বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:৪৯ এএম
4 বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

রাঙ্গামাটি জেলায় নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনে’র
উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অর্গানিক কম্পোস্ট সার প্রস্তুতকরণ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৬জুন)২৬ খ্রিঃ সকাল ১০ঃ৩০ মি‌নি‌টের সময় শুরু হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, (পিএসসি) এছাড়াও, জোনের উপ-অধিনায়ক, এ্যাডজুটেন্ট, কৃষি কর্মকর্তা, বন বিভাগ কর্মকর্তা, স্থানীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, নানিয়ারচর থানা প্রতিনিধি সহ নানিয়ারচর বাজার কমিটির সভাপতি, সাংবাদিকবৃন্দ, গ্রাম পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্যবৃন্দ এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপনের গুরুত্ব, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যের যথাযথ ব্যবস্থাপনা, জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা এবং পরিবেশবান্ধব কর্মকান্ডে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের অংশগহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রধান অতিথি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এছাড়াও, সভায় গৃহস্থালি ও কৃষিজ বর্জ্য ব্যবহার করে অর্গানিক কম্পোস্ট সার তৈরির পদ্ধতি, এর পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক উপকারিতা এবং কৃষিক্ষেত্রে জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীদেরকে জৈব সার উৎপাদণের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ হ্রাস, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

সভায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জৈব সার উৎপাদনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। একইসঙ্গে নানিয়ারচর উপজেলাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

নানিয়ারচর সেনা জোন ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার :

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী (ক্লার্ক) সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন (২০২৬-২০২৭) উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও একমাত্র কোষাধ্যক্ষ পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ভোটে রনজিৎ দাশকে পরাজিত করে কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন অমল দত্ত।​ এর আগে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, অধিকাংশ পদে একক প্রার্থী থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। নবনির্বাচিত কমিটির শীর্ষ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন— সভাপতি পদে সুধীর কান্তি মজুমদার, সহ-সভাপতি পদে মোঃ কামাল পাশা ও মোঃ রহমত আলী, সাধারণ সম্পাদক পদে উজ্জল কান্তি দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হারুনুর রশিদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান (রনি)। ​

এছাড়াও অন্যান্য পদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ নুর আলম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোঃ ইউসুফ হোসেন, মোঃ রাজীব সহ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।​ এবারের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার দে।

নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন রনজিৎ দাশ মানিক এবং জ্যোতি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। ​এদিকে নির্বাচন শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ভোটার ও সাধারণ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তারা সমিতির সার্বিক উন্নয়ন, সদস্যদের কল্যাণ সাধন এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় আগামী মেয়াদে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে বাঘাইছড়ির পাহাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎পরিবেশ সংরক্ষণ, ভূমিক্ষয় রোধ এবং পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ‎

‎বুধবার (১৭ জুন) সকালে ৩৫নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে সাজেক ও রুপকারী ইউনিয়নেও এ বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালিত হবে। ‎২৪ পদাতিক ডিভিশন ও ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে বছরব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় তিন লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়। ‎‎বৃক্ষরোপণ অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

‎এ সময় বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণ ভূমিধস প্রতিরোধ, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

‎তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে। ‎কর্মসূচির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়— “একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ হোক বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান।” ‎

‎সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ‎

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায় ঘোষনা আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম
রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন)২৬খ্রি: চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত শনিবার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে অপহরণ করে এবং পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ফেলে দেয়।

ঘটনার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, শিশুটির জুতা এবং বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। ডিএনএ পরীক্ষাতেও আবীরের বাসায় পাওয়া রক্তের নমুনার সঙ্গে আয়াতের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় সাড়ে তিন বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। অন্যদিকে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন)২৬ খ্রিঃ চট্টগ্রাম মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন (৩০) ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় বসবাস করতেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তারা আদালতে দাবি করেছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২১ মে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি গুদামঘরে চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে শিশুর পরিবার মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে।
তদন্ত শেষে ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ৯ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে অভিযুক্তকে নিরাপত্তার মধ্যে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

আলোচিত দুই ঘটনায় আদালতের কার্যক্রম ও রায়কে ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

×