বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
0 বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

 

স্টাফ রিপোর্টার :

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী (ক্লার্ক) সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন (২০২৬-২০২৭) উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও একমাত্র কোষাধ্যক্ষ পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ভোটে রনজিৎ দাশকে পরাজিত করে কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন অমল দত্ত।​ এর আগে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, অধিকাংশ পদে একক প্রার্থী থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। নবনির্বাচিত কমিটির শীর্ষ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন— সভাপতি পদে সুধীর কান্তি মজুমদার, সহ-সভাপতি পদে মোঃ কামাল পাশা ও মোঃ রহমত আলী, সাধারণ সম্পাদক পদে উজ্জল কান্তি দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হারুনুর রশিদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান (রনি)। ​

এছাড়াও অন্যান্য পদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ নুর আলম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোঃ ইউসুফ হোসেন, মোঃ রাজীব সহ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।​ এবারের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার দে।

নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন রনজিৎ দাশ মানিক এবং জ্যোতি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। ​এদিকে নির্বাচন শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ভোটার ও সাধারণ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তারা সমিতির সার্বিক উন্নয়ন, সদস্যদের কল্যাণ সাধন এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় আগামী মেয়াদে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে বাঘাইছড়ির পাহাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎পরিবেশ সংরক্ষণ, ভূমিক্ষয় রোধ এবং পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ‎

‎বুধবার (১৭ জুন) সকালে ৩৫নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে সাজেক ও রুপকারী ইউনিয়নেও এ বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালিত হবে। ‎২৪ পদাতিক ডিভিশন ও ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে বছরব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় তিন লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়। ‎‎বৃক্ষরোপণ অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

‎এ সময় বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণ ভূমিধস প্রতিরোধ, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

‎তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে। ‎কর্মসূচির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়— “একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ হোক বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান।” ‎

‎সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ‎

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায় ঘোষনা আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম
রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন)২৬খ্রি: চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত শনিবার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে অপহরণ করে এবং পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ফেলে দেয়।

ঘটনার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, শিশুটির জুতা এবং বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। ডিএনএ পরীক্ষাতেও আবীরের বাসায় পাওয়া রক্তের নমুনার সঙ্গে আয়াতের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় সাড়ে তিন বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। অন্যদিকে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন)২৬ খ্রিঃ চট্টগ্রাম মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন (৩০) ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় বসবাস করতেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তারা আদালতে দাবি করেছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২১ মে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি গুদামঘরে চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে শিশুর পরিবার মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে।
তদন্ত শেষে ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ৯ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে অভিযুক্তকে নিরাপত্তার মধ্যে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

আলোচিত দুই ঘটনায় আদালতের কার্যক্রম ও রায়কে ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

রামগড়ে ৪৫৬ পরিবার পেলো ফ্যামিলি কার্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:০২ পিএম
রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি :

বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙিকার “ব্যক্তি নয়-পরিবারই উন্নয়নের মূল একক” এই প্রতিপাদ্য,কে সামনে রেখে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে ৪৫৬ টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে “ফ্যামিলি কার্ড” বিতরণ ও জেলার ১ম ধাপের কার্যক্রম উদ্ভোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) সদর ইউনিয়নের লামকু পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে -সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের (ভার্চুয়াল) উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি।

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে সহায়তা দিতে চালু করা হয়েছে এ “ফ্যামিলি কার্ড” কর্মসূচি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নারী প্রধান পরিবারের নামে এই কার্ড প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত এর সভাপতিত্বে স্থানীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মুর্তুজা আলী খান,জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু আব্দুল্লাহ মোঃ ওয়ালি উল্ল্যাহ, রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ শামীম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আফছার, রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ বাহার উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেফায়েত মোর্শেদ ভূইয়া মিঠু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেফায়েত উল্ল্যাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রামগড় সার্কেল) মিঃ ওবাইন, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম এবং রামগড় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজিজুর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও উপকারভোগীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এ উদ্যোগ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নারী প্রধান পরিবারগুলো এই ভাতার মাধ্যমে আর্থিকভাবে উপকৃত হবে এবং তাদের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে সহায়তা মিলবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপকারভোগীদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি এই ভাতা প্রদান করা হবে। ফলে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তারা ঘরে বসে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।

এদিকে, রামগড় উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৪৫৬ জন উপকারভোগীকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হলেও পর্যায়ক্রমে আরও পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই “ফ্যামিলি কার্ড” কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

×