৫০টি চেয়ার, একটি সাউন্ড বক্স, দুটি ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন পানির ট্যাংক এবং স্থানীয় গির্জা ঘর ও কিয়াং (প্যাগোডা) ঘরের জন্য ১৮ বান টিন। এসব সামগ্রী পেয়ে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মাঝে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

একই সঙ্গে স্থানীয়দের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ করা হয়। সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল টিম দিনব্যাপী শিশু, নারী ও বয়স্ক রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা এ মেডিক্যাল ক্যাম্পকে অত্যন্ত উপকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এছাড়াও মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে প্রাতা পাড়ার( মৃত) রনি বমের ছেলে রোয়াল থান লিয়ান বম (পাথান বম)-এর চিকিৎসার জন্য আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বাশিরাম পাড়ার ভক্তিরানি ত্রিপুরাকে শিক্ষা সহায়তা এবং শেরকর পাড়ার কারবারি তুমথম বমকে চিকিৎসা সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়।

স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রাতা পাড়ার কারবারি পারকেলিং বম বলেন, “সেনাবাহিনী আছে বলেই আমরা পাহাড়ে নিরাপদে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারছি। তারা সবসময় আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিল, এখনও রয়েছে।”

বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার জানান, পার্বত্যাঞ্চলের বম জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা এবং খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের মতো ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে। পাশাপাশি তিনি সবাইকে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, মমতা ও ভ্রাতৃত্বের যে বন্ধন গড়ে উঠেছে, বাকলাইপাড়ার এ আয়োজন তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দুর্গম পাহাড়ে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ত্রিপুরা শিশুকে ধর্ষণের প্রতিবাদে থানচিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
থানচির বাকলাই পাড়ায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্প

উশৈনু মারমা; থানচি সংবাদদাতা:

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় পাঁচ বছর বয়সী এক ত্রিপুরা শিশুকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে স্থানীয় যুব ও ছাত্র সমাজের উদ্যোগে থানচি বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি থানচি বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পাহাড়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি নির্যাতিত শিশুর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।

বক্তারা আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা সমাজে আরও বাড়তে পারে।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষণ ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

বাঙ্গালহালিয়াতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সরকারী অনুমোদহীন আইসক্রিম উৎপাদন চলছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ৪:২০ পিএম
থানচির বাকলাই পাড়ায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্প

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া বাজারের নিকষ্ট  রাইস মিলের পাশে ও পুরাতন সিনেমা হলের বান্দরবান সড়ক ব্রিজ সংলগ্ন অবস্থিত একটি কারখানায় সরকারি অনুমোদনহীন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগ উঠেছে।

আজ সোমবার (২৫ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঐ কারখানা দুই টির নেই কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন লাইসেন্স নেই। ২টি আইসক্রিম কারখানায় অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি (বিএফএসএ) নিবন্ধন, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র অনুমতিই গ্রহণ করেনি। এছাড়া কারখানা গুলো তে  অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আইসক্রিম তৈরির কাজে ব্যবহৃত ট্রেজং ধরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না, আইসক্রিমে মিশানো হচ্ছে স্যাকারিন। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্থানীয় সরকারী প্রশাসন-কে তোয়াক্কা না করে র্দীঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে সরকারী লাইসেন্সবিহীন ভাবে আইসক্রিম উৎপাদন চলছে, যা সরকারী নিয়মের আইনের পরিপন্থী এবং সরকারী রাজস্ব কর আয় হতে বঞ্চিত বলে জানা যায়।

একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, আইসক্রিম উৎপাদনে স্যাকারিনসহ বিভিন্ন কাপড়ের রং পয়জন মিশিয়ে বিভিন্ন কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যের মানব দেহের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। আইসক্রিম একটি দুগ্ধজাত খাদ্য হওয়ায় এর মান নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার।

স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, কারখানা গুলো দীর্ঘদিন ধরে আইসক্রিম তৈরি করছে এর আগে ওখানে জরিমানা করেছে। ওনাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উনারা আইসক্রিম তৈরি করছেন যা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর। এসব আইসক্রিম খেলে ছোট বড় সকলে বড় ধরনের ভয়ংকর রোগ মানবদেহের সৃষ্টি হতে পারে।

স্থানীয় চানুপ্রু মারমা জানান, পুরোপুরি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে আইসক্রিম। এ কারখানার আইসক্রিম রাজস্থলী  উপজেলার, নাক্যছড়া, গবাছড়া, খাগড়াছড়ি, কদুমছড়া ১০ মাইল, ইসলামপুর, শফিপুর, রাজস্থলী বাজারে বিক্রি করা হয়। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এ কারখানায় রং স্যাকারিন সহ বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করে আইসক্রিম তৈরি করা হয়।

কারখানার মালিক সুনিল বাবু জানান, বর্তমানে তার কাছে সব ধরনের অনুমোদনপত্র নেই। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট সংগ্রহ করবেন। তবে আইসক্রিমে স্যাকারিন ব্যবহারের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. নওশাদ খান বলেন, আইসক্রিমে স্যাকারিন বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হলে তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমন খাবার শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি আরো বলেন , অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা আগেও এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে গণমাধ্যম কে জানান।

একই পরিবারে ক্যান্সার ও প্যারালাইসিসের থাবা: অসহায় তঞ্চঙ্গ্যা পরিবারের পাশে ‘পজেটিভ কাপ্তাই’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ৩:১৪ পিএম
থানচির বাকলাই পাড়ায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্প

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই :

নিয়তির নির্মম পরিহাস যেন একই সাথে এসে ভর করেছে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের উত্তর দেবতাছড়ি এলাকার এক হতদরিদ্র তঞ্চঙ্গ্যা পরিবারে। একদিকে বৃদ্ধ বাবার শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ক্যান্সার, অন্যদিকে হঠাৎ করেই ঘরের লক্ষ্মী, স্ত্রীর শরীর অবশ করে দিয়েছে প্যারালাইসিস। একই পরিবারে দুই গুরুত অসুস্থ সদস্যকে নিয়ে অথৈ সাগরে পড়েছেন দিনমজুর ইতিস তঞ্চঙ্গ্যা। জীবনের এমন চরম দুর্যোগে এই অসহায় পরিবারটির পাশে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে কাপ্তাইয়ের সুপরিচিত সামাজিক সংগঠন ‘পজেটিভ কাপ্তাই’।

​সম্প্রতি সংগঠনটির উদ্যোগে কাপ্তাইয়ের একদল মানবিক মানুষ উত্তর দেবতাছড়ি এলাকার ওই অসহায় পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা এবং এক মাসের সম্পূর্ণ খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন।

​”মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য— এই নীতিকে বুকে ধারণ করেই আমরা এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র চেষ্টা করেছি।”

অসহায় পরিবারটির কর্তা ইতিস তঞ্চঙ্গ্যা অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানান, তাঁর ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাবা অনিল তঞ্চঙ্গ্যা দীর্ঘদিন ধরে মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. ফাহামিদা আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতিসকে তাঁর জীবনের সব সহায়-সম্পত্তি, শেষ সম্বলটুকুও বিক্রি করে দিতে হয়েছে। বাবার চিকিৎসা যখন একটু সুফলের দিকে, ঠিক তখনই পরিবারটিতে নেমে আসে আরেকটি বজ্রপাত। হঠাৎ করেই ইতিসের স্ত্রী সান্তনা তঞ্চঙ্গ্যা (৪৩) প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে যান।

একদিকে বাবার কেমোথেরাপি আর ওষুধের খরচ, অন্যদিকে স্ত্রীর প্যারালাইসিসের চিকিৎসা— দুয়ে মিলে সংসার চালানো ও চিকিৎসার খরচ জোগাতে সম্পূর্ণ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ইতিস।এই অসহায়ত্বের খবর পেয়ে বসে থাকতে পারেননি ‘পজেটিভ কাপ্তাই’ সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক চৌধুরী মুহাম্মদ রিপন, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রিপন মারমা এবং উপদেষ্টা অংসাচিং মারমা তাঁদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই মানবিক সহায়তা নিয়ে ছুটে যান দুর্গত পরিবারটির কাছে। সহায়তা হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ব্যাংকার এ্যানি মং মারমা, ধনা তঞ্চঙ্গ্যাসহ ইতিস তঞ্চঙ্গ্যার পরিবারের সদস্যরা।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রিপন মারমা বলেন,​ “পরিবারটি বর্তমানে যে চরম কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। তবে তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসা জরুরি।”বর্তমানে অনিল তঞ্চঙ্গ্যা ও সান্তনা তঞ্চঙ্গ্যার চিকিৎসা ব্যয় এবং দৈনন্দিন সংসার খরচ চালানো তার পক্ষে একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টাকার অভাবে বন্ধ হতে চলেছে তাঁদের নিয়মিত চিকিৎসা। তাই সমাজের দানশীল, বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছে পরিবারটি। আপনার সামান্য ভালোবাসার হাত হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে অনিল ও সান্তনা তঞ্চঙ্গ্যার সুস্থ জীবন।

সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগ:

📞 মোবাইল (যোগাযোগ): 01883-416662

📲 নগদ (আর্থিক সহায়তার জন্য): 01334-680659

×