শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬, ২:৪১ পিএম
3 বার পড়া হয়েছে
বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত

  

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার “ডাউনপাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি:”– এর প্রাক নিবন্ধন অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ ই জুলাই) সকাল ১১টায় দাউন পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিটির সভাপতি নিরুপন তঞ্চঙ্গ্যা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাক্য উজ্জল  চাকমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, সমবায় অফিসের কর্মচারী সুবল বিকাশ চাকমা (কিরণ), কার্বারী তনাবী তঞ্চঙ্গ্যা।

এসময় আরও সভায় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মিহির তঞ্চঙ্গ্যা, সদস্য- কান্যা রানী তঞ্চঙ্গ্যা, দীপিকা চাকমা, বিশুলতা তঞ্চঙ্গ্যা, ছায়ারানী তঞ্চঙ্গ্যা, রঞ্জন মূখী তঞ্চঙ্গ্যা, আনন্দ মূখী, চিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা, সুজন কুমার  তঞ্চঙ্গ্যা, অনিক তঞ্চঙ্গ্যা, বিসু লতা তঞ্চঙ্গ্যা, সকিময় তঞ্চঙ্গ্যা, নসিব তঞ্চঙ্গ্যা, বিপ্লব তঞ্চঙ্গ্যা, বিরতজয় তঞ্চঙ্গ্যা, জরিনা চাকমা, সমর কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, খুলাবী তঞ্চঙ্গ্যা, সুপা তঞ্চঙ্গ্যা এবং পালদেবী তঞ্চঙ্গ্যা প্রমূখ।

আলীকদমে টানা বৃষ্টিতে কৃষকের ক্ষতির পরিমান কোটির উপরে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত

আলীকদম (বান্দরবান) সংবাদদাতা:

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দেখা দিয়েছে। উপজেলার চার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি সহ সবজি ক্ষেত পানিতে নষ্ট হয় গেছে। নিজেদের আয় ও পুঁজি হারিয়ে   দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

অনেকের মাঠের  ফসল ও সবজি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। আবার অনেক  জমিতে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায়  সমস্ত সবজি নষ্ট হয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, টানা বৃষ্টিতে উপজেলার আলীকদম সদর, চৈক্ষ্যং, নয়াপাড়া ও কুরুকপাতা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত চার ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায় মোট ৫৫৮ হেক্টর কৃষি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে নিচু এলাকার ফসলী মাঠ ডুবে গেছে। এতে ধান, বেগুন, করলা, চিচিঙ্গা, ফল, ঢেরস, মরিচ, পেঁপে বাগান সহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের পেছনে লক্ষ লক্ষ অর্থ ব্যয় করে ফসল উৎপাদন করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে কৃষকরা।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ওসমান গনি জানান, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তাদের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। ধার দেনা ও ঋণ করে চাষ করেছি। এখন কীভাবে সেই টাকা পরিশোধ করব। সরকারী সহায়তা ছাড়া আবার নতুন করে  শুরু করার সামর্থ্য নেই।

বাংলাদেশ কৃষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি আমতলীর বাসিন্দা মুজিবুর রহমান বলেন, আমার সমিতিতে ১০০ কৃষক রয়েছে। যারা কৃষির উপর জীবিকা নির্বাহ করে চলে ।আমি নিজে ৫ কানি মানুষের কাছ থেকে দেনা নিয়ে চাষাবাদ করেছি। কিন্তুু এই বন্যায় আমার সবকিছু হারিয়ে গেছে। শুধু আমি না আমার মত আরো ১০০ কৃষকের স্বপ্ন জলাঞ্জলি হয়ে গেছে। আমরা সরকারী সহযোগিতা না পেলে আমাদের মরা না হলে গ্রাম ছেড়ে পালাতে হবে।

এদিকে চার ইউনিয়নের মধ্যে কোন ইউনিয়নে কত হেক্টর জমির ফসল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং  ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে কৃষি অধিদপ্তর তালিকা করছে বলে  জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে আলীকদম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা বলেন, গত ৫ জুলাই থেকে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় আলীকদমের কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে মাঠে থাকা গ্রীষ্মকালীন সবজি, পেঁপে, বীজতলা, আউশ ও আমন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি কমার পর আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে জরিপ শুরু করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে কৃষি প্রণোদনার আওতায় আনা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় সবজি বীজসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে কৃষকদের আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন,  ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারি কোন বরাদ্দ পাওয়া গেলে কৃষক কিছুটা ক্ষতি কাটাতে পারবে।
অন্যদিকে আলীকদমে বন্যার পর সবজির দাম বেড়ে কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার উপরে। যা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সহ সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে।

আলীকদম বাজারে সবজি বিক্রেতা শফিক জানান, চাহিদা অনুযায়ী সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। আমার চকরিয়া সহ চট্রগ্রাম থেকে যে সবজি গুলো বিক্রির জন্য এসেছি। তা বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাছাড়া পরিবহন খরচ সহ সবকিছু মিলিয়ে তুলনামূলক বেশিতে বিক্রি করতে হচ্ছে আমাদের ।

গোবিন্দগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল করার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫১ পিএম
বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত

 

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল করার অভিযোগে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা লাবিব হাসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। লাবিব তালুককানুপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সমসপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র।

গত বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে কাটাখালি বালুয়া এলাকায় একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পরে পুলিশ ঐদিন রাতেই তাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক জানান গতকাল শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক কল্যাণ সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি জয়নাল, সাধারণ সম্পাদক করিম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ পিএম
বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত

 

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাই উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়ী সংগঠন ‘কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৫০২ জন ভোটারদের মধ্যে ১২ঙটি পদে ২১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের স্বাক্ষরে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

​ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ‘ছাতা প্রতীক’ নিয়ে জয়নাল আবেদীন ২২৯ ভোট পেয়ে সভাপতি, মিন্টু চন্দ্র শীল ‘গোলাপ, ফুল’ প্রতীকে ২০৩ ভোট পেয়ে সহ,-সভাপতি, মোঃ করিম উদ্দীন ‘বাঘ প্রতীক’ নিয়ে ১৫৯ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক, মোঃ ইউসুফ ‘চশমা প্রতীক’ নিয়ে ২৪০ ভোট পেয়ে সহ-সাধারণ সম্পাদক, মোঃ কুতুবউদ্দিন ‘কলসী প্রতীকে’ ২২৩ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ হেলাল উদ্দিন ‘হাতপাখা প্রতীকে’ ৩১৭ ভোট অর্থ সম্পাদক বিজয়ী হয়েছেন।

এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে ৫ জন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন মো: শরীফ হোসেন ‘ডাব প্রতীকে’ ৩৩৬ ভোট, মোহাম্মদ আব্দুল শুক্কর ‘হাতি প্রতীকে’ ৩২৭ ভোট, মো. বায়োজিদ হোসেন ‘প্রজাপতি প্রতীকে’ ৩২০ ভোট, বেলাল হোসেন মানিক ‘মাইক প্রতীকে’ ২৮৫ ভোট এবং মোঃ বাদশা মিয়া ‘আম প্রতীকে’ ২৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

×