মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায়  পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
5 বার পড়া হয়েছে
ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায়  পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে একটি মেডিকেল টীম পাঠানো হয়েছে বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত।

রবিবার (১২ ই জুলাই) ইউএনও মো. জাকির হোসেন এরঁ  নির্দেশে এই টীম পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও জানান, মেডিকেল অফিসার ডা. রনি সরকারের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল টীম ফারুয়া ইউনিয়নে তক্তানালা ও ফারুয়া বাজার ও গোয়াইছড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন গ্রামে ভাসমান মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে বা হবে।

সিনিয়র নার্স প্রবীর তঞ্চঙ্গ্যা’র স্টারলিং এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ১১০ জনকে সেবা দিয়েছেন, বেশিরভাগ জ্বর ও চর্ম রোগী।তাদেরকে সহযোগিতা করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের অসীম চাকমা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এবং সবসময় পাশে রয়েছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধি,হেডম্যান – কার্বারী ও সুশীল সমাজ।

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম
ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায়  পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম

 

উথোয়াইচিং মারমা ; বান্দরবান :

বান্দরবানে অবৈধভাবে পরিবহনের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ কাঠ জব্দ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরে জব্দকৃত কাঠ বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১০ জুলাই বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় নিয়মিত টহলের সময় সেনাসদস্যরা রাস্তার পাশে কাঠ বোঝাই একটি টয়োটা পিক-আপ (লট নং-৩৮) দেখতে পান। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কাঠের মালিক মিলন বড়ুয়া, বালাঘাটা এলাকার বাসিন্দাকে কাঠ পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।

পরে বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে কাঠের বৈধতা যাচাই করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বন বিভাগ কাঠগুলো জব্দ করে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, অভিযানে মোট ৭৭৯ টুকরা কাঠ জব্দ করা হয়েছে। এসব কাঠের মোট আয়তন ৪৯৩ দশমিক ৩৪ ঘনফুট এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৮০ হাজার ২০ টাকা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চলমান বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও অবৈধ কাঠ পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বনজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং অবৈধ কাঠ পাচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করবে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কাপ্তাইয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখল ৭৬ শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৮ পিএম
ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায়  পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৭৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এই ফলাফল নিশ্চিত করেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট ৭৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ট্যালেন্টপুল কোটায় ১৭ জন এবং সাধারণ কোটায় ৫৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। ১৭ জনের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ১৩ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী এই গৌরব অর্জন করেছে। ৫৯ জনের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ৫২ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের পর কাপ্তাইয়ের শিক্ষা মহলে আনন্দের জোয়ার বইছে।

বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাশ বলেন, “প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাটি ২০২৫ সালে হওয়ার কথা থাকলেও কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে ২০২৬ সালের শুরুতে পরীক্ষা সম্পন্ন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করায় আমি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বৃত্তিপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে আমার পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন।”

এদিকে, বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২ জন ট্যালেন্টপুল এবং ৪ জন সাধারণ বৃত্তি পাওয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. একরাম হোসেন এবং সহ-সভাপতি মো. নুরুল আবসার শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন তারা। তারা আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে তাদের নিজস্ব অধ্যবসায়, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।”

কাপ্তাইয়ে বন্য হাতির আক্রমণ : আহত দুই দিনমজুর, চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:২১ পিএম
ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায়  পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়নের উজানছড়ি বগাচর এলাকায় বন্য হাতির ভয়াবহ আক্রমণে দুইজন দিনমজুর গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে স্থানীয় বাগানে কাজ করতে যাওয়ার পথে বন্য হাতির হামলার শিকার হন তারা। ​আহতরা হলেন উজানছড়ি ও বগাচর এলাকার বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫) এবং মো. মামুন (২৮)। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আহতের পরিবাররা জানান, প্রতিদিনের মতো তারা বাগানে কাজে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ বুনো হাতির মুখোমুখি পড়লে হাতিটি তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। জীবন রক্ষার বর্ণনা দিতে গিয়ে আহত জাহাঙ্গীর ও মামুন বলেন, “সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপা ও ভাগ্য ভালো ছিল বলেই আমরা প্রাণে বেঁচে গেছি। হাতির আক্রমণ থেকে কোনোমতে পালিয়ে নিজেদের রক্ষা করেছি।” ​

আহতদের শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে তারা আরও জানান, হাতির হামলায় তাদের কোমর, পা ও পিঠে গুরুতর আঘাত লেগেছে। দিনমজুর হিসেবে কাজ করে জীবন নির্বাহ করা এই দুই শ্রমিক এখন চিকিৎসার ব্যয় বহন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে বন বিভাগের কাছে এ ব্যাপারে যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও সহায়তার আবেদন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে, বন্য হাতির অব্যাহত উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন উজানছড়ি এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা অংসুইথুই মারমা জানান, গত কয়েকদিন ধরে হাতির পাল ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় ফসলি জমিতে হানা দিচ্ছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমার কলাবাগানটি পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলেছে হাতিগুলো। প্রতিদিন বন্য হাতির লোকালয়ে বিচরণ থাকায় এলাকাবাসী আতংকে নির্ঘুম কাটাতে হয় আজকেও দুইজনকে আক্রমণ করল। আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।” ​

পার্বত্য এলাকায় লোকালয় সংলগ্ন পাহাড়ে বন্য হাতির এমন আনাগোনা ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা নতুন নয়। দিনের পর দিন হাতির আক্রমণে ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে চলায় স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বন্য হাতির কবল থেকে জনবসতি ও ফসলি জমি রক্ষায় বন বিভাগকে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

×